somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলা ভাষার মহাকবি কায়কোবাদের ৬৯তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

২১ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আধুনিক বাংলাসাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি কায়কোবাদ, মহাকবি কায়কোবাদ বা মুন্সী কায়কোবাদ। কায়কোবাদের সাহিত্যকর্মে পশ্চাত্পদ মুসলিমদের নিজেদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য সংরক্ষণে এবং তা অনুশীলনে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। বাংলা মহাকাব্যের অস্তোন্মুখ এবং গীতিকবিতার স্বর্ণযুগে মহাকবি কায়কোবাদ মুসলমানদের গৌরবময় ইতিহাস থেকে কাহিনী নিয়ে ‘মহাশ্মশান’ মহাকাব্য রচনা করে যে দুঃসাহসিকতা দেখিয়েছেন তা তাঁকে বাংলা সাহিত্যের গৌরবময় আসনে স্থান করে দিয়েছে। মুসলমান কবি রচিত জাতীয় আখ্যান কাব্যগুলোর মধ্যে সুপরিচিত মহাকবি কায়কোবাদ রচিত ‘মহাশ্মশান’ কাব্যটি। কায়কোবাদের মহাকবি নামের খ্যাতি এই মহাশ্মশান কাব্যের জন্যই। কাব্যটি তিন খন্ডে বিভক্ত। প্রথম খন্ডে ঊনত্রিশ সর্গ,দ্বিতীয় খন্ডে চব্বিশ সর্গ, এবং তৃতীয় খন্ডে সাত সর্গ। মোট ষাট সর্গে প্রায় নয়শ' পৃষ্ঠার এই কাব্য বাংলা ১৩৩১, ইংরেজি ১৯০৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়; যদিও গ্রন্থাকারে প্রকাশ হতে আরো ক'বছর দেরী হয়েছিল। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধযজ্ঞকে রূপায়িত করতে গিয়ে কবি বিশাল কাহিনী,ভয়াবহ সংঘর্ষ, গগনস্পর্শী দম্ভ,এবং মর্মভেদী বেদনাকে নানাভাবে চিত্রিত করেছেন। বিশালতার যে মহিমা রয়েছে তাকেই রূপ দিতে চেয়েছিলেন এই কাব্যে। তিনি বাংলার অপর দুই মহাকবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ও নবীনচন্দ্র সেনের ধারায় মহাকাব্য রচনা করেন। তবে নবীনচন্দ্রই ছিলেন তার প্রধান আদর্শ। তিনি কবি হেমচন্দ্র ব্যানার্জী এবং কবি নবীন চন্দ্র সেন এর দ্বারা প্রভাবিত হলেও তাঁদের মত সাম্প্রদায়ীক ভেদবুদ্ধির পরিচয় দেন নি | তাঁর কাছে হিন্দুও বীর, মুসলমানও বীর | মুসলমানদের মধ্যে পিছিয়ে পড়া মানুষের কাছে তাঁদের হৃত গৌরবের কথা পৌঁছে তাঁদের উন্নতি সাধনে উদ্বুদ্ধ করাই তাঁর প্রধাণ প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে । বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম সনেট রচয়িতা মহা কবি কায়কোবাদ ১৯৫১ সালের আজকের দিনে ইন্তেকাল করেন। আজ তার ৬৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। খ্যাতিমান কবি কায়কোবাদের মৃত্যুদিনে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি


বাংলা ভাষার উল্লেখযোগ্য কবি কায়কোবাদ ১৮৫৭ সালে (জন্ম তারিখ অস্পষ্ট) ঢাকার নবাবগঞ্জের আগলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রকৃত নাম কাজেম আলী কোরেশী। ‘কায়কোবাদ’ তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম। তার বাবার নাম শাহমত উল্লাহ আল কোরেশী ওরফে এমদাদ আলী এবং মায়ের নাম জোমরাত উন্নেসা ওরফে জরিফুন্নেসা খাতুন। কবির পিতৃপুরুষগণ বাদশাহ শাহজাহানের রাজত্বকালে বাগদাদের কোন এক অঞ্চল থেকে ভারতে আসেন। তাদের মধ্যে মাহবুব উল্লাহ আল কোরেশী ফরিদপুর জেলার গোড়াইলে বসবাস শুরু করেন। কায়কোবাদ মাহবুব উল্লাহ আল কোরশীর প্রপৌত্র। কবির পিতামহের নাম নেয়ামত উল্লাহ আল কোরেশী। কবির বাবা ঢাকায় ওকালতি করতেন। কবির বয়স যখন এগারো তখন তার মা এবং বারো বছর বয়সে বাবা মারা যান। কবি পড়াশোনায় তেমন একটা এগোতে পারেননি। তিনি ঢাকা পগোজ স্কুলে ও আলিয়া মাদরাসায় পড়াশোনা করেন এবং এন্ট্রাস পরীক্ষার পূর্বেই তার পড়াশোনার সমাপ্তি ঘটে। তাঁর পিতা শাহামতউল্লাহ আল কোরেশী ছিলেন ঢাকার জেলা-জজ আদালতের উকিল। কায়কোবাদ ঢাকার পোগোজ স্কুল এবং সেন্ট গ্রেগরি স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা লাভের পর ঢাকা মাদ্রাসায় এন্ট্রান্স পর্যন্ত অধ্যয়ন করেন, কিন্তু পরীক্ষার আগেই পোস্ট-মাস্টারের চাকরি নিয়ে তিনি স্বগ্রাম আগলায় চলে যান। সমগ্র চাকরি জীবনে তিনি এ পদেই বহাল ছিলেন এবং এখান থেকেই অবসর গ্রহণ করেন। বাল্যাবস্থা থেকেই তাঁর কবিতার পারদর্শিতা চোখে পড়ে । ১৮৭০ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সেই তার প্রথম কাব্য গ্রন্থ 'বিরহ বিলাপ' প্রকাশিত হয় | কায়কোবাদ দীর্ঘ জীবন লাভ করেছিলেন। এই দীর্ঘ জীবনে তিনি বহু সাহিত্যকর্ম রচনা করেন। জীবদ্দশায় প্রকাশিত তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ সমুহঃ ১। কুসুমকানন (১৮৭৩), ২। অশ্রুমালা (১৮৯৫), ৩। শিবমন্দির (১৯২২), ৪। মহাশ্মশান (১৯০৪), ৫। অমিয়ধারা (১৯২৩) উল্লেখযোগ্য। তাঁর মৃত্যুর পরে প্রকাশিত গ্রন্থ ১। প্রেমের ফুল (১৯৭১), ২। প্রেমের বাণী (১৯৭০), ৩। প্রেম পারিজাত (১৯৭০), ৪। মন্দাকিনী ধারা (১৯৭১) এবং ৫। গাউছ পাকের প্রেমের কুঞ্জ (১৯৭৯) ইত্যাদি। কায়কোবাদের কাব্যচর্চাকে মোটামুটি ছটি ভাগে ভাগ করা যায়- গীতিকাব্য বা খন্ডকাব্য ও মহাকাব্য বা কাহিনী কাব্য। তবে মহাকাব্য বা কাহিনী কাব্য অপেক্ষা গীতি কবিতা বা খন্ড কবিতা রচনাতেই তিনি ছিলেন অপেক্ষাকৃত সাবলীল, স্বতঃস্ফূর্ত ও অধিকতর সিদ্ধহস্ত। তার শ্রেষ্ঠ গীতিকাব্য ‘অশ্রুমালা'ই তার বড় প্রমাণ। কিন্তু তা সত্ত্বেও কায়কোবাদের যাবতীয় খ্যাতি এবং পাঠক সমাজের যত সব বিমুগ্ধ বিস্ময় তা তার ‘মহাশ্মশান' কাব্যকে ঘিরে। কাব্যটিকে তিনি মহাকাব্য বলে দাবি করেছেন। কিন্তু বাস্তব কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে কবির দাবি অনুযায়ী কাব্যটি যথার্থ মহাকাব্য না হলেও নানা বৈশিষ্ট্যের কারণে কায়কোবাদের এই মহাকাব্যিক প্রয়াসকে কোন অবস্থাতেই খাটো করে দেখার উপায় নেই। সে সময়কার প্রেক্ষাপটে এরূপ উদার মানবিক, অসাম্প্রদায়িক, সত্যনিষ্ঠ এবং বিশাল আয়তনের কাব্য প্রয়াস সত্যি আমাদেরকে মুগ্ধ করে।


মহাশ্মশান কায়কোবাদ রচিত বাংলা মহাকাব্য (১৯০৪)। এর উপজীব্য ১৭৬১ সালে সংঘটিত পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ। এ যুদ্ধ ছিল ভারতের উদীয়মান হিন্দুশক্তি মারাঠাদের সঙ্গে মুসলিমশক্তি তথা আহমদ শাহ আবদালীর নেতৃত্বে রোহিলা-অধিপতি নজীবউদ্দৌলার শক্তিপরীক্ষা; যুদ্ধে মুসলমানদের জয় হলেও কবির দৃষ্টিতে তা ছিল উভয়েরই শক্তিক্ষয় ও ধ্বংস; এজন্যই তিনি একে ‘মহাশ্মশান’ বলেছেন। যুদ্ধকাহিনীর মধ্যে অনেকগুলি প্রণয়বৃত্তান্ত স্থান পেয়েছে। মহাশ্মশান কাব্যে মোট তিনটি খন্ড রয়েছে। প্রথম খন্ড ১৯ সর্গ, দ্বিতীয় খন্ড ২৪ সর্গ এবং তৃতীয় খন্ড ৭ সর্গে সমাপ্ত। কাব্যের প্রারম্ভে আছে ‘কবির বীণা ও কল্পনা’ এবং ‘আল্লাহু আকবর’ নামক বন্দনা অংশ। এছাড়াও ‘এব্রাহিম কার্দ্দি ও জোহরা বেগমের বাল্য জীবনের এক অধ্যায়’ শীর্ষক একটি সর্গ আছে। মহাশ্মশান মাইকেল মধুসূদন দত্ত ও নবীনচন্দ্র সেনের অনুসরণে রচিত হলেও মহাকাব্য হিসেবে তা খুব একটা সফল হয়নি। প্রকরণে ও মেজাজে কাব্যখানি বীররসের পরিবর্তে করুণরসের গীতিময় উচ্ছ্বাসে পরিণত হয়েছে। উপনিবেশিক শাসনামলে জাতীয়তাবাদী চেতনার আলোকে কবি হিন্দু-মুসলিম দুই জাতির বীরত্ব-গাথা রচনা করতে চেয়েছেন; এখানেই এ গ্রন্থের ঐতিহাসিক গুরুত্ব নিহিত।এটাকে তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সাহিত্যে অসমান্য অবদানের জন্য ১৯২৫ সালে তাকে নিখিল ভারত সাহিত্য সংঘ থেকে তাঁকে কাব্যভূষণ, বিদ্যাভূষণ এবং সাহিত্য রত্ন পুরস্কারে ভূষিত করেন | বাংলাদেশ সরকার তার সম্মানে ১৯৯১ সালে ৬ টকা মূল্যমানের ডাকটিকিট প্রকাশ করে।


কায়কোবাদ দীর্ঘ জীবন লাভ করেছিলেন। ঐতিহাসিক সিপাহী বিপ্লবের বছরে সেই ১৮৫৭ সালে তার জন্ম এবং তিনি মৃত্যুবরণ করেন আমাদের মহান ভাষা আন্দোলনের পূর্ব বছরে ১৯৫১ সালে। এত দীর্ঘ জীবন লাভের সৌভাগ্য খুব কম লেখকের জীবনেই ঘটে। কিন্তু তার এই দীর্ঘ জীবন পরিসরে পরিবর্তনশীল জগত ও সাহিত্যোদর্শের অনিবার্য বিবর্তনকে তিনি উপলব্ধি করতে পারেননি বা করতে চাননি। বিশ শতকের পরিবর্তিত পরিবেশে অবস্থান করেও তিনি ছিলেন ঊনিশ শতকীয় সাহিত্যাদর্শ ও সাহিত্য রীতির অনুসারী। তাঁর কবি মানসের এই সীমাবদ্ধতা তাঁর মহাশ্মশান কাব্যের মহাকাব্যিক প্রয়াসকে দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তা সত্ত্বেও সাহিত্য ক্ষেত্রে তাঁর বিপুল অবদান, তার উদার মানসিকতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা, তাঁর সত্যনিষ্ঠা এবং আধুনিক বাংলা সাহিত্যচর্চায় পশ্চাদপদ মুসলিম কবি-সাহিত্যিকদের অভয়দান ও অনুপ্রাণিত করার জন্য তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন এবং আমাদের স্বকৃতজ্ঞ শ্রদ্ধা দাবি করবেন চিরকাল। মহাকবি কায়কোবাদ ১৮৫৭ থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত তিনি ৯৪ বছর জীবিত ছিলেন। জীবনের সুদীর্ঘ ৮২ বছরই বাংলা সাহিত্য নিয়ে চর্চা করেছেন। ১৯৫১ সালে ২১ জুলাই বার্ধক্যজনিত কারণে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পুরাতন আজিমপুর কবরস্থানে তাকে দাফন হয়। আজ তার ৬৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। মহাকবি কায়কোবাদের মৃত্যুদিনে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
নিউজ চ্যানেল :-& ফেসবুক
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৪৬
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অপারেশন ইকারুস: কুয়ালালামপুরের ছায়া সম্রাট

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৭ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৫



বালির নীল দিগন্ত
ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের একটি নির্জন পাথুরে সৈকত। ভারত মহাসাগরের বিশাল নীল ঢেউ আছড়ে পড়ছিল তীরে। সমুদ্রের ঠিক ওপরের একটি আধুনিক কাঁচের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আহলে হাদিস বিরোধী পোষ্টে ব্লগে লাইক না থাকলেও গ্রুপে লাইক পাঁচ হাজার আটশত

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৭ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৪



হাদিস প্রেমিক হলো নাস্তিক ও আহলে হাদিস। উভয় দল হাদিস দিয়ে মুসলিমদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। আমি যেহেতু মুসলিমদের হেদায়াতের জন্য কাজ করি সেহেতু আমাকে আহলে হাদিস বিরোধী... ...বাকিটুকু পড়ুন

তারেক রহমানের প্রথম সফর কেন ভারতেই হওয়া উচিত ছিল?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৯


দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরে আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখার পর প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান কলম্বোর পথ ধরে দেশে ফিরে আসেন । তিনি ভারতে ঢোকার অনুমতি পেয়েছিলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৪শের শহীদ নাকি প্রতারক ⁉️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৫:৪৭



'বায়বীয় গুলিতে আহত হয়ে নিহত' এক শহীদের উপাখ্যান।

ইনুস বাটপারের ভূয়া শহীদের বিতর্কিত 'জুলাই শহীদ গেজেট' যে অসংখ্য মিথ্যা, প্রতারনা, জালিয়াতিতে ভর্তি একটা বড় রকমের মিথ্যাচার, বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ প্রত্যাবর্তন

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৪


চন্দ্রা পশ্চিমের বারান্দায় উদাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আকাশে ছড়ানো ছেটানো  মেঘ, সেই মেঘের মতই তার মনটা আজ  বিক্ষিপ্ত ।
ইদানীং মা কি সব সন্দেহ করে তাকে।অকারণই মনে হয় তার কাছে। তারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×