somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ফানপোস্টঃ ভার্চুয়াল ফেসবুক Vs. বাস্তব ফেসবুক

১২ ই আগস্ট, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ফেসবুক ডাউন করেছে । কোন ভাবেই সেটা আর উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না । ফেসবুকের মেইন বেস সার্ভারটা ধ্বংশ হয়ে গেছে । আনুষ্ঠানিক ভাবে মার্ক জুকার্বাগ ঘোষনা দিলো যে ফেসবুক বন্ধ । নতুন করে আবার চালু করা হবে কি না সেই ব্যাপারে সে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারে না !

আস্তে আস্তে সবাই তা মেনেও নিল । কিন্তু কিছু কিছু বাংলার মানুষ মেনে নিতে পারলো না ! এমনই আসক্তি ছিল তাদের যে কোন ভাবেই তারা ফেসবুকের থেকে দুরে থাকতে পারছিলো না ! তাই তারা ফেসবুকে যা করতো ঠিক সেই জিনিস টাই বাস্তবে করতে শুরু করলো !

আমি যদিও তেমন ভাবে আসক্ত ছিলাম না তবে ভাব ভাবেই ফেসবুক ব্যবহার করতাম ! তাই আসেপাশের ফেসবুকীও মানুষ গুলোকে ঠিকঠাক চিনতাম !

ফেসবুক বন্ধ হওয়ার সপ্তাহ খানেক পরেই সকাল বেলা বাসা থেকেই বের হয়েই আমার চোখ চরক গাছ । আমার বাসার ঠিক বাইরে গেটের কাছে একটা সাইনবোর্ড টাঙ্গানো । অনেক টা নোটিশ বোর্ডের মত । সেখানে একটা এফোর সাইজের প্রিন্টেড ছবি লাগানো রয়েছে ক্লিপ দিয়ে । তার উপরে লেখা "আজকের সকালের নাস্তা গাইজ" ছবিতে টেবিলের উপরে সাজিয়ে রাখা কিছু খাবারের ছবি !

আমার মনে পড়ে গেল যে আমার বাসার ঠিক নিচের তলায় একজন মেয়ে ফেসবুকার থাকে । এনজেল সামথিং নাম হবে মেয়েটার ! সেই মেয়েটার কাজ হবে এটা ! বোর্ডের ছবিটার নিচে দেখলাম কয়েকজন আবার মার্কার দিয়ে কমেন্টও করে গেছে । কিছু ট্যালির মত দাগ দেওয়া । গুনে গুনে দেখলাম প্রায় ৭৮ টা ট্যালি দাগ !





বোর্ড পার হয়ে কয়েক পা এগুতেই এক ছেলে এসে হাজির সামনে ! সাথে আবারও সেই পোস্টার ! একটু ভাল করে তাকিয়েই দেখলাম আসলে ছবিতে স্টাইল করে দাড়াবো মানুষটা আর সামনে দাড়ানো মানুষটা একই জন । যদিও প্রথম ধাক্কায় যেটা বের করা একটু কষ্টে ! নিশ্চয়ই ডিএসএলআর দিয়ে তোলা ছবি !



ছেলেটা আমার দিকে হাসি মুখে তাকিয়ে বলল
-ছবিটা কেমন ভাই ?
আমি বললাম
-ভাল !
-তাহলে একটা লাইক দেন ?
-লাইক ? কিভাবে দেব ?
-আপনার তো একাউণ্ট দেখছি না ! মার্কার নেই ?
-না তো, একাউন্ট কিসের একাউন্ট !

ছেলেটা আমার দিকে এমন ভাবে তাকালো যেন আমি ভিন্ন গ্রহের মানুষ !
ছেলেটা এবার নিজের পকেট থেকে একটা মার্কার বের করে আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল
-এই দেন একটা লইক দিয়ে দেন ! আমিই দিয়ে দিতাম আপনারটা তাহলে লোকে আবার বলবে অটোলাইকার ব্যবহার করেছি !
আমি একটা দাগ দিয়ে দিলাম !
-আর আজকেই একটা একাউন্ট খুলে ফেলবেন ! একটা কমেন্ট কি করবেন ?
-একাউন্টই তো নাই । কমেন্ট করবো কিভাবে ?
-আচ্ছা, ঠিক আছে ! দরকার নেই

ছেলেটা চলে গেল ! আমি আবারও ভাবতে ভাবতে হাটতে লাগলাম ! আজকে শুরু হয়েছে কি ?
কয়েক পা এগুলোতেই দেখি সুফি ভাইও একটা ছবির প্ল্যাকার্ড নিয়ে আমার দিকে এগিয়ে আসছে । সুফিয়ান ভাই আমাদের এলাকার বড় ভাই আর বিশেষ ফেসবুক সেলিব্রেটি ! প্রত্যেকটা বিষয়ে তার অধিক জ্ঞান ! আমার সামনে আসতেই সুফি ভাই বলল
-কি রে তোর কি খবর যে বাবলু ? ফেসবুকে একাউণ্ট কই তোর ?
-কি বলেন ভাই । ফেসবুক না ডাউন খেটেছে । সব একাউন্ট গায়েব !
-আরে গাধা সেই ফেসবুক না ! এটা হচ্ছে রিয়েল ফেসবুক ! দেখছিস না ?
এই বলে তিনি প্ল্যাকার্ডের দিকে ইঙ্গিত করলো ! আমি তাকিয়ে দেখি সেখানে সুফি ভাইয়ের একটা চমৎকার ছবি সাটা রয়েছে সেখানে ।
-এটাই নিয়ে ঘোরা মনে হচ্ছে তোর একাউণ্ট আছে । বুঝেছিস ! শোন আজকই একটা একাউন্ট খুলে ফেল !

আমি সুফি ভাইয়ের পাশে পাশে হাটতে লাগলাম ! একটুদুরেই দেখি একজন মানুষ খুব আবেগ ভরা মুখ নিয়ে কিছু বলছে । আর সামনে দাড়ানো কিছু মানুষ সেই কথা গুলো করুন মুখ নিয়ে শুনছে । কেউ কেউ আবার চোখ মুছতেছে । কেউ কেউ আবার হাউমাউ করে কাঁদছে !
আমি সুভি ভাইকে বললাম
-ঐ খানে কি হইতেছে ভাই ?
-আরে ওরে চিনিস না ? ঐ ছেলেটা খুব আবেগ দিয়ে পোস্ট লিখতো আগে ফেসবুকে । মানুষ পোস্ট পড়ে কাইন্দা কাইটা অস্থির ! এখন তো ফেসবুক নাই তাই এখন এখানে কথা বলে । মানুষ সেগুলো শুনে কান্দা কাটি করে ! মার্কার দিয়ে কমেন্ট টমেন্ট লিখে দেয় !



আরেকটু দুরে গিয়ে দেখি এক গাছ তলায় একলোক মুখ বিকৃত করে কাকে যেন গালী গালাজ করছে !
আমার মুখ দিয়ে কিছু বের হওয়ার আগেই সুফি ভাই বলল
-আরে এরে চিনিস তো ! ঐ যে কি এক গ্রুপের হেড ছিল ! সেই লেভেলের মুখ খারাপ ! সারা দিন মুখ খারাপ করতো ! ফেসবুক চলে যাওয়ার পরে তো আর কাউকে গালী দিতে পারে নাই তাই এখানে এখন গালী দিতেছে !




আমরা হাটতে হাটতে হঠাৎ থামতে হল ! দেখি এক নেতা গোছের মানুষ আমারদের সামনে দিয়ে হেটে চলে যাচ্ছে তার পেছনে শত শত মানুষ হাটতেছে । মাঝে মাঝে শ্লোগান দিতেছে !
-এরা কারা ভাই ?
-আরে এই সেই ফেসবুক সেলিব্রেটি ! এরপেছনের এরা হল তার ফলোয়ার ! বুঝিস নাই !
-ও আচ্ছা !




আমরা আস্তে আস্তে এগুতে লাগলাম !

এক জায়গায় দেখি কয়েকজন জড় হয়ে বসে কি যেন আলোচনা করছে । সুফি ভাই বলল
-এরা হল ওমুক ওপেন গ্রুপের সদস্য !
-আচ্ছা !



আরেকটু দুরেই দেখি কয়েকজন লোক খুব গোপেন কি যেন কথা বলছে । এতোই আস্তে যে কিছুই শুনা যায় না ! বুঝতে অসুবিধা হল না যে এরা আসলে কোন সিক্রেট গ্রুপের সদস্য ! গোপন কোন আলোচনায় ব্যস্ত !

কয়েকপা এগিয়েছি ঠিক তখনই দেখি দুই জন লোক হাতে লাঠি নিয়ে একে উপরে চড়াও হবে হবে করছে । কিন্তু কেউ আগে এগিয়ে আসছে না ! কেবল লাঠিউ দেখাচ্ছে !
সুফি ভাই বলল
-দেখতিস না যে আগে ফেসবুকে কিছু ফাপড় বাজ লোক থাকতো ! কাছে পেলে এই করবে সেই করবে হ্যান করবে এরা হল সেই ক্যাটাগরির ! চিন্তা করিস না ! এরা সারাদিন কেবল এমন ভাবেই একে ওপরের দিকে লাঠিই দেখাবে কিন্তু একটা লাঠি চালানোর ক্ষমতা তাদের নেই !




আর কিছু দুর এগোতেই দেখি দুজন লোক টেবিলের দুইপাশে বসে সমানে তর্কে করে যাচ্ছে ! আমি সুফি ভাইকে বলল
-এরা ফেসবকের সেই তর্কবীদ রা ? সারাদিন কোন কাজ নেই ফেসবুকে তর্ক করে বেড়ায় !
-ঠিক ধরেছিস !



ওখানেই দেখতে পেলাম একটা মেয়ে গাছের নিচে বসে আছে । সামনে প্রায় শ খানেক হলুদ খাম পড়ে আছে । মেয়েটা একটা একটা করে খাম খুলছে আর পড়তে ! কয়েকটাতে তার মুখে হাসি দেখা যাচ্ছে আবার কয়েকটা পড়ে মুখ বিকৃত হয়ে যাচ্ছে । বুঝতে পারলাম যে মেয়েটা ইনবক্স চেক করছে ! কিছু কিছু খাম আবার না খুলেই রেখে দিচ্ছে । আদার্স মেসেজ মনে হয় !




দেখতে দেখতে আমরা প্ল্যাকার্ডের জায়গায় চলে এলাম ! দেখলাম বেশ কয়েকজনই এখান থেকে প্ল্যাকার্ড নিচ্ছে । তারপর সাথে করে আনা ছবি সেখানে মেরে দিয়ে একাউন্ট নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে ! আমিও একটা খুলে ফেললাম ! খুলতেই সুভি ভাই বলল
-আগে আমার ফটো একটা লাইক দে । সকাল থেকে কেউ একটা লাইক দেই নাই !

আমি লাইক দেওয়ার আগেই দেখি একটা মেয়ের আমার দিকে এগিয়ে আসতে । তার প্ল্যাকার্ডে চমৎকার একটা সেলফি দেখা যাচ্ছে । আমি মার্কার দিয়ে সুফি ভাইয়ের আগে মেয়েটার ফটোটে একটা লাইক দিয়ে ফেললাম ! মেয়েটা একটু মিসকি হেসে চলে গেল ! তারপর সুফি ভাইয়ের টাতে দিলাম লাইক ! সুফি একটু গম্ভীর হয়ে গেল বটে কিন্তু কিছু বলল না !
আরেকটা মেয়েকে এগিয়ে আসতে দেখে আমি যেই না ছবিতে লাইক দিতে যাবো মেয়েটা তখন কঠিন কন্ঠে বলল
-আমার ছবি পাব্লিকে দেওয়া না ! আপনি লাইক দিতে পারবেন না !

যা শালা ! এখানেও আবার প্রাইভেট পাব্লিক আছে !

কি আর করা !

একাউন্ট নিয়ে সুফি ভাইয়ের সাথে সাথে হেটে হেটে বাড়িের দিকে ঘিয়ে আসছি ! এমন সময় সফি ভাই আমার কাছে জানতে চাইলো আচ্ছা ভার্চুয়াল ফেসবুকের মত রিয়েল ফেসবুকেও তো অনেককেই দেখলি ! কাকে দেখিস নাই বল তো ?

আমি প্রথমেই খুজে পেলাম না কাকে বোঝাতে চাইছে সুফি ভাই ! আমি খুজতে লাগলাম ! গালিবাজ থেকে আবেগ, যুক্তিবাদি থেকে ফাপড় বাজ সবাইকেই তো দেখলাম । কে বাকি আছে ?

সুফি ভাই বলল
-বলতে পারলি না ?
-নাহ !
-আরে আছে না কিছু ! সব সময় মানুষের ধর্ম আর অনুভুতি নিয়ে খোচাখুচি করে ! এরকম একটাকেও দেখেছিস ?
-না তো !
-কেন বলতো ?
আমি বলতে পারলাম না !
সুফি ভাই হাহাহাহাহা করে হেসে উঠলো !
-পাব্লিকের মাইর খাওয়ার ভয় আছে না ! এরা কেবল অনলাইনের হিরো ! বাস্তবে ১০ জনের সামনে দাড়াইয়া এদের একটা কথা বলার সাহস নাই ! কারন জানে মাইর তাইলে একটাও মাটিতে পড়বে না ! যাক বাসায় যা ! বিকেল বের আবার আসবি ! তখন কিছু ছবি পোস্ট করলো । তোর লাইক চাই সবার আগে !

আমি প্ল্যাকার্ড নিয়ে আস্তে আস্তে এগিয়ে যাই বাসার দিকে ! বাড়ির সামনে গিয়ে দেখি সেই নীচ তলার মেয়েটা দাড়িয়ে আছে । আমার দিকে তাকিয়ে হাসলো ! তারপর একটা হলুদ রংয়ের খাম ধরিয়ে দিয়ে দৌরে বাড়ির ভেতরে চলে গেল !

আমি খাম টা খুলবো কি না বুঝতে পারলাম না !


বিঃদ্রঃ মনে রাখা দরকার যে এই পোস্ট খানা কেবলই মাত্র একটা ফান পোস্ট আর কিছু নয় ! এই পোস্টে সিরিয়াস নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল


(ছবি সব গুগল থেকে সংগ্রহকৃত)
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই আগস্ট, ২০১৫ দুপুর ১:০০
১১টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সাবধানের মার্ নেই

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৩১


নিউ ইয়র্ক থেকে ফিরার পথে নিউ আর্ক্ লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে যখন এরোপ্লেনে উঠে নির্দিষ্ট সীটের কাছে পৌঁছলাম দেখলাম এক প্রৌঢ় ভদ্রলোক জানালার পাশের সিটটাতে অলরেডি বসে আছেন। আইল ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

হারানো বিজ্ঞপ্তি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩১



অত্যন্ত দুঃখ ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানানো যাচ্ছে যে, গত প্রায় দুই বছর যাবৎ বিবেক, বুদ্ধি, জ্ঞান, বিচার ও বিবেচনা - এই পাঁচজনকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একসময় তাঁরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন মাটিতে ‘আত্মঘাতী ভুল’- নাকি বদলে যাচ্ছে হিসাব?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:২৫


মার্কিন মাটিতে ‘আত্মঘাতী ভুল’- নাকি বদলে যাচ্ছে হিসাব?

শেখ হাসিনা কি ফিরবেন?
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কখনো কখনো একটি বৈঠকের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে- কোন বৈঠকটি হলো, কোনটি হলো না এবং কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অল্প একটু পাশে থেকো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০



আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।

শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।

আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×