somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গল্পঃ ফেরৎ পাখি

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নিশির বাবার কথায় আমি স্পষ্ট বুঝতে পারলাম যে তিনি তার মেয়ের সাথে আমার মেলামেশা মোটেই পছন্দ করছেন না । নিশির জন্যই হয়তো সরাসরি কিছু বলতে পারছেন না । কিন্তু কথা ঘুরিয়ে ঠিকই আমাকে বুঝিয়ে দিলেন যে এখন আমার দুরে চলে যাওয়া উচিৎ, আমি যেন তার মেয়ের সাথে না মিশি ।

অবশ্য তাকেও দোষ দিতে পারি না । আমার মত ছেলের সাথে তার মেয়ে মিশুক এমনটা কোন বাবাই চাইবে না । আমি বাবা হলে হয়তো আমার মনভাবও তেমনই হত । আর ব্যাপারটা এমনটা না যে নিশির সাথে আমার খুব প্রেম ভালবাসা চলছে । ওর সাথে আমার একটা ছোট ঘটনার মাধ্যমে পরিচয় হয়েছে । তারপর প্রায়ই আমার কথা হয়, এক সাথে কফি খাওয়া হয় । আমার কাছে আমাদের সম্পর্কটা এর থেকে বেশি কিছু না । একদিন নিশি ঠিক করলো আমরা ওর বাবার সাথে কফি খাবো । আমার কথা নাকি ও পরিবারের কাছে বলেছে ।

আমি হাজির হতেই নিশির বাবা আমার ইন্টারভিউ নিতে শুরু করলেন । আমি কি করি কোথায় থাকি, আমার জীবনে আর কে কে আছে এই সব । আমি চুপচাপ সব প্রশ্নের জবাব দিতে লাগলাম । আর এটাও বুঝতে পারলাম যে আমার কোন উত্তরই তার পছন্দ হচ্ছে না । নিশি অন্য ঘরে যেতেই এবার আসল কথা শুরু হল ।

নিশিকে বিয়ের জন্য এক আমেরিকান প্রবাসী ছেলে ঠিক করে রাখা আছে । দুই মাসের মধ্যে নিশি স্কলারশীপ নিয়ে সেখানে যাবে । তারপর সেখানেই তাদের বিয়ে হবে । এমনই তার ইচ্ছে । তিনি সারা জীবন নিশির জন্য সব সময় সেরাটাই চেয়ে এসেছে । সে চায় না নিশি জীবনে কোন ভুল সিদ্ধান্ত নিক । ভুল সিদ্ধান্তটা যে আমি সেটা সরাসরি না বললেও আমার বুঝতে কষ্ট হল না ।

আমি জানি নিশি এসব কথার কিছুই জানবে না কোন দিন । ও যে স্কলারশীপ পেয়েছে, এটা ও আমাকে নিজেই বলেছে। তবে নিশি আমাকে এও বলেছে যে সে এখনও নিশ্চিত না । একবার মনে হচ্ছে চলে যায় আরেকবার মনে হচ্ছে না যায় ।

রাতে খাওয়ার পরে নিশি আমাকে ডেকে নিয়ে গেল ছাদে । ওদের ছাদটা নাকি অনেক চমৎকার । রাতে অন্ধকারে এখানে বসে থাকতে অনেক ভাল লাগে । আমি আস্তে আস্তে ওর পেছন পেছন উঠে এলাম । রেলিংয়ের পাশে পেতে রাখা বেঞ্চে বসে রইলাম বেশ কিছুটা সময় । কিছু সময় কেটে গেল একেবারে চুপচাপ ।

একটা সময় আমি হঠাৎ লক্ষ্য করলাম যে নিশি আমার হাত ধরেছে । আমি খানিকটা অবাক হলাম । আমার পরিচয়টা সত্যিই বলতে কি এখনও হাত ধরার মত হয় নি । ওর সাথে পরিচয়টাও হয়েছিলো বেশ অদ্ভুদ ভাবে ।

মাস ছয়েক আগের কথা । আমি বাইক নিয়ে বাসার দিকে যাচ্ছিলাম । আমার বাসাটা বসিলা ব্রিজ পার হয়ে আরেকটু দুরে । উচু দেওয়া ঘেরা একটা এক তলা বাসাতে আমি থাকি । ঢাকাতে এই ছোট বাসা ছাড়াও কলা বাগামে আমার নামে আরেকটা বাড়ি আছে । মূলত সেখান থেকে আসা ভাড়ার টাকা দিয়েই আমার দিন চলে যায় । আমি শান্তিতে থাকি এখানে । ঢাকার এতো কাছে হয়েও জায়গাটার ভেতরে তখনও কেমন গ্রাম গ্রাম একটা ভাব আছে । আর বাইক থাকায় আমার যাতায়াতে খুব একটা কষ্টও হয় না ।


যাই হোক ব্রিজ হতেই লক্ষ্য করলাম একটা মেয়ে রাস্তার পাশে দাড়িয়ে আছে । মাঝে মাঝে একটা ইজিবাইককে দাড় করালো, কিছু বলল কিন্তু ইজিবাইকটা তাকে না নিয়ে চলে গেল । আমি খানিকটা অবাক হলাম । এই রাস্তায় ইজিবাইক ওয়ালারা সাধারনত প্যাসেঞ্জারকে মানা করে না ।

আরেকটু কাছে যেতেই আমি দেখতে পেলাম যে মেয়েটার পাশেই একটা কুকুর পড়ে রয়েছে । মুখের এক দিকে খানিকটা রক্ত লেগে আছে । সম্ভবত দুর্ঘটনায় পড়ে আহত হয়েছে । মেয়েটা তাকে বাঁচাতে চাইছে । কিন্তু এই কুকুরকে কোন যান বাহন নিতে রাজি হচ্ছে না । আমি বাইক থামালাম মেয়েটার সামনে । মেয়েটা আমার দিকে একবার তাকিয়ে আবার রাস্তার দিকে তাকালো । আমি বললাম
-কোন যানবাহন এই কুকুরকে তুলবে না ।
মেয়েটা আমার দিকে তাকালো আবার । তারপর বলল
-ট্যাক্সি পর্যন্ত ডেকেছিলাম । নিতে রাজি হল না ।
আমি বললাম
-কোলে নিয়ে বসতে পারবেন পেছনে ?

মেয়েটা সম্ভবত প্রথমে আমার কথা ঠিক বুঝতে পারলো না । যখন বুঝতে পারলো তখন প্রথমে ঠিক বিশ্বাস করতে পারলো না । বলল
-সত্যি ? আমি নিয়ে যাবেন ?
-হ্যা ! আসুন !

মেয়েটা নিজের ওড়না পেঁচিয়ে কুকুরটাকে কোলে তুলে নিল । তারপর আমার পেছনে উঠে বসলো । এই ঢাকা শহরে মানুষ মরে পড়ে থাকলেও মানুষ না দেখার ভান করে পাশ কাটিয়ে চলে যায় আর এই মেয়েটা সামান্য একটা কুকুরকে বাঁচানোর জন্য কত সময় ধরে রাস্তায় ধারে দাড়িয়ে আছে । সেটাকে নিজের কোলেও তুলে নিতে একটুও দ্বিধা বোধ করলো না । পশু পাখির প্রতি আমার ছোট বেলা থেকেই একটা আলাদা টান আছে । এই জন্য মেয়েটাকে সাহায্য করতে মন চাইলো ।

কুকুরটাকে নিয়ে গেলাম কাজী আলাউদ্দিন রোডের কেন্দ্রীয় পশু হাসপাতালে । মেয়েটা আমাকে অনেক ধন্যবাদ দিল সাহায্য করার জন্য ।

ঐটাই ছিল নিশির সাথে আমার প্রথম দেখা । নিশি কুকুরটাকে নিয়ে দ্রুত ভেতরে চলে গেল । আমি তার নামটা পর্যন্ত জিজ্ঞেস করতে পারলাম না । ভেবেছিলাম এই এতো বড় শহরে আর হয়তো নিশির সাথে দেখা হবে না । তবে হয়ে গেল আবারও । এবার দেখা হওয়ার পেছনে ছিল একটা বেড়ালের বাচ্চা ।

কুকুর আমার খুব একটা পছন্দ না হলেও বেড়ালের বাচ্চা আমার বেশ প্রিয় । যদি রাস্তার ধরা আমি একদম ছোট বাচ্চা পড়ে থাকতে দেখি মা বেড়াল ছাড়া তাহলে ওটা আমি বাসায় নিয়ে আসি । কদিন পুষে বড় করে তারপর ছেড়ে দিই যাতে একা একাই থাকতে পারে । সেদিনও রাস্তার পাশে এমন একটা বিড়ালের বাচ্চা দেখেই আমি নিচে সেটার পাশে থেমে কিছু সময় এদিক ওদিক তাকাতে লাগলাম । খুজতে লাগলাম আশে পাশে বাচ্চাটার মা বিড়ালটা আছে কি না । যখন মনে হল বাচ্চাটা হারিয়ে গেছে তখন মনে হল এটাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া যাক ।

বাচ্চাটা হাতে নিয়েই বাইকে উঠতে যাবো এমন সময় পেছন থেকে একটা কন্ঠস্বর শুনতে পেলাম ।
-এই কাজ কি প্রায়ই করেন ?
তাকিয়ে দেখি সেদিনের সেই মেয়েটা হাসি মুখে এগিয়ে আসছে । আমি হাসলাম । তারপর বললাম
-নাহ সব সময় না । তবে মাঝে মাঝে ।

আমার হাত থেকে বাচ্চাটা নিয়ে বেশ খানিকটা সময় আদর করলো । তারপর বলল
-এটাকে কোথায় নিয়ে যাবেন ?
-আপাতত বাসায় । ওখানে একটু পড় হলে তারপর ছেড়ে দিবো !
-আপনার বাসা কোথায় ?
-ঐ যে ঐদিন যেখানে দেখা হল তার একটু সামনে !
-তাই নাকি ? তা আপনার বাসায় আরও প্রাণী আছে ?
-বিড়াল আছে বেশ কিছু । কয়েকটা পোষা পাখি আছে তবে তারা মাঝে মাঝে কোথায় যেন গায়েব হয়ে যায় । আবার সময় হলে ফিরে আসে !
-সেদিন আপনাকে ঠিক মত ধন্যবাদ দেওয়া হয় নি । আজকে চলুন আপনাকে চা খাওয়াই ।
-এখন ?
-হ্যা সমস্যা কি ?
-বাচ্চাটা রেখে আসি আগে ! অন্য কোন দিন না হয় হবে !

তারপর মেয়েটা যা বলল তাতে আমি বেশ অবাকই হলাম । মেয়েটা বলল
-তাহলে চলুন আগে আপনার বাসায় গিয়ে বাচ্চাটা রেখে আসি । সেই সাথে সব বিড়ালকে দেখেও আসবো নে । তারপর চা খাওয়াবো আপনাকে !

আমি খানিকটা খুশিই হলাম । বলল
-আমাকে আপনি চেনেন পর্যন্ত না, আমার সাথে বাড়ি পর্যন্ত চলে যাবেন ! এতো বিশ্বাস কিন্তু ভাল না ।
মেয়েটা বলল
-যে মানুষ পশু পাখি পছন্দ করে সে মোটেই খারাপ হতে পারে না !
তারপর আর কথা না বলে বিড়ালটা কোলের ভেতরে নিয়ে আমার বাইকের পেছনে চড়ে বসলো ।

সেই থেকেই আমাদের প্রায়ই দেখা হয় । কথা হয় । নিশির মুখেই আমি শুনি যে আমার সাথে মেশার পর থেকেই ওর নিজের ভেতরেই নাকি পরিবর্তন এসেছে । আগে একটা নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপন করতো । এখন সেটা আস্তে আস্তে বদলে যাচ্ছে । এবং এটা সে মোটেই অখুশি নয় ! আজকেও আমার হাত ধরাতে আমার সেটাই মনে হল । কিন্তু ওর বাবা মনভাব তো অন্য রকম ।

নিশিদের বাসা থেকে বের হওয়ার সময় ওর বাবা আবারও আমাকে সেই আগের কথাই বললেন । আমাকে বললেন যে আমাকে তিনি যা বলেছেন সেটা যেন আমি মনে রাখি । আমি খানিকটা মন খারাপ নিয়েই বের হয়ে এলাম ওদের বাসা থেকে ।

তারপর থেকেই নিশির সাথে খানিকটা মেলামেশা কমিয়ে দিলাম । ও হয়তো বুঝতে পারলো ব্যাপারটা । আমার আচরনে কষ্টও পেল বেশ । তবে মুখ ফুটে কিছু বলল না । একদিন আমাকে ফোন করে জানালো যে ও আমেরিকার স্কলারশীপটা কনফার্ম হয়ে গেছে । সেখানে মাস্টার্সের পরে হয়তো পিএইচিডিটাও করে আসবে । সামনের রবিবার তার ফ্লাইট । বুঝলাম নিশি তাহলে আমাকে ছেড়ে চলে যাচ্ছে ।

একবার মনে হল ওর বাবার কথাটা ওকে বলে দেই । নিশিকে বলি যে আমি তাকে মোটে এড়িয়ে চলতে চাই নি । তারপর মনে হল দরকার নেই । নিশির বাবা তো নিশির ভালর জন্যই সেটা বলেছে ।


তারপর কেটে গেছে তিনটা মাস । অনেক আগেই ফেসবুক থেকে বিদায় নিয়েছি । মোবাইলটা বেশির ভাগ সময়েই বন্ধ করে রাখি । কারো সাথে কথা বলতে ভাল লাগে । মানুষের সাথে মিশতেও ভাল লাগে না আর আগের মত । বাইক চালানোও কমিয়ে দিয়েছি । এর থেকে বাসায় থাকা পশু পাখি গুলোর সাথেই বেশি সময় কাটে । আগে কেবল বিড়াল থাকলেও কয়েক দিন থেকে কয়েকটা কুকুর এসে হাজির হয়েছে । খাবার দিচ্ছি তাদের নিয়মিত । তাই তারা সারাটা সময় আসে পাশেই থাকে । আমি হাটতে বের হলে আমার পেছন পেছন ঘুরে বেড়ায় ।

আমি ততদিনে নিশির কথা ভুলেই গিয়েছিলাম । কিন্তু ভাগ্যে হয়তো অন্য কিছু লেখা ছিল । অনেক দিন পর ছুটির দিনে বাইক নিয়ে বের হয়েছি । বহুদিন কোন পরিশ্রম না করার কারনে আমার শরীর স্বাস্থ্য বেশ ফুলে গিয়েছে । একটু মোটামোটা লাগছে নিজের কাছেই । মনে হল আবার নিজের শরীর ঠিক করার সময় এসেছে । বাইক নিয়ে আবারও আগের মত ঘুরাঘুরি শুরু করে দিলাম । সেদিনও আপন মনে এদিক ওদিক যাচ্ছি । ছুটির দিন বলে রাস্তা বেশ ফাঁকা ছিল । জোরেই চালাচ্ছিলাম । তখনই আমি হঠাৎ করে সামনে একটা বিড়ালের বাচ্চা চলে গেল । এসে একেবারে ফ্রিজ হয়ে গেল যেন । আমি যখন ব্রেক চেপে আমার বাইকটা থামিয়েছি আমার মনে হল সর্বনাশ হয়ে গেছে । বাচ্চাটা আমার বাইকের চাকার নিচে চলে পড়েছে ।
তখনই পাশ একটা একটা আওয়াজ শুনতে পেয়েই আমি একেবারে জমে গেলাম ।
নিশি চিৎকার করতে করতে এগিয়ে আসছে । আমার মাথায় হেলমেট থাকায় তখনও আমাকে ও ঠিক চিনতে পারে নি । সোজা সুজি এসে আমার চাকার নিচ থেকে বাচ্চাটা উদ্ধার করলো । আশার কথা হচ্ছে বাচ্চাটার কোন ক্ষতি হয় নি । নিশি বাচ্চাটাকে কোলে নিয়ে আদর করতে করতে আমাকে বকেই যাচ্ছে ।

আমার তখনও সব কিছু স্বপ্ন মনে হচ্ছে । নিশির তো এখন এখানে থাকার কথা না । তাহলে ?

আমি আমার হেলমেট টা খুলতেই নিশির বকাবকি বন্ধ হয়ে গেল । আমার দিকে কিছুটা সময় কেবল এক ভাবে তাকিয়ে রইলো । আমি বললাম
-তুমি যাও নি ?
নিশি নিজেকে সামলে নিলো মুহুর্তেই । অভিমান ভরা কন্ঠে বলল
-আমি গেলেই কি আর না গেলেই কি ! তোমার তাতে কি !

এই বলে নিশি আবার ঘুরে হাটা দিল । আমি খানিকটা সময় বোকার মত তাকিয়ে রইলাম সেদিকে । কি করবো বুঝতে কিছু সময় লাগলো । তারপর আর দেরি করলাম না । সোজা নিশির সামনে গিয়ে হাজির হলাম । তারপর বললাম
-আমাকে কিছু বলার সুযোগ দাও প্লিজ ! একটা বার মাত্র !

তাকিয়ে দেখি নিশির চোখ দিয়ে ততক্ষনে পানি পড়ছে । আমি একটু এগিয়ে গিয়ে ওর একটা হাত ধরলাম । তারপর বললাম
-একটা বার মাত্র শোন !

নিশিকে নিয়ে আবারও আমার বাসায় গিয়ে এলাম । তারপর আমার এই রকম আচরনের কারনটা ওকে খুলে বললাম । ঐদিন নিশির বাবা আমাকে কি বলেছিলো সে সবই বললাম সব । নিশি বলল
-আমেরিকাতে যাওয়ার আগের দিনই বাবা মারা যায় হঠাৎ করেই । মাকে একা ছেড়ে তাই আর যাওয়া হয় নি ।
-আমাকে একবার ফোন দিতে পারতে !
-তোমার মোবাইল খোলা ছিল ?
আমি কিছু বলতে পারলাম না । নিশি বলল
-খুব অভিমান হয়েছিলো তোমার উপর ! এখন রাগ হচ্ছে । আমাকে একটাবার বলা যেত না এই সব !
-আসলে ....।

নিশি তখন বাসার সকল প্রাণী গুলোর দিকে তাকিয়ে আছে কুকুর বেড়াল কয়েকটা খরগোস আর গিনিপিগ ! পাখিও আছে বেশ কয়েকটা । নিশি সেদিকে তাকিয়ে বলল
-বাসা দেখি একেবারে চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছো !
-হুম । খুব একা একা লাগতো !

নিশি এবার আমার দিকে তাকালো । ওর চোখের দিকেই তাকিয়ে আমার মনে হল এখন থেকে আর আমার একা একা লাগবে না । এইবার নিশি আর আমাকে ছেড়ে যাবে না ।


সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৫৪
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বেগম জিয়া বারবার প্রমাণ করছেন যে, উনার মান সন্মানবোধ নেই

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৩১



১৯৯১ সালের দিকে বেগম জিয়া ৩ কোটী টাকার বিদেশী অনুদান নিয়েছিলেন জেনারেল জিয়ার নামে এতিমখানা করার জন্য; ৩ কোটী টাকায় ২০০৮ সালের মাঝে এতিমখানা করা সম্ভব ছিলো; এতিমখানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ একজন মোটা বউ এবং অতঃপর..

লিখেছেন ইরাবতী (ভূতের পেত্নী), ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২২

তার সাথে যখন আমার প্রেম হয় তখন ও কি দেখে আমার প্রেমে পড়েছিলো জানিনা ৷ আমি তেমন সুন্দর না দেখতে ৷ এরপর সম্পর্ক যত গড়ায় সে আকার ইঙ্গিতে বোঝায় আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি চক্ষু ভূতের গল্প.....

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:০৪



ভূতের চোখ পেত্নির চোখ ওমা!
চোখের ভুতে ধরছে
এই তোমরা কী-জানো বাপু
কান্ডটা কে করছে?

একচোখা এক পেত্নির চোখে
রঙের ডিব্বা ঢেলে
রঙ আকাশে উড়ছে কে রে
রঙীন ডানা মেলে?

আবার দেখি রঙধনু চোখ
রঙ লেগেছে চোখে
এমনতরো পাগলামিতে
বলবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জন্মসূত্রে সৌভাগ্য ও আল্লাহর দায়মুক্তি

লিখেছেন ফরিদ আহমদ চৌধুরী, ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৪৫



জন্মসূত্রে কেউ মানুষ, কেউ বড় লোক, কেউ মুসলমান, কেউ সুদর্শন, কেউ নিকৃষ্ট প্রাণী, কেউ গরিব, কেউ অমুসলিম, কেউ কূৎসিৎ, কেউ প্রতি বন্ধী, কেউ নারী, কেউ পুরুষ। সবার প্রাপ্তি সমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

তোমার স্পর্শ উল্লাসে!

লিখেছেন হাবিব স্যার, ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:০০


ছবি:গুগল থেকে....

তোমাকে নিয়ে লিখতে গিয়ে দেখি
চতুর্দশপদী কবিতারাও বেয়াড়া হয়ে যায়,
শব্দেরা আর অষ্টক-ষষ্টকে বাঁধা পড়তে চায় না।
অষ্টক ছাড়িয়ে যায় তার গন্ডি.....
ষষ্টকও মিশে যায় অষ্টকে!
চতুর্দশপদী কবিতা তখন খিলখিল করে হাসে,
আমিও হাসি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×