
‘দুনিয়ার মজদুর এক হও’ শ্লোগানে যিনি শোষিত-বঞ্চিত মেহনতি মানুষকে তাদের ন্যায্য অধিকারের বিষয়ে সচেতন করতে আমৃত্যু সংগ্রাম করেছেন, তিনি সমাজবিজ্ঞানী ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা কার্ল মার্ক্স। কয়েক বছর আগে অবধি ইউরোপের মানুষদের ধারণা ছিল: মার্ক্সিজম’এর দিন শেষ হয়েছে৷ কিন্তু কার্ল মার্ক্স অর্থনৈতিক শোষণ এবং অন্যায়ের যে সমালোচনা করেছিলেন, বর্তমান আর্থিক সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে তা খুবই বাস্তব মনে হতে পারে ৷ আজ আমরা বিশ্বের অর্থবাজারগুলিতে যা দেখছি, তা মার্ক্সের দেখা বিকাশধারারই একটি অংশ। তিনি দেখেছিলেন, পুঁজির চাহিদা ক্রমেই বাড়তে থাকবে৷ উৎপাদনের বিভিন্ন সেক্টরের মধ্যে ভারসাম্যের অভাব পুষিয়ে দিতে ক্রমেই আরো বেশি পুঁজির প্রয়োজন পড়বে৷ অথচ এই পুঁজি উৎপাদনে বিনিয়োগ না করে, প্রধানত শেয়ারে এবং মুনাফাবাজিতেই বিনিয়োগ করা হবে৷ জীবিত অবস্থায় সেভাবে পরিচিত না হলেও মৃত্যুর পর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীদের কাছে তিনি জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। বিংশ শতাব্দীতে সমগ্র মানব সভ্যতা মার্ক্সের তত্ত্ব দ্বারা প্রবলভাবে আলোড়িত হয়। সোভিয়েত ইউনিয়নে সমাজতন্ত্রের পতনের পর এ তত্ত্বের জনপ্রিয়তা কমে গেলেও তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে মার্ক্সবাদ এখনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ এই সমাজ বিজ্ঞানীর মৃ্ত্যুবার্ষিকী। ১৮৮৩ সালের ১৪ মার্চ তিনি তিনি লণ্ডনে মৃত্যুবরণ করেন। আজ তার ১৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। মার্ক্সবাদের প্রবক্তা কার্ল মার্ক্স এর মৃত্যুবার্ষিকীতে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি। কার্ল মার্ক্স সম্পর্কে আরো জানতে ক্লিক করতে পারেন এখানে।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই মার্চ, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




