somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গল্পঃ আরিয়ানার ফিরে আসা

২০ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একা একা থাকতে আমার কখনই খারাপ লাগে নি । বরং আমি সব সময় একা একাই থাকতে চেয়েছি । যখন নিজের বাসায় থাকতাম তখনও সারাটা সময় নিজের ঘরে আমি একা থাকতেই পছন্দ করতাম এখন এই ঢাকা শহরে এসেও আমি একা একাই থাকি । শুরুর দিকে একজনের সাথে ঘরটা ভাগাভাগি করে থাকতে হয়েছিলো কিন্তু এখন একাই থাকি আমি ।

এই ইট পাথরের ঢাকা শহরে একা থাকতে আমার মোটেই খারাপ লাগে না। বরং আমি এই একা থাকাটা বেশ উপভোগ করি। নিজের মত করেই থাকি। কোন ঝামেলা নেই। কিন্তু মাঝে মাঝে আমার জীবনে সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষ করে যখন আমাকে কাপড় কাঁচতে হয় আর যখন আমার শরীর খারাপ হয়, তখন মনে হয় এখন একা না থাকলেই বরং ভাল হত । একটা বউ না থাকুক, বাড়ির মানুষ গুলো কাছে কাছে থাকলে আজকে আমার এই সমস্যাতে পড়তে হত না ।

আজকে আমার সেই অবস্থায় হয়েছে। দুপুরে খাওয়ার পরপরই শরীর খারাপ হয়ে গেল হঠাৎ করেই। এমন ভাবে শরীরটা খারাপ হবে সেটা বুঝতে পারি নি।

একবার মনে হল বাসাতেই চুপচাপ বসে থাকি। এক সময় সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু কিছু সময় পরে মনে হল এই অবস্থায় এখানে থাকলে আমি সম্ভবত মারা যাবো। আমি আর দেরি করলাম না। টাকা পয়সা যা ছিল সাথে নিয়ে বের হলাম রাস্তায়৷

গলির দিকে তাকাতেই মন টা একটু দমে গেল। এই দুপুর বেলা কেউ বাইরে নেই। আমার মাথার ভেতরটা কেমন চক্কর দিয়ে উঠলো৷ আমি বুঝতে পারলাম আমার অবস্থা সত্যিই খারাপ। এভাবে কতদুর আমি যেতে পারবো বুঝতে পারলাম না। একবার মনে হল আবার বাসাতেই ফিরে যাই৷ কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করে দিলাম৷ কারন সাত তলায় ওঠা আমার পক্ষে একদমই সম্ভব না৷ আমি কোন মতে সামনে হাটতে থাকলাম। গলির মোড়ে এসে দাঁড়িয়ে রইলাম কিছুটা সময়৷ একটা সময় আর কিছুতেই যেন আমি দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিলাম না। মনে হচ্ছিলো এখনই মাথা ঘুরে পরে যাবো৷ তখন মনে হল আমার পাশে কেউ এসে দাড়িয়েছে। আমি তার দিকে কোন মতে তাকিয়ে বললাম
-ভাই একটা রিক্সা ডেকে দিবেন প্লিজ। আমার শরীর টা বেশ খারাপ।

কিন্তু আরও একটু ভাল করে তাকাতেই আমার ভুল বুঝতে পারলাম৷ যাকে ভাই মনে করেছিলাম, সে আসলে ভাই না। একটা মেয়ে। আমি সরি বলে একটু সামনে এগিয়ে যেতে গিয়েই আবার মাথাটা ঘুরে উঠলো৷ রাস্তার মাঝখানেই আমি পড়ে যেতাম কিন্তু অনুভব করলাম কেউ আমাকে এসে ধরলো। সেই মেয়েটাই সম্ভবত আমাকে এসে ধরেছে।

আমার অবস্থা তখন আস্তে আস্তে খারাপের দিকে। রাস্তার এক পাশে বসেই আমি বমি করে দিলাম। বমি করার সময় অনুভব করছিলাম কেউ একজন আমার মাথায় হাত বুলাচ্ছে। তারপরই অনুভব করলাম সেই হাতই আমাকে উঠতে সাহায্য করলো।

একটা সময় অনুভব করলাম আমি রিক্সায় উঠে বসেছি৷ কেউ আমাকে শক্ত করে ধরে রেখেছে। আমি তাকে দেখতে পারছি না৷ আমার তখন দেখার পরিস্থিতি নেই৷ আমার কাছে পুরো দুনিয়াটা ঘুরছে৷ তারপর কিভাবে সময় গেল আমার কিছুই মনে নেই। সব কিছু ভাসা ভাসা মনে হচ্ছে। তবে একটা সময় দেখলাম আমি সাদা দেওয়ালওয়ালা একটা ঘরের ভেতরে আছি। বুঝতে পারলাম আমি হাসপাতালে আছি৷ এভাবে কদিন ছিলাম আমি বলতে পারবো না তবে একটা সময় আমার শরীরটা খানিকটা সুস্থ হয়ে এল। আমি পরিস্কার ভাবে সব কিছু বুঝতে দেখতে শুরু করলাম। সেই সময়ই আমি প্রথম বিস্ময় টের পেলাম। আমার সামনে আরিয়ানা দাঁড়িয়ে আছে৷
আমি এখানে আছি এটা কারো জানার কথা নয়। বের হওয়ার সময় মোবাইলটা নিয়ে বের হতে পারি নি৷ মোবাইল নিয়ে বের হলেও আমি কাউকে ফোন করার মত অবস্থায় ছিলাম না। হয়তো মোবাইলটা হারিয়ে যেত। এই জন্যই মোবাইল নিয়ে বের হই নি। কিন্তু আরিয়ানা এখানে কিভাবে এল?

আমার মুখের অবাক হওয়ার ভাবটা ও বুঝতে পারলো। তারপর বলল
-আমিই তোমাকে এখানে নিয়ে এসেছি।
-তাই নাকি?
আরিয়ানা হাসলো৷ তারপর বলল
-তুমি আসলে ঐদিন আমার কাছেই সাহায্য চেয়েছিলে।
আমার ভাসা ভাসা ভাবে কিছু মনে পড়লো। আমি কারো সাহায্য চেয়েছিলাম আর কেউ আমাকে রিক্সা করে নিয়ে এসেছিল৷ কিন্তু সেই মানুষটা যে আরিয়ানা হবে এটা আমি ভাবতে পারি নি। আরিয়ানাদের বাসা কি আমার বাসার আশে পাশে কোথাও ছিল ?

আরিয়ানা বলল
-এখন কেমন লাগছে?
-ভাল। অনেকটা ভাল লাগছে।
-যাক। শুনে ভাল লাগলো। এখন একটু শান্তি লাগছে৷

আমি আরিয়ানার দিকে তাকিয়ে রইলাম। মেয়েটার সাথে অনেক দিন পর দেখা । কতদিন এই মেয়েটার সাথে কথা বলি না । আগে একটা সময় ছিল যখন মেয়েটার সাথে একটা দিন কথা না বললে শান্তি লাগতো না । আর এখন আমার ঠিক মনেও পড়ছে না মেয়েটার সাথে শেষ কবে কথা বলেছি । মনের ভেতরে সেই অস্বস্তিটা রয়েই গেল । মেয়েটার এখানে কোন ভাবেই আসার কথা না ।

আরিয়ানা বলল
-কি ব্যাপার ? আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছো কেন ?
-তুমি আগের মতই আছো একদম ! একদম বদলাও নি ।
আরিয়ানা একটু হাসলো । তারপর বলল
-কেন বদলাতে কি খুশি হতে ? এমন ভাল লাগছে না ?
-নাহ । সেটা মিন করে কিছু বলি নি । তবে তুমি এসেছো দেখে ভাল লাগছে ! আগে তো .....

কথাটা বলতে গিয়ে আমি থেমে গেলাম । পুরানো কথা বার্তা এখন বলে কোন লাভ নেই । বরং যা হয়ে গেছে যাক । তবে আরিয়ানাকে দেখলাম আমার মুখের কথাটা নিজের দিকে নিয়ে গেল । বলল
-হ্যা আগে তোমাকে প্রচুর অবহেলা করেছি । তাই না ?
আমি কোন কথা না বলে চুপ করে রইলাম । আরিয়ানা আবার বলল
-তুমি তো কত অভিযোগই করতে আমাকে । আমি শুনতাম না । শুনলেও পাত্তা দিতাম না । তাই না ?

আমি ঠিক বুঝতে পারছি না আরিয়ানা আসলে আমাকে কি বলতে চাচ্ছে । মেয়েটা এমন আচরনই বা কেন করছে । আমি বললাম
-হঠাৎ এই সব কথা কেন বলছো ?
-জানি না । এমনি ইচ্ছে হল । আজকে সময় মত এসেছি না ? তোমার দিকে যত্ন নিয়েছি না ?

আমি খানিকটা অবাক হলামই বটে । যখন আরিয়ানা আমার প্রেমিকা ছিল তখন আরিয়ানার ভেতরে এসব কোন দিনই ছিল না । ওর সাথে সম্পর্কে জড়ানোর শুরু থেকেই আমি একটা জিনি লক্ষ্য করা শুরু করলাম যে ও কোন কিছুর প্রতিই ঠিক যত্নবান না । ওর যা ভাল লাগতো তাই করতো । আমি কি করলাম না করলাম এতে ওর কিছুই যেতে যেত আসতো না । এটা আমার কাছে খারাপ লাগতো । আমি ওকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেছি কিন্তু তাতে লাভ হয় নি । সে একটুও বদলায় নি । আমার এই তীব্র অব হেলা সহ্য হয় নি । শেষে আমি নিজেই সম্পর্কটা শেষ করে দিয়েছি ।

তারপর থেকে বেশ অনেক দিন আরিয়ানার কোন খোজ নেই । ও কোথায় আছে কি করছে সে সবের কিছুই আমি জানতাম না । জানার চেষ্টাও অবশ্য করি নি । আর আজকে এতো দিন পরে হঠাৎ ও একদম আমার সামনে এসে হাজির । আমি নাকি রাস্তায় ওর কাছেই সাহায্য চেয়েছিলাম । অবশ্য চাইতেও পারি । আমার তখন মাথা ঠিক ছিল না । শরীরটা এমনই খারাপ লাগছিলো যে সামনে কে দাড়িয়ে আছে সেটার দিকে লক্ষ্য দেওয়ার মত অবস্থা আমার ছিল না ।

আমি ওর দিকে আরও কিছু সময় তাকিয়ে রইলাম । দুপুরবেলা হাসপাতাল থেকেই খাবার দিয়েছিলো । আরিয়ানা নিজ হাতে আমাকে খাইয়ে দিল । খাওয়া শেষ করে আমার মুখ মুছিয়ে দিল । আমি সত্যিই খানিকটা অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলাম ওর দিকে । বুকের ভেতরে ওর জন্য আবারও সেই অনুভূতিটা কাজ করতে শুরু করলো । আমি কেবল এই আরিয়ানাকেই চেয়েছিলাম যে আমার প্রতি একটু যত্নশীল হবে ।

তার পরদিনই আমাকে রিলিজ করে দিল । আরিয়ানার সাথেই আমি আমার বাসায় ফেরৎ এলাম । বলতে গেলে ও আমাকে ধরেই সিড়ি দিয়ে উপরে তুলল । আমি যতই আরিয়ানাকে দেখছিলাম ততই মুগ্ধ হচ্ছিলাম । মনে মনে ঠিক করে ফেললাম যে আমি আবারও ওকে আমার জীবনে ফিরে আসতে বলব । আমার আর কাউকে দরকার নেই ।

দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলাম । বিছানার উপরেই আমার ফোনটা পড়ে আছে । না জানি কত মানুষ আমাকে ফোন দিয়েছে । সবার আগে বাসাতে ফোন দিতে হবে । ফোনটা বন্ধ হয়ে আছে চার্যের অভাবে । আমি চার্য দিতে দিতে আরিয়ানাকে বসতে বললাম আমার পাশে । ও আমার দিকে তাকিয়ে একটু হাসলো । তারপর বলল
-তুমি আগে বাসায় ফোন দাও । আমি দেখছি তোমার খাবার কি ব্যবস্থা করা যায় !

এই বলে সে আমার রান্না ঘরের দিকে পা বাড়ালো । আমি মোবাইলটা চালু করতেই দেখি সেখানে অনেক গুলো মিস কর এসে হাজির হয়েছে । বাসা থেকে এসেছে কয়েকটা । টিউশনী থেকেও কয়েকবার ফোন দিয়েছে । বন্ধুদের কাছ এসেছে বাকি গুলো ।

সবার আগে বাসায় ফোন দিয়ে জানালাম আমার অবস্থা । তারা চিন্তা করছিলো তবে এখন আমার অবস্থা ভাল জেনে একটু শান্তি পেল । তারপর ফোন ফোন দিলাম বন্ধু রিয়াদকে । ফোন দিতেও আমাকে একটা ধকম দিয়ে বলল যে আমি কোথায় ছিলাম । আমি খানিকটা অবাক হয়ে বললাম
-আরে হাসপাতালে ছিলাম । শরীর খারাপ হয়ে গিয়েছিলো হঠাৎ করে ।
রিয়াদ বলল
-এখন কি অবস্থা ?
-এখন অনেকটাই ভাল । তোকে তো আসল কথাই বলা হয় নি ।
-কথা শুনবো পরে । আগে বল তুই আরিয়ানার খবর জানিস ?

আমি খানিকটা চমকে গেলাম । আমিও ওকে আরিয়ানার কথাই বলতে গিয়েছিলাম । আমি খানিকটা ইতস্তত করে বললাম
-মানে ? আরিয়ানার কি খবোর ?
রিয়াদ কিছুটা সময় চুপ করে থেকে বলল
-আরিয়ানা গত পরশুদিন এক্সিডেন্ট করে মারা গেছে !
-কি !!
-হ্যা গত পরশুদিন দুপুর বেলা । খবর পাওয়ার পরপরই আমি তোকে ফোন দিয়েছিলাম । তুই ধরিস নি ।

আমি আর কোন কথা বলতে পারলাম না । গত পরশু দুপুর বেলার পর থেকে আমার শরীর খারাপ হয়েছিল । তখন থেকেই ও আমার সাথে । এটা কিভাবে সম্ভব । আমি কিছু ভাবতে পারছি না । এটা কোন ভাবেই হতে পারে না ।

এখনও রান্না ঘর থেকে আরিয়ানার কাজ করার আওয়াজ আসছে । ও যদি গত পরশুদিন মারাই যাবে তাহলে এতোটা সময় ও আমার সাথে কিভাবে থাকলো । আমি যন্ত্রের মত উঠে দাড়ালাম । আস্তে আস্তে হাটতে লাগলাম রান্না ঘরের দিকে । তবে আমার পা ঠিক মত চলছিলো না । বারবার মনে হচ্ছে যে রান্না ঘরে আমি ভয়ংকর কিছু দেখবো ।

রান্না ঘরে পা দেওয়ার আগ মুহুর্ত মনে হল ফিরে যাই । কিন্তু যেতে পারলাম না । ভেতরে ঢুকে দেখি সেখানে কেউ নেই । চুলার উপর ভাতের হাড়ি থেকে মৃদু আওয়াজ আসছে । ভাত হয়ে গেছে সম্ভবত !

আমি ধীর পায়ে এগিয়ে গেলাম সেদিকে । এক ভাবে তাকিয়ে রইলাম সেই দিকে । ফুটন্ত পানির দিকে তাকিয়ে আমার আবারও আরিয়ানার চেহারাটা মনে পড়লো । মেয়েটা হয়তো আমাকে অবহেলা করতো কিন্তু তার মনে কোথাও আমার জন্য ভালবাসা নিশ্চয়ই জমা ছিল । এই জন্য হয়তো আবারও ও ফিরে এসেছিলো আমার কাছে । নিজের ভুল টুকু ঠিক করার জন্য ।

হঠাৎ লক্ষ্য করালম আমার চোখ দিয়ে এক ফোটা পানি গড়িয়ে পড়লো । হয়তো এই চোখের জলের জন্যই আরিয়ানা আবার ফিরে এসেছিলাম আমার কাছে । তার ভালবাসার মানুষের কাছে ।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:৩৩
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ফাউন্টেন পেন আর কালির দোয়াত... (জীবন গদ্য)

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৩ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৫০



ফাউন্টেন পেন আর দোয়াতের কালিতে আমরা কত সুখি ছিলাম। কত উচ্ছ্বল শিক্ষাজীবন,হই হুল্লোড় আর সুখ আনন্দে ভরা ছিল জীবন। নীল সাদা স্কুল ড্রেস,কালির ছিটার কালো নীল রঙ ছাপ,আহা আমাদের সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পলাশী থেকে বাংলাদেশ, মুক্তির কন্টকিত পথে (তেইশ জুন স্মরণে)

লিখেছেন বিদ্রোহী ভৃগু, ২৩ শে জুন, ২০১৯ রাত ৮:২৫



বিষাদ আঁধার এক
কেড়ে নেয় শক্তি সাহস
হতাশা, জোকের মতো নিভৃতে চোষে খুন;

অনিশ্চিত আশায়
বিপ্লবীর অকাল বোধন স্বপ্নে
ব্যার্থতার দায় ঢাকে ‘কিন্নর’ সুধিজন!

তেইশ জুন, সতেরশো সাতান্ন
প্রতারণা, শঠতা আর মিথ্যেতেই
রাতের আঁধারে ডুবে যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহুরে ফোকলোর

লিখেছেন কিবরিয়া জাহিদ মামুন, ২৩ শে জুন, ২০১৯ রাত ৯:৫৫



ক্লাশ থৃ তে পড়ি । প্রয়াত মিনু স্যার একদিন ক্লাশে বল্ল, তোরা আজকের শিশু তোরা একদিন বড় হবি । বড় হয়ে এই দেশ চালাবি । আজকে এরশাদ সাহেব দেশের প্রেসিডেন্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহনীয় রমণীয় প্যারিস (তৃতীয় তথা শেষ পর্ব)

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ২৪ শে জুন, ২০১৯ সকাল ১১:৩৪



মোহনীয় রমণীয় প্যারিস (পর্ব ১)
মোহনীয় রমণীয় প্যারিস (পর্ব ২)


ল্যুভর মিউজিয়াম থেকে বের হয়ে একটা লম্বা হাটা দিতে হবে। অবশ্য চাইলে মেট্রোও (আন্ডারগ্রাউন্ড ট্রেন) ব্যবহার করা যায়, কারন ডে-ট্রাভেল কার্ড এমনিতেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পরিণয়

লিখেছেন সেলিম আনোয়ার, ২৪ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:১০


আদরণীয়, কোথায় দিলে ডুব?
পানকৌড়ি যেমন অন্ন অন্বেষণে—
সরোবরজল তলে
তুমিও কী ঠিক তেমন কারণে?
চোখের আড়ালে থেকে রহিলে নিশ্চুপ…
বলো কোথায় দিলে ডুব?

চলছিলো ভালই প্রিয়ংবদা বলছিলে মধুকথা
কাটছিলো সময় মধুময়
গাড়ি চালনায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×