পাহাড়ে হেলান দিয়ে...... মেঘ ঘুমায় ঐ।।। (পর্ব-১)
হালকা কুয়াশার মত অস্পষ্ট (তবে কুয়াশার মত ঘন নয়) মেঘের চাদর বলাটাই মনে হয় সব চেয়ে উপযুক্ত হবে। গায়ে লাগলে শীতল একটা স্পর্শ নিউরণ বেয়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। ভিজে যায় মুহুর্তে। তবে শীত বোধটা তেমন প্রকট মনে হয় না। এমন ধরণের অদ্ভুত এক বৃষ্টি বৃষ্টি খেলা চলছে সেই রাত থেকেই।
দিনের আলোয় চারদিক জেগে ওঠছে ধীরে ধীরে। আমার এপার্টমেন্টটা যেখানে, সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে তার উচ্চতা কত হবে আমার হিসাবের খাতার সেটা নেই। তবে একটু দূরের পাহাড়গুলোর গায়ে জড়িয়ে থাকা মেঘ মালা দেখে অনুমান করা কষ্টকর হয় না যে এখানটা সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় কয়েক হাজার ফুট উচুতে। এত উচ্চতায় বাইরের বৃষ্টি বৃষ্টি খেলাটা যে মেঘেরই, সেটা বুঝতে আমার একটু সময় লেগেছিল বইকি।
ইউনি থেকে কিছুদিন পরপর প্রায়-ই কিছু সুন্দর সুন্দর স্পটে ঘুরাতে নিয়ে যায়। কখনো সেই স্পটটা হয় মাত্র এক ঘন্টার। আবার কখনো সেটা কয়েক ঘন্টার ও হয়। আর এই ট্রিপগুলো কেবল বিদেশী স্টুডেন্টদের জন্যই হয়ে থাকে। কোন জাপানী স্টুডেন্ট থাকেনা। সম্পূর্ণ ফ্রী এই ট্যুরগুলো আমার মত বিদেশী স্টুডেন্টরা খুব এনজয় করে।
আজ তেমনই একটা ট্রিপ। গন্তব্য গিফু। কানাজাওয়া থেকে প্রায় সাড়ে তিন ঘন্টার বাস জার্নি। সকাল সাড়ে আটটায় আমাদের বাস ছাড়বে। আমি একা মানুষ। তবে সহযাত্রী হিসাবে পলাশ ভাই এবং সারা ভাবী আছেন। মিজান ভাই-ও এলেন। তবে রত্না ভাবী (মিজান ভাইয়ের বউ) আমাদের সঙ্গী হতে পারলেন না। কারণ, এই ট্রিপে কেবল স্টুডেন্টরাই এলাউড। আর মিজান ভাই ছাত্র হলেও রত্না ভাবী একদম খাটি গৃহিণী। সুতরাং রত্না ভাবীকে মিজান ভাইয়ের চোখ দিয়েই দেখতে হবে "গিফু"র সৌন্দর্য্য।
আমরা ৮ টা ১৫-তেই পৌছে গেলাম ইউনিতে। দুটো বাসে ষাট জন যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে সব মিলিয়ে চল্লিশ জনের বেশী হবে বলে মনে হল না। কারণ, অনেকে রেজিষ্ট্রেশান করেও আসেনি। আবার সময় মত না জানতে পারার কারণেও অনেকে আসতে পারেনি। এই যেমন আমার কথাই ধরা যাক না। রেজিষ্ট্রেশন এর ডেডলাইন ছিল ২২ শে জুন। আমি জানতে পারলাম ২৬ তারিখ। মিজান ভাই-এর কাছ থেকে। পরদিন সোজা চলে গেলাম আমাদের ফেকাল্টি অফিসে ইন্টারনেশনাল সেকশনে। সব খুলে বললাম এবং যাওয়ার আগ্রহ ব্যক্ত করলাম। অনুরোধ করলাম লেট রেজিষ্ট্রেশন করা সম্ভব হলে আমাকে টিম-এ অন্তর্ভূক্ত করে নিতে। অফিস থেকে জানানো হল, ই-মেইলে আমাকে জানানো হবে। আমি আমার ই-মেইল এড্রেস দিয়ে চলে এলাম। তার এক ঘন্টার মধ্যেই আমাকে জানানো হল আমি যেতে পারব।
বাস ছাড়ার কথা ঠিক আটটা ত্রিশ-এ। কিন্তু ছাড়তে ছাড়তে উনচল্লিশ বেজে গেল। জাপানীরাও যে সময়ের ব্যাপারে উদাসীন হয়ে যাচ্ছে, টের পেলাম। ধীরে ধীরে বাস চলতে শুরু করল। দুই পাশে সবুজ পাহাড় রেখে ছোট্র উপত্যকার মাঝখান দিয়ে একে বেকে চলা মসৃণ পথে। (চলবে)
একজন ব্লগার
যখন একজন ব্লগার
টরন্টো সময়ঃ সন্ধ্যা ৭ঃ০৩ ২রা অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশ সময়ঃ ভোর ৫ঃ০৩ ৩রা অক্টোবর, ২০২৬

৩৬ জুলাইয়ের বিপ্লবের পর বাংলাদেশে সবচেয়ে দৃশ্যমান পরিবর্তনটা বোধহয় সরকারে নয়- আমাদের আচরণে!
৩৬ জুলাইয়ের বিপ্লবের পর বাংলাদেশে সবচেয়ে দৃশ্যমান পরিবর্তনটা বোধহয় সরকারে নয়- আমাদের আচরণে!
আমাদের মধ্যে বৃহত্তর একটা অংশের বদ্ধমূল বিশ্বাস- আইন মানতে হবে না, নিয়ম মানা বোকামি, সরকারের সবকিছুই মানুষের মৌলিক... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইমাম মাহদী আসার আগে নেতৃত্ব দাবী করা সকল দলই গোমরাহের পথে আছে
সেক্যুলার দলকে সমর্থন ততো দিন পর্যন্ত দিয়ে যেতে হবে, যতো দিন ইসলামী দলগুলো 'যোগ্য' না হয়ে উঠছে।
বাংলাদেশের কোন ইসলামী দলই দেশ চালাতে সক্ষম নন।
ইসলামে বলা... ...বাকিটুকু পড়ুন
চেগা মিয়া

সকাল ৭ টা। আশ্বির্নের মাঝামাঝি।
হাজী শারাফত আলীর ছেলে মন খারাপ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন। রাতে তার ভালো ঘুম হয়নি। তার ভাই বোনদের কথা মনে পড়লেই... ...বাকিটুকু পড়ুন
গল্পঃ চোরের উপরে বাটপারি!!!!!

টুং করে একটা নোটিফিকেশান আসলো।
ফাৎনার নড়াচড়া দেখে বুঝলাম, বড়শিতে একটা 'ব্রাউন ফিস' ধরা পড়েছে। এখন টেনে তোলার আগে খানিকটা খেলতে হবে। মৎস্য শিকারীরা জানে, এই কাজটা খুবই রোমাঞ্চকর... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।