টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমার প্রথম দফা ইজতেমা শুরু হবে ২১ জানুয়ারি বাদ ফজর, ২৩ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তা শেষ হবে।
৪দিন বিরতি দিয়ে
২৮ জানুয়ারি আবার শুরু হবে দ্বিতীয় দফার ইজতেমা। আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তা শেষ হবে ৩০ জানুয়ারি।
রাজধানী ঢাকাসহ ৬৪টি জেলাকে দুই পর্বে ভাগ করা হয়েছে। এবার ইজতেমা মাঠে নির্মিত বিশাল চটের প্যান্ডেলকে তাদের অবস্থান নেয়ার জন্য জেলাওয়ারি নির্দিষ্ট খিত্তায় বিভক্ত করা হচ্ছে। তবে বিদেশীদের জন্য এ ধরনের বিভক্তি থাকবে না। প্রথম পর্বের ইজতেমার মাঠকে ৩৪টি খিত্তায় ও ২য় পর্বের ইজতেমার মাঠকে ৩৪টি খিত্তায় বিভক্ত করা হয়েছে। খিত্তা হচ্ছে ইজতেমা মাঠের ভেতর চটের ছাউনীর নীচে নির্দিষ্ট করে দেয়া এলাকা।
প্রথম পর্বের ইজতেমায় ৪৪টি খিত্তার মধ্যে ৩৩টি জেলার মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করবেন।
১নং খিত্তা থেকে ১২নং খিত্তায় ঢাকা জেলা,
১৩নং খিত্তায় চিল্লাবদ্ধ মুসল্লিদের জন্য ‘তাশকিল কামরা’,
১৪নং খিত্তায় গাজীপুর জেলা,
১৫ থেকে ১৭নং খিত্তায় ময়মনসিংহ,
১৮নং খিত্তায় ফরিদপুর,
১৯নং খিত্তায় শেরপুর,
২০নং খিত্তায় নরসিংদী,
২১নং খিত্তায় রাজবাড়ী,
২২নং খিত্তায় শরীয়তপুর,
২৩নং খিত্তায় সিরাজগঞ্জ,
২৪নং খিত্তায় রাজশাহী,
২৫নং খিত্তায় কিশোরগঞ্জ,
২৬নং খিত্তায় নাটোর,
২৭নং খিত্তায় রংপুর,
২৮নং খিত্তায় দিনাজপুর,
২৯নং খিত্তায় লালমনিরহাট,
৩০নং খিত্তায় জয়পুরহাট,
৩১নং খিত্তায় সিলেট,
৩২নং খিত্তায় চাঁদপুর,
৩৩নং খিত্তায় হবিগঞ্জ,
৩৪নং খিত্তায় গাইবান্দা,
৩৫নং খিত্তায় ফেনী,
৩৬নং খিত্তায় চট্টগ্রাম, বান্দরবন, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি জেলা,
৩৭নং খিত্তায় কুষ্টিয়া,
৩৮নং খিত্তায় এ বাগেরহাট,
৩৯নং খিত্তায় চুয়াডাঙ্গা,
৪০নং খিত্তায় নড়াইল,
৪১নং খিত্তায় যশোর,
৪২নং খিত্তায় ভোলা,
৪৩নং খিত্তায় বরগুনা জেলা এবং
৪৪নং খিত্তায় ঝালকাঠি জেলার মুসল্লিগণ অবস্থান নেবেন।
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে যেসব জেলার মুসল্লিরা অংশ নেবে সেগুলো হলো মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল, জামালপুর, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, নেত্রকোনা, বরিশাল, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নোয়াখালী, মাগুরা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মাদারীপুর, ঠাকুরগাঁও, নওগাঁ, পাবনা, গোপালগঞ্জ, সাতক্ষীরা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, বগুড়া, পঞ্চগড়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, খুলনা, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও কক্সবাজার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


