somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নীল নয়নের নিশিকে ভালবাসি ......

২৪ শে আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৩:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সকালবেলা ঘুমিয়ে ছিলাম । নিশির ফোন ঘুম ভাঙ্গল । একবার ভাবলাম যে ফোনটা রিসিভ করবো না ।
কিন্তু করলাম । দুই দিন ধরে মেয়েটার সাথে একদম যোগাযোগ করিনি । বলতে গেলে ইচ্ছা করেই করি নি । আজ মেয়েটা নিজ থেকে ফোন দিয়েছে । রিসিভ না করাটা অশোভন দেখায় ।
ফোন রিসিভ করলাম ।
-হ্যালো ?
ও পাশ থেকে কোন সাড়াশব্দ নাই । আবার বললাম
-আছো ?
-হুম ।
যাক কথা শোনা গেল ।
-গুড মর্নিং !
মেয়েটা বোধহয় কথা বলতে ইতস্তত করছে । অবশ্য ঐ দিন যে ভাবে চলে এসেছিলাম নিশি নিশ্চই কিছু না কিছু বুঝতে পেরেছিল । নিশি বলল
-গুড মর্নিং ! এতো সকালে ঘুম ভাঙ্গালাম !
-আরে সমস্যা নাই । বল ।
নিশি খানিকটা সময় চুপ করে থাকলো । তারপর বলল
-আজ বিকেলে কি আমার সাথে একটু দেখা করা যাবে ? বেশি না অল্প একটু সময়ের জন্য । যদি আপনার কোন কাজ না থেকে থাকে !
-আসলে ...
আমি বলতে গিয়ে আটকে গেলাম । নিশির সাথে আমার দেখা করার ইচ্ছা ছিল না । গত দুদিন ধরে আমি ওকে ইচ্ছা করেই এভোয়েড করছি ।
খানিকটা অপরাধ বোধ অবশ্য হচ্ছে । সেই অপরাধ বোধ থেকেই কি না জানি না নাকি সকাল বেলা করে কিনা, নিশিকে মিথ্যা কথা বলতে পারলাম না।
আর বিকেল বেলা আমার কোন কাজই নাই । সন্ধ্যা বেলা টিউশনি থাকে তাও আজ নাই । নিশি বলল
-কি কোন কাজ আছে ? টিউশনি ?
-না কোন কাজ নাই । বল কোথায় আসবো ।
-আচ্ছা আপনি বড় পুকুর পাড়ে এসেন । এই পাঁচটার দিকে ।
ফোন রেখে মনে হল ভুলই কি করলাম !
কি দরকার ছিল ! এভাবে কদিন ওকে এড়িয়ে চললে ও এমনিতেই বুঝে যেত ।
ওকে যে কারনে ভাল লেগেছিল সেটা ওর নিজেস্বতা নয় । কৃত্রিম ভাবে তৈরি ।

আসলে নিশিকে আমি প্রথম দেখি এই সপ্তাহ খানেক আগে । প্রথম দেখাতেই ওকে এতো ভাল লেগে যাবে এটা আমি ভাবতেই পারি নি । তার অবশ্য কারনও ছিল ! নীল চোখ !!
ঐ দিন বিকেল বেলার কথা । ক্যাম্পাসে বসে ছিলাম বেল তলার কাছে ।
জিপির কি একটা প্রোগ্রাম হচ্ছিল । গান হচ্ছিল তাই শুনছিলাম । হঠাৎ‍ ই মেয়েটার দিকে চোখ গেল । মেয়েটা আইসক্রিম কিনছিল ।
মেয়েটিকে দেখে প্রথমে কিছুক্ষন আমি নাই হয়ে গেলাম । কোথায় গান কোথায় কি ঐ মেয়েটাকে ছাড়া আমার যেন আর কিছুর চোখে বাঁধছিল না । আমি কেবল মেয়েটাকে দেখতে লাগলাম !
মেয়েটার সব থেকে আর্কষনীয় ছিল ওর চোখ !
নীল রাঙ্গা চোখ ।
বাঙালী মেয়েদের নীল রাঙ্গা চোখ !
আমি কিছুতেই ঐ চোখের দিক থেকে আমার চোখ ফেরাতে পারছিলাম না ।
পুরো বিকেলটা জুড়ে আমি কেবল মেয়েটার পিছেই লেগে রইলাম । কেবল একটা কথাই মনে হচ্ছিল যে যদি মেয়েটা চোখের আড়ালে চলে যায় তাহলে হয়তো মেয়েটাকে আর খুজে পাবো না ।
মেয়েটা প্রথম প্রথম কিছু না বুঝলেও এক সময় ঠিকই বুঝে গেল যে আমি ওর পিছু নিয়েছি । সন্ধ্যা বেলা যখন মেয়েটা হলে ফিরে গেল আমিও গেলাম ওর পিছু পিছু । মেয়েটা গেট দিয়ে ভিতরে ঢুকে যাওয়ার আগে আমার দিকে একটু ফিরে তাকাল ।
গেটের উপরে জ্বলে থাকা মৃদু আলোতে মেয়েটার চোখ যেন আরো আকর্ষনীয় মনে হচ্ছিল ।
আমি আর আসতে পারলাম না । মেয়েটার নীল চোখ কে কিছুতেই মন থেকে দুর করতে পারছিলাম না । রাস্তার ওপারে গিয়ে ফুটপাতের ওপর বসে পড়লাম ।
আমি জানি না আমার মাথায় কি চলছিল আমি কেবল ঐ মেয়েটার কথাই ভাবছিলাম ।
মেয়েটার নীল চোখের কথা । অন্য কিছু কি হচ্ছে না হচ্ছে আমি আর কিছু ভাবছিলাম অথবা বলতে গেলে ভাবতে পারছিলাম না । কেবল ঐ নীল চোখ !
ঐ ফুটপাতেই ঘুমিয়ে পড়লাম কখন টের পাই নি , ঘুম ভাঙ্গল সকালবেলা । একবার ভাবলাম চলে যাই, হাতমুখ ধুয়ে ফ্রেস হয়ে আসি কিন্তু গেলাম না ।
মেয়েটা নিশ্চই ক্লাসে যাবে । মেয়েটার ঐ নীল চোখ আর একবার না দেখলেই না ! আর একবার আমাকে দেখতেই হবে । আমি বসেই ছিলাম ঠিক একটা মেয়ে আমার দিকে এগিয়ে এল । আমাকে সরাসরি বলল
-আপনি এখানে কি করছেন ? কাল রাত থেকে দেখছি এখানে বসে আছেন ।
আমি কিছুক্ষন মেয়েটার দিকে তাকিয়ে থাকলাম । সকাল থেকে অনেক মেয়েই গেট দিয়ে বের হয়েছে কিন্তু কেউই খুব একটা খ্যাল করে নি ।
এই মেয়েটার সমস্যা কি ?
আমি বললাম
-এই খানে বসে অপেক্ষা করছি ।
-কার জন্য অপেক্ষা করছেন ?
আমি শান্ত কন্ঠে বললাম
-আপনি টেনশন নিয়েন না ।আপনার জন্য করছি না । যে আপনাকে এখানে পাঠিয়েছে তার জন্য করছি ।
মেয়েটি আমার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে চলে গেল । তার কিছুক্ষন পরই নীল নয়না গেট থেকে বের হয়ে আসলো ।
আমি এই সকাল বেলা আবারও আবীভুত হয়ে গেলাম মেয়েটাকে দেখে ।
আজ মেয়েটা সাদা রংয়ের একটা সেলোয়ার কামিজ পরেছে । মেয়েটার চোখের সাথে কেমন খুব সুন্দর করে মানিয়েছে ।
নীল চোখ যেন আরো বেশি করে ফুটে রয়েছে । আমি ভেবেছিলাম মেয়েটা হয়তো আমার চোখের সামনে দিয়ে চলে যাবে । আমি মেয়েটার পিছন পিছন মেয়েটার ডিপার্টমেন্ট পর্যন্ত যাবো । কিন্তু মেয়েটা সরাসরি আমার দিকেই এগিয়ে এল । আমার সামনে এসে বলল
-এমন পাগলামো কেন করছেন ?
-জানি না কেন করছি ।
মেয়েটা কিছুক্ষন আমার দিকে তাকিয়ে থেকে বলল
-আসুন আমার সাথে ।
আমি প্রথমে ভাবলাম হয়তো কল্পনায় দেখছি । একটা মেয়ের পিছু নিলাম আর পরদিন সকাল বেলাতেই মেয়েটা পটে গেল । নাহ কিন্তু বাস্তবেই মেয়েটার সাথে সাথে ক্যান্টিনে ঢুকলাম ।
হুম, এটা হতে পারে ! মেয়েটার জন্য আমি পুরো রাত এখানে বসে ছিলাম । এটাতো মেয়েটার মনে একটু হলেও প্রভাব ফেলেছে ।
-কাল রাতে কিছু খেয়েছিলেন ?
আমি মাথা নাড়াই । মেয়েটা নাস্তার আনতে বলল । চুপচাপই নাস্তা খেতে লাগলাম ।
হঠাৎ‍ ই মেয়েটা বলল
-আপনি যেখানে বসে ছিলেন সেখানটা আমার রুম থেকে দেখা যায় । তবুও আমি বিশ্বাস করি না । আজ কাল এসব আর কেউ বিশ্বাস করে না । একটা মেয়েকে দেখলাম ভালবেসে ফেললাম । সব ফেইক ! ধাপ্পাবাজি !!
আমি বললাম
-তাহলে তুমি কেন আমার সাথে বসে নাস্তা খাচ্ছ ? আমার সামনে দিয়ে চলে গেলেই পারতে । একটা কথা বলব ?
-বলুন !
-আসলে তুমি নিজে এটা বিশ্বাস করতে চাইছ যে এসবটাই ভান , সবটাই ফেইক । কিন্তু ...
-কিন্তু ?
-কিন্তু তোমার মন এইটা বিশ্বাস করতে চাইছে না ।
মেয়েটা আবারও আমার দিকে তাকিয়ে রইল কিছুক্ষন ।
আহ !
এই নীল চোখ !
-আমি যাই । বলে মেয়েটা আর দাড়াল না ।
আমি তাকিয়েই রইলাম । কেন জানি মনে হল মেয়েটা পটে গেছে ।

ঐ দিনের মধ্যেই মেয়েটার নাম পরিচয় সব বের করে ফেল । কি নাম কোন সাবজেক্টে পড়ে কোথায় বাড়ি ইত্যাদি । মেয়েটার নাম নিশি ।
নীল নয়না নিশি !
পরদিন সকালে আবার মেয়েটার হলের সামনে গিয়ে হাজির । বেরুতে একটু দেরী হল কিন্তু বের হল ।
যখন আমার পাশ দিয়ে চলে যাচ্ছিল আমি নিশি বলে ডাক দিলাম ।
-চলে যাচ্ছ ?
নিশি উত্তর না দিলেও দাড়াল ।
-আমি নাস্তা করি নি এখনও !
-আপনি নাস্তা না করলে আমার কি বলুন ? আমি হল থেকেই নাস্তা করে বেরিয়েছি । আর আমার ক্লাস আছে এখন ।
এই বলে নিশি আবার হাটা আরাম্ভ করল ।
আশ্চর্য চলে গেল !
আমি ভেবেছিলাম আমি নাস্তা করি নি একথা শুনে হয়তো নিশি কালকের মত আজও আমার সাথে সকালের নাস্তা করবে ।
কিন্তু চলে গেল !
আচ্ছা ফাজিল মেয়েতো !
আমি ফুটপাতের উপর আবার বসে পড়লাম । ক্লাস করে ফিরে আসুক ! আমাকে এখানে বসে থাকতে দেখবে ।
তখন নিশ্চই ওর খারাপ লাগবে ।
-চলুন ।
মাথা তুলে দেখি নিশি দাড়িয়ে । মুখটা যথাসম্ভব রাঙ্গান্বিত রাখার চেষ্টা করছে কিন্তু খুব বেশি লাভ হচ্ছে না ।
-আপনার জন্য আজ আমার ক্লাস মিস গেল ।
আমি একটু হাসলাম । আসলেই মেয়েটা পটে গেছে ! আসলে মেয়েদের মন তকটু নরম তো ! যখন দেখে কেউ তার জন্য কষ্ট পাচ্ছে মেয়েরা ঠিকই গলে যায় !
এভাবে আরো দুদিন চল ।
আহা কি চমৎকারই না গেল ! প্রথম প্রথম দিন মেয়েটা কথা না বললেই পরদিন ঠিকই কথা বলল । সত্যি এতো দিনে একটা মনের মত মেয়ে পেলাম !!
কিন্তু তারপরই আসল ঘটনা জানতে পারলাম । আমি ভেবেছিলাম মেয়েটার চোখ নীল । ইনফ্যাক্ট নিশির নীল চোখের জন্যই ওকে এতো ভাল লাগত ।
কিন্তু আমার এক বন্ধু আমাকে খবর দিলে যে মেয়েটার চোখ নীল না । ও নীল কন্ট্যাক্ট লেন্স পরে তাই নীল দেখায় ।
আমার কথাটা বিশ্বাসই হল না । সারা রাত কেবল এপাশ ওপাশ করলাম । তারপর খুব সকালবেলাতেই ওর হলের সামনে গিয়ে হাজির হলাম ।
একটু বেশি সকাল ছিল তবুও দেখলাম নিশি বের হয়ে এল । আমি যেখানে দাড়াতাম ওর রুম থেকে জায়গাটা দেখা যেত । আমার দিকে এগিয়ে আসতেই আমি টের পেলাম যে ওর চোখ আসলেই নীল না । কালো ।
আমার নিজের কাছে জিনিসটা বিশ্বাসই হচ্ছিল না । এমন একটা ডস খেলাম আমি ?
যদিও নিশির কোন দোষ নাই তবুও নিজেকে কেন জানি প্রতারিত মনে হল ।
আর দাড়ালাম না ওখানে । নিশির সাথে কথা না বলেই হাটা দিলাম । তারপর থেকে দুদিন ওর সাথে কোন রকম যোগাযোগ করি নি । ভেবেছিলাম এভাবে এভোয়েদ করলে ও ব্যাপারটা ভুলে যাবে !
আর আমিতো ওকে কিছু বলিও নি !

বিকেল বেলা গিয়ে দেখি নিশি আগেই বসে আছে । আমাকে দেখতেই উঠে দাড়াল । আজকে ও কন্ট্যাক্ট লেন্স পরে নি । তাই চোখ গুলোর রং আজ কালো ।
নিশির মুখটা কেমন বিষন্ন দেখলাম ।
আমার জন্য ?
এই দুইদিন ওর সাথে দেখা করি নি এই জন্য ?
অথবা একসাথে নাস্তা করি নি এই জন্য ?
হয়তো অথবা হয়তো না ।
-মন খারাপ তোমার ?
বসতে বসতে জিজ্ঞেস করলাম ।
ও চুপচাপ বসে রইলো মাথা নীচু করে । ওর মুখের একটা পাশ দেখা যাচ্ছে । তাকিয়ে রইলাম ঐ মুখের দিকে ।
হঠাৎ আমার কেন জানি মনে হল এই বিষন্ন মুখের জন্য দায়ী আমি । নিশির তো কোন দোষই নাই ।
মেয়েটা নিশ্চই আমাকে পছন্দ করতে শুরু করেছে । নিশ্চই বলছি কেন অবশ্যই তাই । আমি বললাম
-তোমার মুখ এমন শুকনো লাগছে কেন ? খাওয়া দাওয়া করো না ঠিকমত ?
নিশি তবুও চুপ করেই রইল । মাথা নীচু করে ।
-আরে বলবা তো ?
এই মেয়েটার কি হয়েছে গো ? কথা কয় না কেন ?
কিছুক্ষন চুপ থাকার পর আমার কেন জানি মনে হল নিশি কাঁদছে । ভাল করে তাকিয়ে দেখি আরে সত্যিই তো মেয়েটা কাঁদছে ।
নিজেকে কেন জানি খুব অপরাধী মনে হচ্ছে ।
এই চোখের পানির জন্য আমি দায়ী ।
যদিও নিশির সাথে সম্পর্ক এতোটা গভীর হয় নি তবুও নিশির আর একটু কাছে গিয়ে বসলাম । দু হাত দিয়ে ওর মুখ তুলে ধরলাম নিজের দিকে ।
নিশির চোখ ভর্তি জল ।
আমি কিছুক্ষনের জন্য আবার স্তব্ধ হয়ে গেলাম । এতো দিন তো নিশির নীল চোখ দেখে পাগল ছিলাম কিন্তু এই জল ভর্তি চোখের কোন তুলনা নাই ।
আমার কিছু বলা উচিত্‍ কিন্তু আমি কিছু বলতেই পারলাম না । নিলি কান্না জড়িত কন্ঠে বলল
-আমি এই দুদিন কিছু খেতে পারি নি । সকালবেলার নাস্তা কিছুতেই গলা দিয়ে নামে নি আমার । আমি কি কোন ভুল করেছি ? তুমি আমার সাথে এমন কেন করছো ?
আমার বুকটা হু হু করে উঠল । নিশি বলল
-তাহলে ঐদিন সকালে তুমি ওভাবে চলে গেলে কেন? তোমার যাওয়া দেখেই আমি বুঝেছি তুমি আর........
নিশি কথা শেষ করলো না । কাঁদতে লাগলো !!
-ছি কি বলছো এসব ? তুমি কোন ভুল কর নি । কোন ভুল না । সব দোষ আমার । প্লিজ তুমি কেঁদনা । প্লিজ ।
নিশির কান্না তবুও থামলো না ।
-বল তাহলে এবার থেকে প্রতিদিন সকাল বেলা তুমি আমার সাথে নাস্তা করবে !
-শুধু সকাল বেলা না এবার থেকে তিন বেলাই আমরা একসাথে খাবো । ঠিক আছে ! এখন কান্না বন্ধ কর । দেখ চারপাশের মানুষ জন ভাবছে আমি হয়তো তোমাকে কাঁদিয়েছি ।
-তুমি তো কাঁদিয়েছ ! তুমি ঐ দিন ওভাবে কেন গেলে ? বল কেন গেলে ?
-আচ্ছা বাবা সরি তো ! আর কোন দিন যাবো না । এখন প্লিজ কান্না বন্ধ কর ।
কিন্তু আমি চাচ্ছিলাম নিশির কান্না যেন না থামে । ওর জল ভর্তি চোখ আসলেই সুন্দর লাগছে । এই চোখের কোন তূলনা নাই ।
পৃথিবীর কোন কিছু দিয়ে এর তূলনা দেওয়া যাবে না । আমি কেবল এক পলকে তাকিয়েই আছি ওর দিকে । মনে হল এভাবে সারা জীবন তাকিয়ে থাকি ওর দিকে !



ফেবু লিংক
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:৪৬
২৮টি মন্তব্য ২৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

স্বর্গে এখন বাচ্চা বিক্রি শুরু হয়েছে।

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ১৬ ই আগস্ট, ২০২২ সকাল ১১:০৭






স্বর্গে এখন বাচ্চা বিক্রি শুরু হয়েছে। আমরা এখন এমন এক স্বর্গে বাস করছি যেখানে মা তার একমাত্র সন্তানকে বিক্রি করে বেঁচে থাকতে চান। কি দুঃখের, কি লজ্জার দিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

গামারি

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ১৬ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:০৯



২০১৬ সালের মার্চ মাসের সকালে কাধে ছোট একটি ব্যাগ ঝুলিয়ে বেড়িয়েছি বাড়ি থেকে। গাজীপুরের টাকশাল-শিমুলতলী পথ ধরে রেল লাইনে উঠে পায়ে হেঁটে চলে যাবো রাজেন্দ্রপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত। ভাওয়াল-গাজীপুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি গরীব আমার ১৩ টাকায় একটি ডিম ১৫ টাকায় একটি সাগর কলা কিনে খাওয়ার অবস্থা নেই।

লিখেছেন ভার্চুয়াল তাসনিম, ১৬ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ২:১২

প্রিয় রাষ্ট্র,
গতকাল মাত্র শোক দিবস চলে গিয়েছে। আপনি কি দেখেছেন? এই শোক দিবসে দেশের আপামর জনসাধারণ শোক পালন না করে ডিম নিয়ে মেতে ছিল। বুঝেছি মেনেছি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে অস্থিতিশীল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভিন্ন নিক থেকে ব্লগিং করার কথা ভাবছি

লিখেছেন স্বপ্নবাজ সৌরভ, ১৬ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ২:৩৩


" কষ্টের পোস্টে কিছু লিখতে যে সূক্ষ অনুভূতি আর সংবেদনশীলতা দরকার, তা আজকের চাপের পৃথিবীত বজায় রাখা মুশকিল। কেউ কেউ হয়তো পারেন- যেমন স্বপ্নবাজ সৌরভ।" - নিমো... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্টের সন্তান বিভক্তি

লিখেছেন পথিক৬৫, ১৬ ই আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৪:৪০

বরগুনায় পুলিশ ছাত্রলীগ পেটাল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, "বাড়াবাড়ি হয়েছে"। ঘটনার পরের দিনই এসপি সাহেব বদলির নোটিশ পেলেন। দেশের মিডিয়া এই ঘটনাকে নিয়ে হুমরি খেয়ে পড়ল। কার পক্ষ নিবে- পুলিশ নাকি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×