দিরান ভাই ডুবলেন। যেইদিন থিক্যা পলটিক্স করার সিদ্ধান্ত নিলেন, তার মাথামুথা পুরাডাই আউলা। প্রতিদিন যত পত্রিকা বাইরায় সব পড়েন। নিজে পড়েন না। ছক্কু পইড়া দ্যায়। চশমা পড়া টিংটিংয়া। ভুলেও যদি হাইসা লায়, তাইলে খবর। দিরান ভাইরে বুঝাইয়া দিতে হইব সে ক্যান হাসল। ছক্কুর ক্যান হাসি পাইল, তার ক্যান পাইল না। ছক্কু পুরা ফাপড়ে থাকে এহন।
বয়স হইছে দিরান ভাইর। এহন আর ফিল্ডে থাকার টাইম নাই। পুলাপাইনডি সব বেয়াদব। নিজের হাতে গড়ছেন। এহন তারে দ্যাখলে বিড়ি শুদ্ধা হাত কপালে নিয়া কুশল জিগায়। কইতেও পারেন না, সইতেও না। তো দিরান ভাই ঠিক করছেন আগামী ৫ বছরের মাথায় ইলেকশন করবেন। তার আগে পলটিক্স বুঝতে হইব। এখন ছক্কু তারে বুঝাইছে পুরা ব্যাপারটা সমাজসেবা। পাবলিকের দিলে পৌছতে হইব।
-ভাই ব্যাপারডা একদম সিম্পল। পাবলিকরে ভাও করবেন। হ্যারা আপনের কথায় নাচব। ম্যানেজ করা দিয়া কথা।
-তাইলে কী করতে হইব?
-কারেন্ট ইস্যু নিয়া মাথা ঘামান ভাই। কারেন্ট ইস্যু।
-হ ঠিকোই। কারেন তো থাকেই না হালায়। যখন তখন যায়। সেইদিন 'কাহানি ঘর ঘর কি' দ্যাহার সময় গেলো গা। এমন বিলা হইছিল মিজাজ। তর ভাবিতো পারলে...
-হেইডা না। মানে কারেন ও একটা ইস্যু। আমি কইতাছি অন্য কথা। এই যেমন ধরেন এহন শীত। বিভিন্ন জায়গার মানুষ কষ্ট পাইতাছে। এখন কম্বল, কাথা, সোয়েটার জ্যাকেট নিয়া জায়গায় জায়গায় শীত বস্ত্র বিতরণের সময়। গতবার তো ক্ষমতা আছিল, তাই নেত্রীরা মাঝরাইতে টিভি ক্যামেরা নিয়া কমলাপুরে পাবলিকরে ঘুম ভাঙাইয়া কম্বল দিছে। এখন সেই সিস্টেম নাই। মানে ক্যামেরা হুকুম দিলে নাও যাইতারে।
-প্যানপ্যানানি রাখ। ঘটনায় আয়। আগে ব্যাপারটা বুঝতে হইব। (চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।







