somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সুচি'কে প্রেসিডেন্টের 'বস' বানানোর জন্য প্রস্ততি নিচ্ছে মিয়ানমার

০১ লা এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


১৯৮৮ সালের কথা। মিয়ানমারে চলছে সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকামী মানুষদের তীব্র আন্দোলন। ঠিক এমন একটি সময়ে গুরুতর অসুস্থ মায়ের পাশে দাঁড়াতে ব্রিটেনে স্বামী সন্তানকে ফেলে রেখে নিজ দেশে উড়ে আসেন সুচি।


অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং সামরিক জান্তার কাছে থেকে দেশকে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিতে সাধারণ গৃহবধু থেকে রাজনীতির আঙিনায় পা রাখেন মিয়ানমারের গণতন্ত্র আন্দোলনের নেত্রী অং সান সুচি। গঠন করেন ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি NLD।


এর পরপরই স্বৈরশাসক নে উইনের নির্দেশে ১৯৮৯ গৃহবন্দী করে রাখা হয় তাকে। প্রায় দুই দশক গৃহবন্দী ও কারাগার জীবনের চড়াই উৎরাই পেরিয়ে ২০১০ সালের নভেম্বরে মুক্তি পান এই গণতন্ত্রমানষ কন্যা।


অবশেষে ২০১৫ সালে পার্লামেন্ট নির্বাচনে সুচি এবং তাঁর দলের বিপুল জয়ের পর সামরিক শাসনামল থেকে গণতন্ত্রের হাওয়ায় ভাসতে শুরু করেছে মিয়ানমারের সাধারণ মানুষ। বুধবার সামরিক সরকার থেন সেইনের হাত থেকে ক্ষমতা বুঝে নেন নতুন প্রেসিডেন্ট থিন কিউ। এর মধ্য দিয়ে সম্প্রসারিত হলো গণতন্ত্রের নতুন দোয়ার।


শুধু তাই নয়, ব্রিটিশ স্বামী সন্তান হওয়ায় প্রেসিডেন্ট হতে না পারলেও সুচির হাতে দেশ শাসণের চাবিকাঠি তুলে দিতে তৈরি করা হচ্ছে ‘প্রধানমন্ত্রী’র মতো পদ। আর এই খসড়া বিলটি পার্লামেন্টে পাস হলেই সৃষ্টি হবে এই নতুন পদ। যে পদটির নাম হতে পারে ‘রাষ্ট্রের উপদেষ্টা’।


পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি মন্ত্রণালয় এবং রাষ্ট্রের উপদেষ্টা হয়ে মহাত্মা গান্ধীর অনুসারী সুচি দেশ পরিচালনায় কতটা সুচারু হবেন সেদিকেই তাকিয়ে আছেন মিয়ানমারের গণতন্ত্রকামী মানুষ।


দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় পর মিয়ানমারে ক্ষমতায় বসলেন, একজন সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি। নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট থিন কিউ'। এখন দেখার বিষয় কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধির পুতুল সরকার ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মন মোহন সিংহের মতো, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট থিন কিউ সুচির খেলনা পুতল হবেন কি না! সময় সবচেয়ে বড় জীবন ডায়েরি। যা পড়বে কেবল সময়ের মানুষ। আর ইতিহাস।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:০৩
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইয়ামানাকা ফ্যাক্টরস

লিখেছেন কলাবাগান১, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৭


ছবিতে যাকে দেখছেন উনার নাম প্রফেসর ইমানাকা। উনাকে সারা বিশ্ব মনে রাখবে উনার যুগান্তরী আবিস্কার এর জন্য। তার আবিস্কার যেভাবে সবার জীবনকে বদলে দিবে এবং দিচ্ছে সেটা জানানোর জন্যই... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি কে? রাজাকার!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:০১



ভারতে দেশপ্রেমের সজ্ঞা কী? ভারতে একজন কট্টরপন্থীর দেশপ্রেম হলো প্রথমত পাকিস্তান বিরোধী হতেই হবে। দ্বিতীয়ত মুসলিম বিরোধী হতেই হবে। এই দুই ছাড়া কোনভাবেই সে ভারতকে ধারণ করেনা এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

খেলা ফাইনাল হয়ে যেতে পারে আগামীকাল ...

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:৪৮


আগামীকাল অপপ্রচারকারীদের খেলা ফাইনাল হয়ে যেতে পারে। গ্যাস আর বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারকে কাবু করার দিন ফুরিয়ে এসেছে। 'কাছিমের মতো গর্ত থেকে বের হয়ে' যারা এতদিন সরকারের... ...বাকিটুকু পড়ুন

নতুন ভোরের গান

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭


নতুন ভোরের গান



কষ্টের দিন পেরিয়ে এবার
আসবে আলোর গান,
নতুন দিনের নতুন সুরে
জাগবে সবুজ প্রাণ।

নষ্ট স্মৃতির আড়ষ্টতা
ঝরিয়ে দেবো অনেক দূরে,
নিজের মনেই ভালোবাসার
নূপুর বাজবে সুরে সুরে।



ভ্রষ্ট পথের আঁধার কেটে
ভোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগে চার বছর একদিন হয়ে গেল । কি আশ্চর্য!

লিখেছেন সামরিন হক, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭

অবজ্ঞা

তোমার বিশেষ ঘৃণা দ্বারা আক্রান্ত আমি
চারপাশ ঘিরে ফেলেছে ঘৃণারা আমাকে
আস্তে আস্তে গ্রাস করে নিচ্ছে আমাকে তোমার ঘৃণা
আমার কথা শোন
আমি কখনই মনুষ্যত্বের সীমা পার করিনি
কিন্তু তোমার ঘৃণায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×