somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রহস্য গল্প ; সাপ্পোরো ষ্টেশন ।

২২ শে জুন, ২০১৫ সকাল ৯:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হোক্কাইডো বিশ্ব বিদ্যালয়ের মেইন গেট থেকে বের হয়ে ডান দিকে পাঁচ মিনিট হাঁটলেই সাপ্পোরো ষ্টেশন । বেশ বড় ষ্টেশন । এই সাপ্পোরো ষ্টেশন কে কেন্দ্র করে আছে অনেক গুলো শপিং সেন্টার দোকান আর রেস্টুরেন্ট । সাপ্পোরো শহরটা অনেকটা পর্যটক কেন্দ্রিক । প্রতি দিন থাকে অনেক লোক সমাগম এবং বিদেশি পর্যটকের ভিড় । এই শহরটা বেশ সুপরিকল্পিত এবং সুন্দর ।তুষারপাতের সময় গুলোতে সবাই আন্ডারপাস ব্যবহার
করে । সাপ্পোরো ষ্টেশনটার নিচের আন্ডারপাস গুলো ও খুব সুন্দর করে গুছানো ।সেখানে ও টয়লেট থেকে শুরু করে জামা কাপড় ,খাবারের রেস্টুরেন্ট ,লাইব্রেরী এবং জাদুঘর সব কিছুই আছে । যেন মাটির নিচের নিরিবিলি কোন বাসভুমি । শীত কাল শুরু হওয়ার সময় থেকে লোকজনের আন্ডারপাস ব্যবহার বেড়ে যায় । সাপ্পোরো ষ্টেশন এর বেশীর ভাগ ট্রেন লাইন গুলো মাটির নিচে। তাই অধিকাংশ সময় আন্ডারপাস গুলো ব্যস্ত থাকে । দুই বছর আগে পদার্থবিদ ডঃ আলমগির হোসেন টোকিও বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে পিএইচডি শেষ করেছেন । এই তো এক বছর হল নতুন এক গবেষণার কাজে পাঁচ বছরের জন্য হোক্কাইডো বিশ্ব বিদ্যালয়ে গবেষক হিসেবে যোগ দিয়েছেন ।একটি পাঁচ বছরের কন্যা সন্তান এবং স্ত্রী কে নিয়ে সুখের সংসার । তারপর মধ্যে স্ত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা । এই খবরটা আলমগিরকে আরও বেশি সুখ এনে দিয়েছে । পাঁচ বছরের কন্যা মালিহার খুব আলমণ্ড চকোলেট পছন্দ । আজকের দুপুরে দুইবার মেয়ে ফোন করে বলেছে চকোলেট নিয়ে বাসায় ফেরার জন্য । ল্যাব এ আজ কে অনেক কাজ থাকায় দেরি হয়ে গিয়েছে । এপ্রিল মাসের তুষারপাত । তখন রাত প্রায় আটটা বাজে । এখানে রাত নয়টায় প্রায় সব দোকান বন্ধ হয়ে যায় । কিন্তু বাসায় ফিরলে মেয়ে মালিহা চকোলেট না দেখলে ভীষণ মন খারাপ করবে । আলমগির হোসেন হোক্কাইডো বিশ্ব বিদ্যালয়ের মেইন গেট থেকে বের হয়ে সোজা দুইটা ব্লক পার হয়ে মাটির নিচের রাস্তার দিকে গেলেন । সেখান দিয়ে সাপ্পোরো ষ্টেশনটা একটু সহজ পথ । বেশ কয়েক মিনিট এর ব্যাপার । এখানে মাটির নিচের এই পথ গুলো প্রায় অনেক বড় বড় শপিং সেন্টার ,অফিস, গুরুত্ব পূর্ণ ভবন গুলোর সাথে সংযুক্ত করা । তাই সব পথেই কিছু মানুষ দেখা যায় । অনেকটা পথ হাঁটার পর ও আলমগির আজ হঠাৎ ষ্টেশন এর পথ খুজে পাচ্ছে না । বেশ কিছুক্ষণ । এমন করে হাঁটার পর অনুভব করল এতক্ষণ তো সময় লাগার কথা নয় । প্রায় প্রতিদিন সে এই পথেই ষ্টেশন এর মার্কেট এ আসে । নিজেকে কেমন বোকা মনে হচ্ছে । এমনিতে শীতের রাত । তারপর তুষারপাত হচ্ছে । বেশি রাত করা যাবে না । বাসায় ছোট মেয়ে এবং অসুস্থ অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী । ফিরে যে যাবে সে পথ ও খুঁজে পাচ্ছে না । আন্ডারপাস গুলোতে বিভিন্ন ভাষায় চিহ্ন দেওয়া থাকে কোন পথে বের হবে । এই ধরনের কিছুই সে পাচ্ছে না ।একটা অদ্ভুত দ্বন্দ্ব নিজের ভিতর তৈরি হল । খুব ঠাণ্ডা অনুভব হল। হাড় হিম হয়ে যাওয়া একটা অনুভুতি মনের কোথাও আচমকা শুরু হল । আশে পাশে কাউকে দেখা যাচ্ছে না । খুব বেশি নিরবতা যেন পুরো আন্ডারপাস জুড়ে । তবে হঠাৎ হঠাৎ ট্রেন আসার শব্দ শোনা গেল । কিন্তু ট্রেন লাইন বা মানুষ জন দেখা যাচ্ছে না । এর মধ্যে ত্রিশ মিনিট চলে গিয়েছে । মার্কেট বন্ধ হয়ে যাবে । এমন ভুল হবার কথা নয় । নিজের উপর খুব বিরক্ত লাগছিল । সেই সাথে একটা অস্বীকৃত ভয় ও কাজ করছিল । একটা অদ্ভুত শিহরণ ! একটা ভয়ংকর আতংক ! মনে হচ্ছিল নিজের পুরো শরীর বরফ জমাট হয়ে গিয়েছে । নিজের কাছে নিজেকে অচেনা মনে হতে লাগল । আরও কয়েক মিনিট এমন করে গেল । তারপর হঠাৎ চোখ পড়ল বামদিকের একটি চলন্ত সিঁড়িতে কে যেন নিচে নামছে । আলমগির আন্ডারপাস থেকে ফিরে যাওয়ার জন্য দৌড়ে গেল সিঁড়ির দিকে । একটি তের চৌদ্দ বছরের মেয়ে । বাদামী রঙের চুল । পিছনে স্কুল ব্যাগ । কালো রঙের স্কুলের ইউনিফর্ম গায়ে । কালো রঙের জুতা ।ছোট চুল গুলো এমন করে সামনে রাখা যে চেহারা ঠিক মতো বুঝা যাচ্ছে না । আলমগির কে দৌড়ে সিঁড়ির দিকে যেতে দেখে মেয়েটি চুলের ভিতর থেকে বলে উঠল ,ঐদিকে কোন রাস্তা নেই । তুমি এখান থেকে বাইরে যেতে পারবে না ।
আলমগির একটু ভরকে গেল । বুকের কোথাও মোচর দিয়ে উঠলো । আলমগির বলল ,কেন যেতে পারব না ? কি সমস্যা হয়েছে ?
মেয়েটি স্কুল ব্যাগ পিঠে একটু ঠিক করে নিয়ে বলল , তুমি এখন টোকিওতে আছো । বর্তমান থেকে আরও কয়েক বছর পিছিয়ে ।কোন এক অতীত সময়ে ।
আলমগির ভ্রু কুচকালো , কি উল্টা পাল্টা বলছ ! আমার মেয়ে আর স্ত্রী আমার জন্য অপেক্ষা করছে ।
অদ্ভুত মেয়েটি হো হো করে হেসে উঠলো । মেয়েটির হাঁসি দেখে আলমগির এবার একটু ভয় পেল । শুধু তাই নয় । ছোট জাপানিজ মেয়েটি খুব সুন্দর বাংলা ভাষায় কথা বলছে । ব্যপারটা বুঝতে আর বাকি রইল না । আলমগির অনুভব করল অন্য কোন ঘটনা তার চারপাশে ঘটে যাচ্ছে । তবুও বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল । আলমগির মেয়েটিকে বলল , তুমি কি অদ্ভুত কিছু আমাকে বিশ্বাস করাতে চেষ্টা করছো? তুমি জানো আমি পদার্থ বিজ্ঞানের ছাত্র ছিলাম ! এখন ও আমি এই বিষয়ে গবেষণা করছি । পৃথিবীতে তোমাদের অস্তিত্ব অমুলক । ভ্রান্ত কল্পনা ছাড়া কিছু না ।
মেয়েটি একটু এগিয়ে এলো । কাঁধের স্কুল ব্যাগটা পাশে রেখে সিঁড়িতে বসল । আলমগির পথ খুঁজতে লাগল । আরও কয়েক মিনিট এভাবেই গেল ।তারপর মেয়েটি একটি তাচ্ছিলের হাসি দিয়ে বলল ,তোমাদের বিজ্ঞানীদের নিয়ে এই একটা সমস্যা ! সব কিছু নিজেদের দায়িত্বে নিতে চাও । পৃথিবীর সব রহস্য কি তোমরা আবিষ্কার করতে পেরেছ ?তাহলে পৃথিবীতে মানুষের জীবন কেন প্রতি মুহূর্তে নানা দ্বন্দ্ব নিয়ে ঘুরে ?
আলমগির একটু বিরক্ত কণ্ঠে বলল , মানব জীবনের দ্বন্দ্ব স্বাভাবিক । বিজ্ঞান জীবনকে উপভোগ্য আর সহজ করে তোলে । সেখানে এমন কল্পনা শুধুই বিনোদন ।
তার মানে তুমি বলতে চাও এখন যা কিছু সব কল্পনা আর বিনোদন ?
আলমগির একটু থেমে গেল । তার পর আমতা আমতা করে বলল , হয়তো আমার মনের কোন বিভ্রান্তি !
মেয়েটি কে দেখতে এখন অনেকটা কুঁজো বুড়ির মতো মনে হচ্ছে। ঠিক যেন একশ বছর বয়সের কোন বুড়ি স্কুল ড্রেস পড়ে আছে ।ঠোটে আর মুখে নরম চকলেট লেগে আছে । তারপর বুড়ি ঘাড় বেঁকিয়ে বলল ,পৃথিবীর নিজস্ব নিয়ম আছে যা সব আবিষ্কারের উপর । তুমি যা করবে তাই তুমি পাবে । আজ অনেক বড় দুর্ঘটনা তোমার সামনে !
আলমগির বলল , কি দুর্ঘটনা ! আমাকে কেন উল্টা পাল্টা চিন্তা করতে বাধ্য করছ ?
কয়েক বছর আগে তোমার এক বন্ধু তার নব বিবাহিতা বউ নিয়ে তোমার কাছে বেড়াতে এসেছিল ।
আলমগির বলল , আমার বিশ্ব বিদ্যালয়ের বন্ধু । আমি তাকে অনেক আপ্যায়ন করেছিলাম ।
বুড়ি হো হো করে হেঁসে উঠলো । খুব শীতল কণ্ঠে আলমগির এর কানের সামনে এসে বলল , সেই আপ্যায়নের মাঝেই জমে রাখা তোমার মনের কুৎসিত হিংসুটে ইচ্ছাটা ও পূরণ করেছিলে ।
আলমগির বলে , আমি ছিলাম সব চেয়ে ভাল ছাত্র । এটা সত্যি ওর জীবনের পরবর্তী সাফল্য আর সুন্দর জীবন সঙ্গী পাওয়াটা আমাকে ওর সামনে তুচ্ছ করে দিচ্ছিল । তখন আমার মনের কোথাও একটা ধ্বংস অনুভব করেছিলাম । আমি কোন ভাবেই ওর উচ্ছল জীবন আর সুখ মেনে নিতে পারছিলাম না ।
বুড়ি বলল,তাই তুমি নিজের অনেক দিনের বন্ধুত্ব ভুলে হিংসাটাকে মূল্যবান করে তুললে । একটা সুন্দর সংসার ভেঙ্গে দিলে ! আর এখন নিজের সুখের সংসার নিয়ে ব্যস্ত । একবার কি নিজের বিবেকের মুখোমুখি হয়েছিলে ?
আলমগির বলল , পরিনতি এতো ভয়ংকর হবে আমি ভাবিনি । আমি শুধু ওর সুখটা সহ্য করতে পারছিলাম না । সেটাই শুধু ধ্বংস করতে চেয়ে ছিলাম ।
বুড়ি বলল , তোমার বন্ধুর বিশ্বাসটা তোমার উপর নির্ভর করতো ।
আলমগির একটু উত্তেজিত হয়ে বলল , আমি ভাল ছাত্র এবং বুদ্ধিমান । আমি আমার চিন্তা দিয়ে সবাইকে নিয়ন্ত্রন করি । আমি চাইনা কেউ আমার উপরে থাকুক ।
বুড়ি বলল , সে কি খারাপ ছাত্র ছিল ? আসলে তোমার ভিতরে এক ভয়ংকর হিংসুট আত্মার বসবাস ।
আলমগির বলল , সে খারাপ ছাত্র ছিলনা । সে ছিল সাধারন আর নিরব। পৃথিবীতে কম বেশি সবার মধ্যেই হিংসার উপস্থিতি আছে ।
বুড়ি একটু অন্য রকম হাঁসি দিয়ে বলল , কিন্তু সেই হিংসা তোমার মতো ধ্বংসাত্মক নয় । যে ধ্বংস তুমি ডেকে এনেছিলে সেই ধ্বংসে এখন তুমিই পড়তে যাচ্ছো । ভালবাসাহীন হৃদয় শুধু হিংসার আগুনে পুড়ে । যার পরিনাম শুধুই ধ্বংস ।
হঠাৎ আলমগির ছটফট করতে লাগল । তারপর বুড়ি কে বলল , আমি ক্ষমা চেয়ে নিব ।
বুড়ি বলল , ক্ষমা ! তুমি যখন নিজের ইচ্ছা চরিতার্থ করতে মেয়েটির নামে কাল্পনিক ব্যাখ্যা দিয়ে বন্ধুর কান ভারী করলে ।ঠিক সেই সময় থেকে একটি সংসারের সুন্দর মুহূর্ত গুলো পারস্পারিক ভুল বুঝা বুঝিতে ধ্বংস স্তূপে চাপা পরতে লাগল । আত্ম সম্মান রক্ষার্থে সেই মেয়েটি আত্মহনন বেছে নিল । দুঃখ জনক মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা ছিল । তোমার হিংসা বোধের আগুনে দুইটি জীবন ফুরিয়ে গেল । একজন মানুষ হিসেবে তোমার কি মূল্য আছে?
বুড়ির কথা গুলোতে আলমগির কেমন যেন একটা ধাক্কা খেল । অ্যান্ডারপাস এর এক সিঁড়িতে বসে পড়ল । মনে হচ্ছিল শরীরের সব শক্তি ফুরিয়ে গেছে । অনেকটা তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ল । এভাবে কতোটা সময় গেছে আলমগির জানে না । হঠাৎ কানের কাছে লোকজন চলাচলের শব্দ শুনতে পেল । সামনেই আট নাম্বার গেট উপরে উঠে আসার । বাইরে বের হওয়ার সময় যেন কেউ তার পাশ দিয়ে গেল । একটা অদ্ভুত সুন্দরী কোন তরুণী । দেখতে ঠিক কার মতো যেন । মনে করতে পারছে না । তার দিকে তাকিয়ে ম্লান হাঁসি দিল । অনেক পড়ে মনে হল তাঁর বন্ধুর সেই মৃত স্ত্রীর মতো । কথা গুলো ভাবতে ভাবতে আলমগির মোবাইল ফোনে তাকিয়ে দেখে একশো কল এসেছিল । বাসায় ফোন করে জানতে পারল তার স্ত্রীর অবস্থা খুব খারাপ । মেয়ের জন্য আর চকলেট নেওয়া হলনা । ঝরের বেগে তুষার উপেক্ষা করে বাসায় ফিরল । অবস্থা সঙ্কটাপন্ন অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী কে নিয়ে হাসপাতালে অনেকটা সময় পার হয়ে গেল । ডাক্তার কিছুই জানাল না । পাঁচ বছরের মেয়ে বাবার পাশে নির্বাক বসে রইল । মধ্য রাত পেরিয়ে যখন পৃথিবী নতুন সূর্য দেখবে ঠিক তখন ডাক্তার ভিতর থেকে ভয়ংকর খবরটা নিয়ে এলো । পরের দিন টা শুরু হল অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হারানোর দুঃখ নিয়ে । যে দুঃখ প্রকৃতির নিয়মে কোন একদিন সে নিজেই তৈরি করে ছিল । আলমগিরের ভিতরের আত্মগ্লানি আর হাহাকারের শব্দ চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে ছড়িয়ে গেল ভোরের আলোয় । পৃথিবীর কোন আবিষ্কার পারবে না তার পুরনো ভালবাসা আর জীবন ফিরিয়ে দিতে । সময় কোন এক অদ্ভুত রহস্যে মিটিয়ে নেয় তার সব দাবি ঠিক সময় মত ।





সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুন, ২০১৫ সকাল ১০:২১
১০টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার মহাজাগতিক ভাবনাকে এআই আমার সেরা পোষ্ট হিসাবে সাব্যস্ত করেছে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:১২



মহাজাগতিক ভাবনা

মহাজগতের প্রথমের পূর্ব অবস্থান শূন্য। কারণ প্রথমের পূর্ব অবস্থান শূন্যই হয়ে থাকে।শূন্য অবস্থানে সীমাদাতা না থাকায় তাতে যা হবে তা’ অসীম হবে।সকল অসীম একত্রে মিলে এক হবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সালমান মুক্তাদিরের বিরুদ্ধে এ্যাকশান নিয়ে সরকার কি বার্তা দিচ্ছে?

লিখেছেন আফনান আব্দুল্লাহ্, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০৫

সালমান মুক্তাদির দেখি জঘন্য মানুষ। ওয়াইন, ওম্যান আর ওয়েল্থ – পুরুষ নষ্টের এই তিন ডব্লিউ-ই তার অস্থিমজ্জা ও লিভারে ঢুকেছে



এদিক-ওদিক ব্যাপক আম-লিচু করে বেড়িয়েছে। নিজের স্টুডিওতে আজেবাজে শুটিং করেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিনয়: মুমিনের এক অনন্য মহৎ গুণ; কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একটি বিশ্লেষণ

লিখেছেন নতুন নকিব, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৫

বিনয়: মুমিনের এক অনন্য মহৎ গুণ; কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একটি বিশ্লেষণ

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

ভূমিকা

মানুষের প্রকৃত সৌন্দর্য তার বাহ্যিক চেহারা, ধন-সম্পদ বা সামাজিক মর্যাদায় নিহিত নয়। বরং তাঁর চরিত্র,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার দিনগুলি আর ফিরবে নারে || সহেলিয়া ও সোনারুর কণ্ঠে নতুন ভার্সন

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:৩০

আমার দিনগুলি আর ফিরবে নারে
যারে হারাইয়াছি মায়ের কোলে
আর কি ফিরা পাবো তারে

মন যে আমার কান্দে সদাই
ফিরা যাইতে সোনার শৈশবে
হায়রে কোথায় আমার ঘুড্ডি নাটাই
খেলার সাথি কই সবে

কে যে আমায় নিত্যি ডাকে
ঘুমের... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন ব্লগার

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ০৩ রা অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:০৯

যখন একজন ব্লগার
টরন্টো সময়ঃ সন্ধ্যা ৭ঃ০৩ ২রা অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশ সময়ঃ ভোর ৫ঃ০৩ ৩রা অক্টোবর, ২০২৬

...বাকিটুকু পড়ুন

×