ছাইয়ের কথায় মনে হলো সিগারেটের ছাই। অফিস নো স্মোকিং জোন। তিন তলা থেকে নিচে নেমে খেতে হয়। অবশেষে একটা উপায় বের হলো। আমরা চেন স্মোকাররা একটু ঝুকি নিয়েই আমাদের কনফারেনস রুমের দরজাটা খুলে রেখে ওখানে বসে ধোয়া উগড়াই। জায়গাটা ব্যবহার করে কন্ট্রিবিউটাররা। বিভিন্ন পাতায় এরা পয়সার বিনিময়ে লেখে। এবং খুব বেশিদিন হয়নি পয়সা পাচ্ছে। মানে যায়যায়দিন কতর্ৃপক্ষ তাদের বিল দিচ্ছিল না অনেকদিন। সেজন্য দারুণ এক প্রতিবাদি পোস্ট দিয়েছিল ওরা। ট্রাজিক কমেডি টাইপ পোস্টার। কাজ হয়েছে।
মনে পড়ে গেল প্রথম আলোর দিনগুলো। ওখানে অনেক কন্ট্রিবিউটারই এখানে রীতিমতো পাতা চালাচ্ছে। ট্যালেন্টেড সব ছেলে-মেয়ে, যোগ্যতা দিয়েই এসেছে। মনে পড়ছে যখন স্টেডিয়াম পাতাটা চালাতাম, এদের ধরাধরি। ভাইয়া একটা অ্যাসাইনমেন্ট দেন। তো আমাদের বস উৎপল শুভ্র বেশ শুদ্ধতাবাদী। উনি বাইরের লোকের লেখা পছন্দ করেন না। তাই যাদের দিতাম লিখতে, সেটা রিরাইটই করতে হতো আমাদের স্টাইলের সঙ্গে। কন্ট্রিবিউটার লিখেই খালাস। জান যায় সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় সম্পাদকের। তবে অনেক ভালো এবং দুর্দান্ত ছেলেমেয়ে আমার চোখে পড়েছে। এদের লেখার স্টাইল আমি আগ্রহ নিয়েই দেখি। উন্নতি হচ্ছে, এবং অনেক ভালো লেখক কন্ট্রিবিউট করছে। মাঝে হাবিজাবি অনেক আউলফাউল যা তা লিখে টাকা নিয়ে যেত। ক্রেডিট নিত তার এডিটেড কপির। অনেক আছে এমন যারা বুক ফুলিয়ে বলে, দেখ এটা আমার লেখা। সে ক্ষেত্রে (যদি তার লেখনী নিয়ে সন্দেহ থাকে) মূল কপিটা দেখতে চাইবেন
। তখন দেখবেন কী লিখেছে কী ছেপেছে।
যাক আজ বৃষ্টি ভেজা দিনটা উপভোগ্য হয়নি মোটেই। দু'বার অ্যাক্সিডেন্ট করেছি। মগবাজার ক্রসিংটা পেরুতেই এক সিএনজি দিল চাপিয়ে। আমি বাইক বাঁচাতে পুরা চিতে পটাংতে ধা। স্লিপি হাইওয়ে, ব্রেক করলেই কাইত। নেমে মারতে গেলাম। সে দেখি শিকের মধ্যে থেকে হাসে। সামনে র প্লাস্টিকটা দিলাম ভেঙে। সেখান দিযেই গলা বের করে এক চড়। তারপরও গলাবাজি, জরিমানা দেন। আমি কই আয় শালা আমার পিছে, তরে জরিমানা দিমু।
এরপর সাত রাস্তার বাঁক ঘুরে বাজারের মুখেই আবার। এবার রিক্সা। এবার আমার রিয়ার ভিউ মিরর গেল একটা। আবার মার। এইবার সিনেমার হিরো এল কয়েকজন। মানে দোষ আমার। রিক্সা ওয়ালারা কী মানুষ না? আমি কই না, সব মাদারচোত (যারা গাড়ি চালান, তারা জানেন)। এইখানে একটা ভয় কাজ করছে, যদি দূর্বলতা দেখে পাইয়া বসবে। তাই আমিও গলা ছাড়ি। পরে কয়েকজন তরুণ আইসা বলে যান গা ভাই। আমি তো যাই না। যেই ব্যাটা বলছে মিয়া ঠিক মতো চালাইতে পারেন না, তারে কইলাম মামু পিছে ওঠো। তোমারে লইয়া এই তেজগায় একটা চক্কর মারি। তারপর যদি তুমি রিকশাওয়ালাগো একটা গাইল না পারো তোমার জুতা আমার গাল। হাইসা দিল ব্যাডা। কয় মামু চা খাইয়া যান। আমি কই অফিস আছে।
পায়ে ভালোই ব্যাথা করতাছে। বাল হালায় বৃষ্টির দিনে আর বাইক চালামু না। আর রিক্সারে সাইড দিমু, ওগো ওভারটেক করুম না। আজকের দিনের রেজুউলিশন (কালকে ভুইলাও যাইতে পারি, কওয়া যায় না
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


