somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

অপু দ্যা গ্রেট
নিজেকে জানতে চাই,ছুটে চলেছি অজানার পথে,এ চলার শেষ নেই ।এক দিন ইকারাসের মত সূর্যের দিকে এগিয়ে যাব,ঝরা পাতার দিন শেষ হবে ,আর আমি নিঃশেষ হয়ে যাব ।

ব্লগারদের নামের ব্যবচ্ছেদ(২য় পর্ব)

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :






আবার চলে আসলাম ব্যবচ্ছেদ নিয়ে

যদি কারো নামের ব্যবচ্ছেদ করার ইচ্ছে থাকে তবে সে কমেন্ট এ জানাতে পারেন ।

গেম চেঞ্জারঃ ইনি সেই ব্যক্তি যার ধৈর্য কম । ছোট বেলা থেকে ই এনার এই অবস্থা । যদিও সবাই মিলে তাকে ধৈর্য দেয়ার চেস্টা চলছে ।মজার কথা হচ্ছে । ইনি এক কাজ এ বেশি দিন থাকেন না । আর গেম খেলা তার নেশা । কিন্ত এক গেম বেশি সময় ধরে খেলতে পারেন না । তার এভাবে বড় হওয়ায় অভ্যাস টা রয়ে গেছে । সব সময় চেঞ্জ এড় ঊপর থাকেন । এর প্রভাব তার প্রেম ভালবাস তেও পরছে । এখন পর্‍্যন্ত তার কোন গার্ল ফ্রেন্ড ঈ ঠিকে নাই । লাস্ট তার পৌনে ৩৫ নাম্বার গার্ল ফ্রেন্ড সাড়ে তিন ঘন্টা ঠিকেছে ।

কাল্পনিক ভালবাসাঃ ব্লগারদের মধ্যে ইনি একজন পরিচিত মুখ । কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে নামের সাথে ভালবাসা আছে কিন্তু জীবনে নাই । তাই কল্পনাতে ভালবাসা খুজিয়া বেরায় । সবাই কল্পনাতে সুপারম্যান হয় । কিন্তু এনি ভালবাসা করেন কল্পনাতে । একবার ভিঞ্চি দাদার মোনালিসার মত এনার কল্পনায়ও সত্য হইয়া যাইত যদি মেয়েটি বিবাহিত না হইত ।

নীলপরিঃ জ্বী ইনি মানুষ । পরি ভাবিয়া ভুল করিবেন না । কারণ পরিরা বগ্ল চালায় না । যাই হোক গোপন সংবাদ এই যে এনার পরিদের নাকি ভাল লাগে নাকি পরিদের এনাকে ভাল লাগে তা জানা না গেলেও নীল রং এর প্রতি এনার দুর্বলতা আছে । যদিও পরিদের নাকি সুন্দর ছেলে দেখলে উঠাইয়া নিয়া যায় । কিন্তু ছেলে উঠানোতে ইনি আজো সফল হন নাই ।

দিশেহারা রাজপুত্রঃ শোন যায় এক সময় নাকি এনার পূর্ব পুরুষ রাজ রাজাদের বংশ ছিল । কিন্তু বান্দর থেকে মানুষের বিবর্তন এর মত এনাদের বিবর্তন এ আজ রাজ্য নাই । কিন্তু অভ্যাস রয়ে গেছে । তিনি নিজেকে এখন ও রাজপুত্র মনে করেন । জানা গেছে ইনি নাকি পাবনার পাগলা গারদে ছিলে সাড়ে দু ঘন্টা । আর রাজকন্যা খুজে পাননি এখন ও তাই চারদিকে দিশেহারা হয়ে ঘুরে ফেরেন । সব শেষে তাকে নাকি গাইবান্ধা দেখা গিয়েছে ।

রূপক বিধৌত সাধুঃ এনার নামের মাঝে ই এনাকে খুঝে পাবেন । যদিও এইনি নিজেকে সাধু ভাবেন । কিন্তু আসলে ব্যাপার অন্য । ইনি নিজের বউয়ের কাছ থেকে এই উপাধি পেয়েছেন । এনার কাজ হচ্ছে প্রতি শুক্রবার বৌদি কে নিয়ে ঘুরে বেরানো । যদিও তিনি এই কাজ পছন্দ করেন না । তবুও করতে হয় । কারন এক সময় বাঘ থাকলেও বাঘও তার বউ কে ভয় পায় । যদিও এনার আনাগোনা আপাতত দেখাই যায় না । মনে হচ্ছে সংসার ধর্ম ত্যাগ করে সত্যিকার অর্থেই সাধু হয়ে যাচ্ছেন ।

সেলিম আনোয়ারঃ ইনি সামুর অন্যতম সিনিয়র ব্লগার । তবে ব্লগ ছাড়াও এনার অন্য পরিচয় আছে । আমাদের হাওয়া খবর অনুযায়ী ইনি সম্রাট আকবর এর বংশের কেউ । কারন নামের সাথে সেলিম যুক্ত থাকায় গবেষনায় উঠে এসেছে । আবার সূত্রমতে ইনিও নাকি আনারকলির প্রেমে মজেছেন । ইদানীং নাকি অনেক বিরহে আছেন সেই আনার কলির জন্য । তবে আনোয়ার নামটাও কিন্তু সেই নবাব সিরাজউদ্দৌলা থেকে এসেছে । কারন বাংলাদেশের প্রথম নবাবের চরিত্রটা আনোয়ার সাহেবের করা । তবে আপাতত তিনি আনার খাওয়াতে এবং গোলাপের কলি ফুটাতে ব্যবস্থা । মানে বাড়ির ছাদের বাগান আরকি ।

ধলা বিলাইঃ নাম শুনে তো বুঝতেই পারতেছেন ইনি কে। তবে তারও একটু বর্ননা না দিলেই নয় । কারন ইনিও সিনিওর । তবে পোস্ট করার চেয়ে পড়েন বেশি । আর নামের পিছনে আছে সুদীর্ঘ ইতিহাস । যতটুকু জানা যায় ইনি বিড়াল প্রিয় মানুষ । ওনার একটা ধলা মানে সাদা বিড়াল ছিল । কিন্তু বিড়ালটা অনেক দুষ্ট ছিল । সেই বিড়াল ছ্যাকা খেয়ে , তারপর টুথপেস্ট খেয়ে আত্মহত্যা করে বলে জানা যায় । তাই ব্লগে এসে স্মৃতি ধরে রাখার জন্যই এই নাম ।

রাজীব নুরঃ ভাববেন না ইনি মারিয়া নুরের ভাই । যদি ভেবে থাকেন তবে গেছেন । আর মারিয়া নুর কে ভেবে যদি এনাকে তেল মারেন তবে ধরে নিবেন পকেট খালাস । রেস্টুরেন্ট এর বিল দিতে দিতে জান চলে যাবে । মারিয়া নুরের দেখা পাবেন না । ইনি হচ্ছেন সেই বিখ্যাত বাংলা ছবির ভিলেন রাজীব । নুর লাগিয়েছেন যাতে ব্যাপারটাতে নুরানী ভাব থাকে । তবে এই ব্লগারের লেখার শক্তি দেখলে আমার হিংসে হয় । আমি কেন লিখতে পারি না । ভাইজান আমিও লাইনে আছি । মারিয়া নুরের সাথে একটা সেলফি তুলাইয়া দেন । স্টারে কাচ্চি খাওয়াবো ।

হাসান মাহবুবঃ ইনি সামুর ব্লগারদের মধ্যে পরিচিত মুখ । অনেক গুলো বই লেখা হয়ে গিয়েছে । তিনি সব সময় মানুষ কে হাসান মানে হাসাতে পারেন । তাই নামের শুরুতেই দিয়েছেন হাসান । তবে তিনি নিজে কম হাসেন । এর কারন খুজে গিয়ে উনার মেহেবুবার খবর পাওয়া গিয়েছে । যদিও এটা গোপব খবর । সেই মেহেবুবা এখন কোথায় আছে তা আমাদের ভুয়া খবর জার্নালিস্টরা বের করতে পারেনি । সেই মেহেবুবার স্মৃতি হিসেবে মাহাবুব চলে এসছে ।


আর্কিওপটেরিক্সঃ আমাদের প্রোগ্রামার । ইনি সামুতে প্রোগামার হিসেবে পরিচিত হলেও ওনি আপাতত অন্য কাজে নিজেকে মনোনিবেশ করেছেন । এখন প্রোগ্রাম রেখে কবিতায় মনোযোগ দিচ্ছেন । ওনার নাম থেকে যতদূর জানা যায় ইনি ঐতিহাসিক রেক্স মানে ডাইনোসোর রেক্স এর ডিএনএ নাকি পাওয়া গিয়েছে তার শরীরে । কিভাবে এসেছে তা আজও বিজ্ঞানের জন্য রহস্য । তবে প্রোগ্রামার শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত প্রেমে মজেছেন । এখন প্রোগ্রামিং বাদ দিয়ে কবিতা লেখেন ।


ক্লে ডলঃ যত দূর জানা যায় ডল ওনার খুব প্রিয় । ছোট বেলা থেকেই পুতুলের প্রতি এটা ভালবাসা আছে । ওনার প্রিয় ছবি হচ্ছে এনাবেল । যেটা হরর মুভি হিসেবে বিখ্যাত । তবে আপাতত এখনো জানা যায়নি ইনি এত ডল দিয়ে আসলে কি করেন । তার বাসায় পান্ডা থেকে ষান্ডা থুক্কু পান্ডা থেকে হাতি , বাঘ থেকে হরিন সব ধরনের পতুলের দেখা পাওয়া যায় ।

আহমেদ জী এসঃ কি বলব ভাবতেছি । এনারে নিয়ে কি লিখব । সব দিক থেকে দক্ষ । তবে গবেষনাতে বেশি দক্ষ আমার মনে হয় । নামের শেষে জীএস আছে দেখে ভাইবেন না কোন কলেজের জিএস হিসেবে ছিল । উনি আসলে জিএস ছিলেন চির কুমার সংঘের । তবে উনি রেলমন্ত্রীর মতো ছিলেন কি না জানা যায়নি । গোপন সংবাদ হচ্ছে, বিবাহের পর নাকি তিনি এখনো ভাবি কে নিয়ে কষ্টের মধ্যে আছেন । মানে বন্দি জীবন । তাই মহাপুরুষ অপুর পরামর্শে তিনি আপাতত মৌন ব্রত পালন করছেন । যদি আগে বুঝতেন তবে বিবাহ নামক জিনিশ থেকে দূরে থাকতেন ।


নীল আকাশঃ আকাশ তো নীল আমরা সবাই জানি । তবে এনার আকাশ সব সময় নীল থাকে । বেদানার মত লাল সরি । বেদনার রং তো নীল । তবে এই বেদনা কিসের বেদনা তা জানা যায়নি । তবে মনে হচ্ছে বিয়ে করে ফেসে গেছেন । তাই নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা খুজে বেড়ান । তবে ভাবী ওনার মনে হয় চাপের উপর রাখেন । তাই গল্প শুধু বেদনা বের হয় । তবে আমরা আশা রাখি উনি আমাদের জন্য হাসির গল্প লিখবেন । আর ভাবি ওনাকে আলু পেয়াজ থেকে মুক্তি দিবেন ।


সাঞ্জি স্রেঃ এই নামের কি কারন তা আমরা অনেক কষ্ট করে উদ্ধার করেছি । উদ্ধার করতে যেয়ে আমার মাথার ইলেক্ট্রন নিউট্রেন চলে গিয়েছে । পরে এইচ২ও তে ঠান্ডা করতে হয়েছে । মানে হলো পেটপূর্তি করতে হয়েছে ধানমন্ডিতে । এতে অনেক খরচ হয়েছে সেটা খুব শীঘ্রই পেইড করে দিবেন । যাই হোক নামের ব্যাপারে বলি ওনার এক প্রেমিকা ছিল সানজানা । সেই প্রেমিকা তাহাকে পৌনে ছাব্বিশ বার ছ্যাকা দেয়ার পর সামু তে এই নামে কবিতা লিখে সময় পার করছেন । তার কবিতায় দেখবেন দুঃখ বস্তায় বস্তায় ঝরে পরে । তাই মহাপুরুষ অপু তার জন্য বানী দিয়েছেন, " বৎস জীবনে অনেক কিছুই পাইবা, তবে সামু পাইবা না । সামু কেই প্রেমিকা বানাও । সুখি হও । "


আখেনাটেনঃ মিশরের রাজা । আপাতত তিলের খাজার ব্যবসা ধরেছেন । শুনেছি ব্যবসা নাকি ভালই চলছে । কিন্তু সামুতে ট্রিট এখনো দেননি । ওনার বেশির ভাগ ক্রেতাই এই সামুর কিন্তু তিনি রাজা নামে খাজার ব্যবসা করছেন বলে অনেকেই অস্বন্তুষ্ট । তবে এতে এনার কোন মাথা ব্যাথা নেই । কারন অর্থ পরম ধর্ম । টাকা পয়সা থাকলে সব আছে । মিশরে রাজত্ব করা রাজার আজ এই হাল কেন হলো জানতে চোখ রাখুন আমাদের ভাঙ্গা টিভি তে । আসছি একটা ব্রেকের পর ।


জুনঃ জুন নামের পিছনে বিস্তর এক কাহিনী আছে । সে সব বলতে গেলে অনেক সময় ব্যয় হবে । তবে সংক্ষেপে যদি বলি তবে সেটা হচ্ছে জন্ম জুন মাসে । এই মাস নাকি তার পরিবারের জন্য অনেক লাকি । তার দাদার দাদার দাদার ....... চলবে । এই মাসেই নাকি প্রথম প্রেম পরেছিলেন । সবার বিয়ে নাকি ঠিক এই মাসেই হয় । কেউ এই মাসে বিয়ে করতে না চাইলে জোর করে বিয়ে দেয়া হয় । যাইহোক আপাতত, তার নাম জনু হয়েছে এই মাসেই তিনি সামুতে পদার্পন করেন ।


বিঃদ্রঃ এই পোস্ট সিরিয়াস কিছুই নয় ।


ব্লগারদের নামের ব্যবচ্ছেদ - ১ম পর্ব
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৪৭
৩৯টি মন্তব্য ৩৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাঞ্জাবিস্তান

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৪০

পাকিস্তা/নের পাঞ্জাবিরা হলো পাকি/স্তানের বাকি সব জাতিসত্তার মানুষদের জন্য অভিশাপ। এদের জাত্যভিমানের কারনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগন স্বাধীনতার ডাক দিতে বাধ্য হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের প্রদেশগুলো যেরকম অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?
যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত, যে বাংলাদেশ রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হয়েছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু... ...বাকিটুকু পড়ুন

এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৪১



পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট

সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ হতো হায়দ্রাবাদ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫

।।হায়দারাবাদের নিজাম।।


১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×