আহমদ ছফা তখন বাইচ্যা। তার একটা লেখা ছাপাইতে গিয়া বিপত্তিতে পড়ছিলেন সাজ্জাদ শরীফ। ছফা ভাইরে জিজ্ঞেস করা হইছিল তার নামের পর কি বাড়তি বিশেষণ লেখা হইব-- কবি, প্রাবন্ধিক বা এরকম কিছু। ছফা ভাইর উত্তর-- মনিষী লেখো। আমি একজন মনিষী। এরপর কি হইছিল সে এক ভিন্ন গল্প।
তয় তারে মনিষী মানতে আমার আপত্তি আছে। ইনফ্যাক্ট কেউ মনিষী হইতে পারে এইটা আমার বিশ্বাস আছিল না (অবশ্য মনিষী মানে কি তাও জানতাম না)। জানলাম সামহোয়ারে আইসা। ক্ষণজন্মা এক প্রতিভার দ্যাখা মিলছে। তার মতন মনিষী কালেভদ্রে জন্মায়। কালান্তরে বলাটাই উচিত। যুগেও না, প্রতি শতাব্দী কিংবা মিলেনিয়ামে।
যাই হোক। এই মনিষী আমার দিব্যচক্ষু খুইল্যা দিছেন। তার বাণী দিকে দিকে ছড়াইয়া দেওয়া পবিত্র কর্তব্য মানতাছি। বইমেলা শ্যাষ। বাংলাদেশেরটা শ্যাষ। কিন্তু আন্তর্জাতিকটা না। ওয়ার্ল্ড বুক ফেয়ারে তার বাণী বিপনন কইরা দিকে দিকে ছড়াইতে একটা বিশেষ সংকলন বাইর করছি। কপিরাইট আইনের মায়রে বাপ। পারলে ঠেকান
দোয়া কইরেন ভাই আমার জন্য, সংকলণটার জন্য আর আমগো মনিষীর জন্য
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


