somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শুভ সংবাদ ঃ মোকলেস আবার চাকরি পেয়েছেন !

২২ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


যায়যায় দিনে!মহান মোকলেসকে বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে চাকরি দিয়েছেন ততোধিক মহান শফিক রেহমান। তাদের দুজনকে জানাই লাল গোলাপ শুভেচ্ছা!শফিক রেহমান মাস দুয়েক আগে কয়েকশ সংবাদ কমর্ীর চাকরি খাওয়ার পর এই নিয়োগ দিলেন।

তার এই আনন্দ ঘন মুহুর্তকে আরো স্বরণীয় করে তুলতে গত 15 জানুয়ারি প্রকাশিত তার একটি স্বাক্ষাতকার যারা পড়েন নি তাদের জন্য তুলে ধরলাম।
এটি পকাশ হয়েছিলো আমাদের সময় পত্রিকায়।

মোখলেসুর রহমান চৌধুরী বললেন ।। আমার নিরপেক্ষতা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবে না

সদ্য পদত্যাগকারী রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা এম মোখলেসুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, আমার নিরপেক্ষতা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবে না। রাষ্ট্রপতি, দুই জোটের প্রধান দুই নেত্রী, মার্কিন রাষ্ট্রদূত, ব্রিটিশ হাইকমিশনার, জাতিসংঘ মহাসচিব ও তার বিশেষ দূত জানেন আমি কিভাবে কাজ করছি। অর্থবিত্তের প্রতি আমার কোনো লোভ নেই। আমার শত্রুও আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দিতে পারবে না। তিনি বলেন, দেশের চরম সংকটময় মুহূর্তে সবকিছু বিসর্জন দিয়ে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যনত্দ কাজ করেছি। গত আড়াইমাসে পরিবারকে একটুও সময় দিতে পারিনি। রাষ্ট্রপতির বিশেষ দূত হিসেবে দুই নেত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছি।
আমার তৎপরতার কারণেই দুই পক্ষের অনড় অবস্থানে বরফ গলেছিল। মহাজোট নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করছিল। সবাই ব্যর্থ হওয়ার পর আমার চেষ্টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি এমএ আজিজ ও নির্বাচন কমিশনার সম জাকারিয়া ছুটিতে যান। গতকাল দুপুরে মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে আমাদের সময়ের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মোখলেসুর রহমান চৌধুরীর নির্দেশনার কথা বলে জরুরি অবস্থা ঘোষণার রাতে পিআইডি থেকে ফোন করে বেসরকারি টেলিভিশনের সংবাদ প্রচার বন্ধ করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঐ রাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আমার অফিস কক্ষে এসে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার নিউজে সেন্সর আরোপ এবং কারফিউ জারির ঘোষণাটি প্রচারের জন্য আমার সাহায্য চান। আমি নিয়ম অনুযায়ী তা জানানোর জন্য তথ্য সচিব ও প্রধান তথ্য কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনে কথা বলি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগাযোগ করিয়ে দেই। সরকারি সিদ্ধানত্দটি জানানোর ক্ষেত্রে আমি সহায়তা করেছি মাত্র। রিপোর্ট প্রচার বন্ধ করা কিংবা রিপোর্ট সেন্সর করার সিদ্ধানত্দটি আমার ছিল না।
বঙ্গভবনে সেনা কর্মকর্তার হাতে লাঞ্ছিত হওয়া প্রসঙ্গে মোখলেসুর রহমান চৌধুরী বলেন, জরুরি অবস্থা ঘোষণার পর রাষ্ট্রপতির ভাষণে রাষ্ট্রপতির প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ 28 অক্টোবর লেখা ছিল। আমি তা সংশোধন করে 29 অক্টোবর করেছি। আরো দুএকটি স্থানে শব্দগত ত্রুটি দূর করেছি। এনিয়ে কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে আমার কোনো দ্বন্দ্ব হয়নি। এসব ভিত্তিহীন অমূলক।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দুর্নীতির সঙ্গে নিজেকে সংশ্লিষ্ট থাকার কথা অস্বীকার করে তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রাথমিক, এবতেদায়ি ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বই বিতরণ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির অংশগ্রহণ ও ভাষণদানের বিষয়টি চূড়ানত্দ করা ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে আমার কোনো তদবির করার ঘটনা ঘটেনি।
মোখলেস চৌধুরী বলেন, কয়েকটি পত্রিকায় আমাকে ক্রমাগত হাওয়া ভবনের গুপ্তচর আখ্যা দেয়া হয়েছে। কিন' দায়িত্ব পালনকালে কোনো পর্যায়েই হাওয়া ভবনের সঙ্গে আমার যোগাযোগ হয়নি এবং হাওয়া ভবন থেকে কেউ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যোগাযোগ করেনি। কিন' কতিপয় পত্রিকা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সুযোগে মিথ্যাকে সত্য বানানোর অপচেষ্টা করেছে। তাদের এই অপব্যবহার দেখে শুধু মর্মাহত হইনি, তাদের তৎপরতা একজন সৎ মানুষকে হত্যার শামিল।
সাবেক উপদেষ্টা বলেন, একটি পত্রিকার একজন সাংবাদিক যিনি বর্তমানে বিদেশে আছেন এবং সবাই জানেন, সেই সাংবাদিক প্রশ্ন করতে গিয়ে-'আমি মিঃ., মাই হেভ টু কোয়েশ্চন' বলেছিলেন। সেটা আমার নামে চালিয়ে মিথ্যাকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। যারা এসব আক্রমণাত্দক ও মিথ্যা তথ্য প্রদান করছেন তাদের জানা উচিত যে, সাংবাদিকতায় ব্যক্তিগত আক্রমণ, কটাক্ষ, আক্রোশ মেটানোর কোনো সুযোগ নেই।
শুনেছি কাক কাকের মাংস খায় না। কিন' আমার সহকর্মীরা হিংসার অনলে পুড়ে আমার বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছেন। রাষ্ট্রের যে সব বিষয় কোনোক্রমেই আমার পক্ষে জানা সম্ভব ছিল না সেগুলোও আমি করেছি বলে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে। তবে আমি আগাগোড়া সাংবাদিকদেরকে সহযোগিতা করেছি।
তিনি বলেন, সততা নিষ্ঠা, ঐকানত্দিকতা ও আনত্দরিকতার সঙ্গে আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে সচেষ্ট ছিলাম। সরকারি ফাইলপত্র সব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে আসতো। শুরু থেকে শেষ পর্যনত্দ এসব ফাইল পত্রের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক ছিল না। আমার পরিবারের কোনো সদস্য বা আত্দীয়স্বজন কোনো তদবির নিয়ে আসলে আমি তাদের সঙ্গে রূঢ় আচরণ করেছি। কোনোদিন কোথাও কোনো তদবির করিনি। আমি আল্লাহ ও আমার বিবেকের কাছে জবাবদিহি করে চলি। আমার 25 বছরের সাংবাদিকতা জীবনে অনেক দেশি-বিদেশি মর্যাদাশীল প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম। সব সময় আমি সাংবাদিকতার নীতি নৈতিকতা অনুসরণ করেছি। কারো বিরুদ্ধে কিছু লিখতে হলে আক্রানত্দ ব্যক্তির বক্তব্য নেয়া বাধ্যতামূলক। কিন' দুঃখজনক হলেও সত্য একশ্রেণীর পত্রিকা আমার সঙ্গে আলাপ না করেই আমার বিরুদ্ধে মনগড়া তথ্য ছাপিয়ে ক্রমাগত আক্রমণ করে চলেছে। আমার প্রতি এধরনের অবিচার চালাতে গিয়ে তারা নূ্যনতম সৌজন্য প্রদর্শন করেননি।
তিনি বলেন, আমি ইংলিশ মিডিয়ামে লেখা পড়া করেছি। বিদেশে ফেলোশিপ করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় মাস্টার্স করেছি। 3 বার জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করাসহ বিশ্বের অনেক দেশে অনেক আনত্দর্জাতিক কনফারেন্সে বাংলাদেশের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে প্রশংসিত হয়েছি।হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় নিজ গ্রামকে 'মোখলেসগঞ্জ' নামকরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এটা করেছে। সেখানে মোখলেসগঞ্জ ক্লাব ও মোখলেসগঞ্জ উন্নয়ন পরিষদ রয়েছে। আর মোখলেসগঞ্জ পৌরসভা বাসত্দবায়নের কাজ আমি এসব দায়িত্ব গ্রহণের আগেই শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, এই এলাকার অধিকাংশ জমিই ছিল আমার বাপ-দাদার জমিদারির অংশ।

সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:১৪
২৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আওয়ামীলীগ ও তার রাজনীতির চারটি ভিত্তি, অচিরে পঞ্চম ভিত্তি তৈরি হবে।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ০১ লা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৩


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতি মূলত চারটি বিষয়ের উপর মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায়।
প্রথমত, মানুষ মনে করে এ দলটি ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়। এটা খুবই সত্য যে ১৯৭১ সালে আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯০

লিখেছেন রাজীব নুর, ০১ লা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৯



আমাদের ছোট্র বাংলাদেশে অনেক কিছু ঘটে।
সেই বিষয় গুলো পত্রিকায় আসে না। ফেসবুকেও আসে না। অতি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মানুষ মাতামাতি করে না। কিন্তু তুচ্ছ বিষয় গুলো আমার ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

সনদ জালিয়াতি

লিখেছেন ঢাকার লোক, ০১ লা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫২


গতকাল দুটো সংবাদ চোখে পড়লো যার মূল কথা সনদ জালিয়াতি ! একটা খবরে জানা যায় ৪ জন ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে বরখাস্ত করা হয়েছে জাল জন্ম মৃত্যু সনদ দেয়ার জন্য, আরেকটি খবরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেষ বিকেলের বৃষ্টি

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০১ লা মে, ২০২৬ রাত ১০:৩৭


বিকেলের শেষে হঠাৎ বৃষ্টি নামলে
জানালার ধারে দাঁড়িয়ে ছিলে চুপ,
তোমার ওমন ঘন মেঘের মতো চুলে
জমে ছিল আকাশের গন্ধ,
কদমফুলের মতো বিষণ্ন তার রূপ।

আমি তখন পথহারা এক নগর বাউল,
বুকের ভেতর কেবল ধোঁয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

মরহুম ওসমান হাদীর কারণে কবি নজরুলের জনপ্রিয়তা বেড়েছে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা মে, ২০২৬ দুপুর ২:৫৯


ইনকিলাব মঞ্চের জাবের সাহেব মাইকের সামনে দাড়িয়ে যখন বললেন , শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের উসিলায় নাকি এদেশের মানুষ আজ কবি নজরুলের মাজার চিনতে পারছে, তখন মনে হলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×