somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গল্পঃ আনওয়ান্টেড লেটার

২৭ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজকে অফিসে আসতে মোটেই ইচ্ছে করছিলো না । আজকে আমার মন খারাপের একটা দিন । আমি জানি আজকে অফিস গেলেই মন খারাপের সেই সংবাদটা শুনতে পাবো । বুকের ভেতরে একটা তীব্র কষ্ট হবে । তার চেয়ে বরং আজকে পথে পথে ঘুরে বেড়াই কিছু সময়। নিঃসঙ্গ এই জীবনে একা একা হাটাহাটি করাই বরং ভাল ।

আচ্ছা শেষ বারের মত সুপ্রিয়ার মুখটা কি দেখতে যাবো ? অফিস থেকে ওর বাসার ঠিকানা বের করা খুব একটা কষ্ট হবে না নিশ্চয়ই । কিংবা এতো সময় অফিসে সবার কাছে খবর পৌছে গেছে । কেউ কেউ হয়তো ওকে দেখার জন্য ওদের বাসার দিকে রওনা দিয়ে দিয়েছে ।
আমার কি যাওয়া দরকার ?
নাহ ! আমার মৃত্যু দেখতে ভাল লাগে না । যদিও এই মৃত্যুর ছাঁয়া আমাকে কখনও ছাড়ে না তবুও আমার মৃত্যুর কাছে যেতে ইচ্ছে করে না । এর চেয়ে বরং কালকে প্রথমবার এবং শেষ বারের মত কথা বলা নিয়ে কিছুটা সময় চিন্তা করা যাক । মেয়েটা নিশ্চয়ই খুব অবাক হয়েছিলো ।

সুপ্রিয়ার সাথে আমি কাজ করছি বছর খানেকের উপরে । প্রতিদিনই ওকে আমি দেখি । মাঝে মাঝে ওর সাথে চোখাচোখি হয় কিন্তু কোন দিন কথা হয় নি । অফিসে অবশ্য মানুষজন আমাকে ঠিক পছন্দ করে না । আমিও তাদের সাথে ঠিক মেলামেশা করি না । করতে পছন্দ করি না । আমি জানি আমার সাথে চিন পরিচয় হলেই হয়তো তাদের নামের চিঠি একদিন আমার হাতে এসে পৌছাবে । হয়তো সেটা তাদের ভাগ্যে লেখা ছিল কিন্তু আমার কষ্ট হবে । এই জন্য যত কম মানুষ জানবে ততই আমার জন্য ভাল ।

কিন্তু গতদিন যখন সুপ্রিয়ার ছবিওয়ালা চিঠিটা এসে পৌছালো তখনই আমি অনুভব করলাম মেয়েটাকে আমি অসম্ভব পছন্দ করি । অনুভব করলাম আমার আসলেই কষ্ট হচ্ছে মেয়েটার জন্য । বারবার কথা বলতে ইচ্ছে করছে । অফিস এসে বারবার সুপ্রিয়ার দিকে তাকাতে লাগলাম । আমার ডেস্ক থেকে মেয়েটার ডেস্কটা বেশ ভাল ভাবেই দেখা যায় । তারপর আর থাকতে না পেরে লাঞ্চ আওয়ারে আমি নিজেই এগিয়ে গেলাম ওর ডেস্কের দিকে ।

আমাকে সামনে দেখে স্বাভাবিক ভাবেই সুপ্রিয়া বেশ অবাক হল । তারপর আমি যা বললাম তা শুনে আরও বেশি অবাক হয়ে গেল । অন্তত আমার কাছ থেকে ও এমন কোন প্রস্তাব আশা করে নি । বিস্ময় নিয়ে সে রাজি হয়ে গেল । পুরো লাঞ্চ আওয়ারটা আমি কেবল ওর দিকেই তাকিয়ে রইলাম । ও কথা বলেই চলল । আমি ওর সাথে লাঞ্চ করতে চেয়েছি এটা ও একটু অবাক হয়েছে । বেশ কিছুটা খুশিও হয়েছে । আমি কেবলই তাকিয়ে ছিলাম । আমার খুব মন খারাপ লাগছিলো । কিন্তু ওকে তো আর বলতে পারছিলাম যে ওর সাথে কি হতে চলেছে ।
উপরওয়ালার কাছে বারবার কেবল প্রার্থনা করতে লাগলাম যে এইবারের এই চিঠিটা যেন মিথ্যা বার্তা দেয় ।
কিন্তু আমি জানি এ রকম হবে না । আজকেই সুপ্রিয়ার এই দুনিয়াতে শেষ দিন ! কালকের সূর্য ওঠার আগেই ও যে কোন ভাবে মারা যাবে । তবে আমার পাওয়া ছবি অনুযায়ী সেটা হবে কোন দুর্ঘটনা । মুখের একটা দিকে রক্তে ভেসে যাবে । চুল গুলো ডান লেপ্টে থাকবে রক্তে।


আমি অফিস বিল্ডিংয়ের সামনে এসে চুপ করে দাড়িয়ে রইলাম । আজকে যেন পা আমার সামনে এগিয়ে যাচ্ছে না । ঠিক তখনই কেউ একজন আমার কাধে এসে মৃদু ধাক্কা মারলো । আমি মিষ্টি একটা পরিচিত সুগন্ধ পেলাম । ডান দিকে তাকাতেই তীব্র একটা বিস্ময় অনুভব করলাম । সুপ্রিয়া দাড়িয়ে আছে হাসি মুখে ।

আমি কোন কথাই বলতে পারলাম না কিছু সময় । আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রন করতে পারলাম না । কি যে আমি আনন্দে ওকে জড়িয়ে ধরলাম । বেশ কিছুটা সময় আমার ধাতস্থ হতে সময় লাগলো । ওকে ছেড়ে দিয়ে সরি বলতে লাগলাম বেশ কয়েকবার । চারিপাশে তাকিয়ে দেখলাম যে আশে পাশে কেউ ছিল না ।

সুপ্রিয়া নিজেও খানিকটা অবাক হয়ে গিয়েছিলো । বিশেষ করে ওকে এখানে এভাবে দেখে আমি এরকম কেন করলাম ।
সুপ্রিয়া বলল
-আবিদ সাহেব, আপনি কি ঠিক আছেন ?
-হ্যা আমি ঠিক আছি । আসলে আমি খুবই সরি খুব ! আপনি কিছু মনে করবেন না ।
-আচ্ছা ঠিক আছে । সেটা না হয় না করলাম কিন্তু আপনি কি ব্যাখ্যা করবেন আপনার আচরনের ! নিশ্চয়ই কোন কারন আছে ? আছে না? দেখুন কাল থেকেই আমার কেন জানি মনে হচ্ছে আপনি কিছু যেন আমার কাছ থেকে লুকাচ্ছেন !

আমি কিছুটা সময় চুপ করে তাকিয়ে রইলাম ওর দিকে । তারপর বললাম
-আসলে আমি যা বলবো তা আপনার বিশ্বাস হবে না ।
-ট্রাই করে দেখেন । বিশ্বাস হতেও পারে !

আমি এই কথাটা এতোদিন কাউকে কোন দিন বলি নি । এটা সম্পূর্ন আমার নিজের ভেতরেই রেখেছি । কারন এমন একটা মানুষকে বললে মানুষ আমাকে পাগল ভাববে । কি দরকার বলার ! কিন্তু এখন কেন জানি মনে হল সুপ্রিয়াকে কথাটা বলা যায় ।

আমি বললাম
-আমি আপনাকে বলতে পারি । তবে কথা দিতে হবে যে আপনি এই কথা গুলো কাউকে বলতে পারবেন না । ঠিক আছে ?
সুপ্রিয়া রাজি হল । আমি ওকে নিয়ে আর অফিসের দিকে গেলাম না । পাশের একটা রেস্টুরেন্ট বিল্ডিংয়ে গিয়ে হাজির হলাম । এখন অফিস আওয়ার হওয়ার কারনে রেস্টুরেন্ট বলতে গেলে একদম ফাঁকাই বলা চলে । একটা কোনার দিককার টেবিল গিয়ে বসলাম ।

সু্প্রিয়া বলল
-এবার বলুন আপনার এই অস্বাভাবিক আচরনের কারন কি ?
আমি তখনও ঠিক বুঝতে পারছি না ওকে কি বলবো । তারপর মনে হল ওকে কিছু বলার আগে আগে সেই চিঠিটা দেখাই । এই বলে ব্যাগের ভেতর থেকে সেই খাম টা বের করে দিলাম । সুপ্রিয়া কৌতুহল নিয়ে তাকালো আমার দিকে । আমি বললাম
-খুলে দেখুন !
খামটা খুলে একটা ফটোগ্রাফ বের হল । সেটার দিকে তাকিয়ে সুপ্রিয়ার চোখ বড় বড় হয়ে গেল কিছুটা সময় জন্য । তীব্র চোখে তাকিয়ে রইলো সেটার দিকে । তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বলল
-এসবের মানে কি ?
-আসলে এসবের মানে আমি নিজেও জানি না । আমার সাথে এসব কেন ঘটে সেটাও জানি না । কেবল ঘটে এটাই জানি ।

আমি আরও জোরে করে একটা দম নিলাম । তারপর বলা শুরু করলাম
-আমার কাছে মাঝে মাঝে এই খাম এসে হাজির হয় । এই খামে কোন প্রেরকের ঠিকানা থাকে না । কেবল আমার ঠিকানা থাকে । সেখানে কোন চিঠি থাকে না । কেবল একটা ছবি থাকে । আর অবশ্যই সেই ছবিটা আমার পরিচিত কারো হয়ে থাকে । ছবিতে তাদের কে বিভিন্ন অবস্থাতে দেখা যায় । ছবিতে তারা যে অবস্থাতে দেখা যায় সেই অবস্থাতেই তারা ....
-তারা কি ?
আমি খানিকটা ইতস্তত করে বললাম
-সেই অবস্থাতেই তারা মারা যায় ।
-মানে ?
-আপনার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে কিন্তু এটাই সত্যি । আমি যেদিন সকালে এই চিঠি পাই ঠিক তার পরদিনই ছবির মালিক মারা যায় । এবং এই ছবিতে যে অবস্থায় থাকে তার মৃত্যুটাও সেই ভাবেই হয় !
-আপনি আমার সাথে ইয়ার্কি মারছেন ?
আমি এবার গম্বীর কন্ঠে বললাম
-আমার দিকে তাকিয়ে কি আপনার মনে হচ্ছে আমি আপনার সাথে ঠাট্টা করছি ? বলেন মনে হচ্ছে ? আমি যদি ঠাট্টাই করতাম তাহলে আপনাকে দেখে এতো খুশি হলাম কেন ? আপনি হয়তো লক্ষ্য করেন আমার চোখে কি পরিমান আনন্দ ছিল আপনাকে দেখে !

সুপ্রিয়া আমার চোখের দিকে তাকিয়ে রইলো বেশ কিছু সময় । আমি বললাম
-আমি যখন একেবারে ছোট, ক্লাস সিক্সে পড়ি তখন প্রথম আমি এই এরকম একটা খাম পাই । আমার বাংলা ২য় পত্র বইয়ের মধ্যে কে বা কারা এই খাম রেখে এসেছে । আমার ঠিকানা লেখা । টিচিটা খুলে দেখি সেখানে আমার বড় মামা শান্ত ভাবে শুয়ে আছে । আমি তখনও ঠিক বুঝে ওঠার মত বয়স হয় নি কিন্তু ছবি দেখে আমার বুঝতে কষ্ট হয় নি যে বড় মামা মারা গেছেন । আমি কেন জানি ভয় পেয়ে গেলাম খুব । কাউকে কিছু বললাম না । ঠিক পরদিনই আমাদের বাসায় খবর এল যে বড় মামা খুব অসুস্থ । আমার আম্মু যেন তখনই রওনা দেয় । আম্মু আমাকে নিয়ে হাজির হলেন মামার বাসায় । ততক্ষনে মামা মারা গেছেন । আমি মামার ঘরে ঢুকে দেখি খাটের উপর মামা শান্ত ভাবে শুয়ে আছে । ঠিক ছবিতে মামাকে যেভাবে দেখেছি । আমি মামার চেহারা দেখে এতো ভয় পেলা যে অজ্ঞান হয়ে গেলাম । তারপর থেকেই শুরু । এভাবে পরিচিত সব মানুষ গুলোর যখনই মারা যাওয়ার সময় হয় ঠিক তার একদিন আগে আমার কাছে এমন একটা খাম এসে হাজির হয় ! আমি জানি এটা বিশ্বাস করার কোন কারন নেই কিন্তু এর থেকে সত্য কথা আমার জীবনে আর কিছু নেই ।

সুপ্রিয়া বেশ কিছুটা সময় চুপ করে বসে রইলো । তারপর বলল
-কাল আপনার কাছে এই খাম এসে হাজির হয়েছে । এর অর্থ হচ্ছে আমার এখন মারা যাওয়ার কথা !
-হ্যা । এরকম টা গত ১৭ বছরে একবারও হয় নি । আমার কাছে কারো চিঠি এসেছে এবং সে মারা যায় নি সেটা হয় নি ।
-তারমানে আমি মারা যেতে পারি ?
-আমার মনে হচ্ছে না । কারন সময় টা ২৪ ঘন্টা । প্রতিবার হিসাব করে আমি দেখেছি । গতকাল সকাল ছয়টায় এই চিঠি আমার কাছে এসেছে । সেই হিসাবে আপনার সকাল ছয়টার আগে মারা যাওয়ার কথা ছিল কিন্তু দেখতেই পাচ্ছি আপনি মারা যান নি ।
-এর মানে কি ? আপনি ......

আমি মাথা নাড়ালাম । এমনটা হয় নি কোন দিন । কোন দিন হতে পারে না । এতো গুলো বছর আমার সাথে যা ঘটে চলেছে সেটা কি তাহলে সত্যি সত্যিই শেষ হতে চলেছে । আমি বললাম
-যাক ! সত্যিই যদি এটা আমার সাথে আর ঘটে তাহলে আমি সত্যিই এই অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে যাই ।
সুপ্রিয়া বলল
-আমার এখনও ঠিক বিশ্বাস হচ্ছে না । তবে আপনাকে আমি অবিশ্বাসও করছি না । এই জন্যই কি আপনি মানুষের সাথে কম মিশেন ? --হ্যা ।
-আচ্ছা এখন বুঝতে পারছেন তো ? আর এসব সত্য হবে না ।
-হুম । তাই মনে হচ্ছে ।
আমি হাসলাম । সুপ্রিয়াও হাসলো ।

আমরা আরও বেশ কিছুটা সময় গল্প করলাম । আজকে সত্যিই ওর সাথে গল্প করতে খুব বেশি ভাল লাগছে । মনে হচ্ছে সারাটা দিন ওর সাথে এভাবেই কথা বলে কাটিয়ে দেই । কথা বলতে বলতেই বেশ খানিকটা সময় কেটে গেল । তারপরই আমার ফোনে ফোন এসে হাজির হল । আমাদের বসের ফোন । সে ফোন করে জানালো, সে জানে যে আমরা দুজনই আমাদের অফিসের সামনের রেস্টুরেন্টে বসে গল্প করছি । তবে সে এই জন্য আমাদের বকা দিবে না যদি এখনই আমরা ফিরে যাই ।
সুপ্রিয়াকে বলতেই ও হেসে ফেলল । তারপর বলল
-চলুন অফিস যাওয়া যাক । কি জানি এতো সময় অফিসে আমাদের নিয়ে কি গল্প শুরু হয়ে গেছে !
আমি খানিকটা হেসে বললাম
-আই এম গোয়িং টু ইনজয় দিস !
-ও রিয়েলী !

সুপ্রিয়া এমন ভাবে হাসলো আমার মনটা আনন্দে ভরে উঠলো । আমার পুরো জীবনের এতো দিন পরে আজকে কেন জানি আমার নিজেকে মুক্ত মনে হল । মনে হল আমার সাথে কোন প্রকার অভিশাপ লেগে নেই ।

আমরা দুজনই এক সাথে রেস্টুরেন্ট থেকে বের হলাম । অফিসে পা দিতেই আমার ফোনটা আবারও বেজে উঠলো । আবারও বসের ফোন । তিনি বললেন আমি যেন অফিসে আসার আগে একটু অফিস বিল্ডিংয়ের নিচ তলার ব্যাংক থেকে একটা চেক সংগ্রহ করে আনি ।

আমি সুপ্রিয়ার দিকে তাকিয়ে বললাম ও যেন আগে অফিসে চলে যায় । আমি আসছি একটু পরেই ।

আমি ওর দিকে তাকিয়ে একটু হাসি দিলাম । প্রতি উত্তরে ও একটু হাসি দিল । তারপর লিফ্টে উঠে গেল ।


আমি ব্যাংকের দরজার দিকে এগিয়ে যেতেই একটা তীব্র আওয়াজ শুনতে পেলাম । পেছনে তাকাতেই তীব্র বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে দেখলাম লিফটের দরজাটা ভেঙ্গে গেছে । সেখান থেকে আগুনের একটা ফুলকি দেখা যাচ্ছে । লিফটের তার ছিড়ে পড়েছে ।

আমি তাকিয়ে রইলাম । আমার পা যেন জমে গেছে । একটু দেরি হলেও চিঠির ভবিষ্যৎবানী সত্য হয়েছে ।




স্টোরি প্রোম্ট থেকে আইডিয়া প্রাপ্ত
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মে, ২০১৯ রাত ১২:০৫
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

টুকরো টুকরো সাদা মিথ্যা- ৯৮

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:১৬




অনেক বছর আগের কথা।
কত বছর আগের কথা(?) তা আর আজ মনে নেই। তবে কোনো মানুষ'ই অতীতের কথা পুরোপুরি ভুলে যেতে পারে না। হুটহাট করে কিছুটা মনে পড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

@এপিটাফ

লিখেছেন , ১৭ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৮:১২

@এপিটাফ


সব মায়ার বাঁধন ছিন্ন করে কষ্টের ডিঙি বেয়ে সমুদ্দুর,
তোমার থেকে দূরে গিয়ে পরখ করবো মমত্ব কতদূর !

আজ নির্ঘুম রাত্রিতে পাহারা দেয় দীর্ঘশ্বাসের নোনাজল,
এই বুকের ভিটায় আদিম নৃত্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহনীয় রমণীয় প্যারিস (পর্ব ২)

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ১৭ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৮



১ম পর্বের লিঙ্কview this link


আমি আজ পর্যন্ত যতগুলো নগরী দেখেছি, তার মধ্যে প্যারিসকে মনে হয়েছে সবচেয়ে রুপবতী। সত্যিকারের প্রেমে পরার মতোই একটা নগরী। ভেবে দেখলাম, এতোটা সাদামাটা আর ম্যাড়মেড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাময়িক পোষ্ট

লিখেছেন জুন, ১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:১৭

সামুতে এখন ৩৯ জন ব্লগার। কতদিন, কতদিন পর এত লোকজন দেখে কি যে ভালোলাগছে বলার নয় :)

...বাকিটুকু পড়ুন

কিছুই পড়েনা মনে আর , শালা !

লিখেছেন আহমেদ জী এস, ১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৬



কিছুই পড়েনা মনে আর , শালা !
একদিন যে, এই পথে হেটেছি অনেক,
দেখেছি কিছু ঘর-বাড়ী, বাগান-সড়ক,
ঝুলে থাকা বারান্দার গরাদে তিথীর ব্রা
কিছু কায়া , কিছু ছায়া সবই ছাড়া ছাড়া,
বেওয়ারিশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×