দেশে ফলে চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি আমদানিও বেড়েছে। এছাড়াও, যমুনা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে রাজশাহীর আমের দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহনও বেড়েছে। তবে, এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা এইসব আমে মানব দেহের ক্ষতিকারক বিভিন্ন কেমিকেল মেশিয়ে বাজারজাত করেছে।
গত বছর, গ্রীষ্ম মেৌসুমে হাইকোর্ট একটি রীট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য র্র্যাব এবং পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দিয়েছিল। এমনকি দোষীদের বিরূদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছিল উচ্চতর আদালত।
এ বছরও হাইকোর্ট ছয় দফা নির্দেশনা দিয়েছে হাইকোর্ট। র্র্যাব এবং বিএসটিআইসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে হাইকোর্ট। তবে, তাতে অবস্থার যে খুব হেরফের হয়নি তা ভোক্তারা ভা্লই জানেন।
চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী। এই অসৎ ব্যবসায়ীরা ভাল হওয়ার নয় । তাদের বিরূদ্ধে ভোক্তাদের সচেতন হতে হবে । ভোক্তারা এক হয়ে তাদের বিরূদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোললেই কেবল কেমিকেল মেশানো আমের বিক্রি বন্ধ হবে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


