হিমু গান গায়। অর্কুটের সব বালিকা সেটা জানে। জানতাম আমরাও, কিছু বালকও। শুরুতে ম্যাসেঞ্জারে লিঙ্ক দিয়ে দিত। ওর খাইস্টা কৌতুক ও জার্মান-স্প্যানিশ ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্সের পাশাপাশি। শুনতাম। কিন্তু কতটা ভালো গায় তার একটা জীবন্ত প্রদর্শনী হয়ে গ্যালো। আক্ষরিক অর্থেই লাইভ। কালপুরুষের ছাদে। রীতিমতো হারমনিয়াম সহযোগে। 'সখী চল না, জলসা ঘরে এবার যাই।... লিখে বোঝানো যাবে না। নিজের কানে শুনতে হবে। গাইলেন ভাবিও। ওনারও বেশ সুরেলা গলা। মাঝে হেড়ে গলায় আমিও।
আড্ডাটা আদায় করে নিয়েছিলেন শোমোচৌ। আমার পরশু থেকে আবারো অতীষ্ট জীবন। বেকার থাকা একদিক থেকে ভালো, আলসেমীতে সময় কেটে যায়। কিন্তু পেট তো বোঝেনা। তাই আবার নাম তুললাম খাতায়। সো বেকারত্বের শেষ দুদিনের প্রথম দিনটা স্মরণীয় করে রাখা আর কি। ২২ বছর পর দ্যাখা হওয়া বন্ধু পার্থকে নিয়ে বেরিয়েছিলাম। ও লন্ডন ফিরে যাবে পরশু। শহীদবাগে আমাদের পুরোনো বাসা। দুজন প্রতিবেশী ছিলাম। সেই বাগান এখন কংক্রিটের হয়ে গেছে। পুরনো পাড়া ফিরে দ্যাখা।
মাঝে বারডেমে সোমাকে ছিল মেরে এলাম দুজন। শুভ অপেক্ষা করছিলেন। আগেই কথা হয়ে ছিল। রাসেলের সঙ্গে পরিচিত হতে ব্যাগ্র খুব। দ্যাখা হলো। দুপুরে খাওয়া-দাওয়া একসঙ্গে। তারপর যথারীতি তার তাড়াহুড়োয় বাস ধরতে যাওয়ার পালা। আগের রাতেই কনফার্ম ছিল বনানীর এই আড্ডা। আগেই বলে দেওয়া ছিল। জামাল ভাস্কর-মৌসুম জুটি আগে থেকেই ছিল ওখানে। হিমু, আমি, শোহেইল ভাই, রাসেল ক্যাব নিয়ে যোগ দিলাম। ঠুনকো আসতে পারেনি মাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাওয়ায়। ধুসরকে ফোনে পাইনি। সুমন চৌধুরী যোগ দিলেন মুঠোফোনে। খিচুড়ি-মাংস (পাচক কালপুরুষ স্বয়ং) সহযোগে ভুড়ি ভোজন। তারপর গান। মাহফিল পুরা। হিমু থ্যাঙ্কস আ লট। থ্যাঙ্কস কালপুরুষ। স্মৃতিময় একটা সন্ধ্যা-রাতির জন্য।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।







