এখন চলছে ডিজিটাল বাংলাদেশের জোয়ার। তাই আর অ্যানালগ থাকার সুযোগ নাই। কিন্তু বললেই তো আর ডিজিটাল হওয়া যায় না।
শুধু মুখে ডিজিটাল বাংলাদেশ বললেই হবে না। একটু সময় নিয়ে ভাবতে হবে। বিশিষ্ট আইটি প্রোফেশনালদের বক্তব্য শুনতে হবে। আবার বক্তব্য শুনতে বিদেশী বিশেজ্ঞগ্যদের দরকার নাই। তাঁরা তাদের দেশের আদলে সমাধানে দিবে। বাস্তবতা, প্রেক্ষাপট বিচার করে শুধু তাদের মডেল, অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশীয় উপযোগী এইটি কর্ম পরিকল্পনা করতে হবে। যেখানে থাকবে না কোন কেদায় দুরস্ত সরকারী কর্মকর্তা, সেকেলের কোন সচিব বা অনিভজ্ঞ কোন কর্তাব্যক্তি। চিত্রায়িত হবে ১০ বছর পর ডিজিটাল বাংলাদেশের রুপ।
আমাদের কল্পনা শক্তি বাড়াতে হবে। চিন্তা করতে হবে ১০ বছর পর সফল বাংলাদেশকে। সমন্বয় ঘটাতে হবে বাস্তবতা, অভিজ্ঞতা, কর্মপরিল্পনা। আর চালিয়ে যেতে হবে কাজ আর কাজ। হতাশ নয় আশার আলো রাখতে হবে। হতে হবে কর্মচাঞ্চলতা, যৌবনে উদ্দিপ্ত একজন কর্মী। আমাদেরকে যেনো কোন পিছুটান আর পেছনে ধরে রাখতে না পারে। মুখ থুবড়ে অ্যানালগে পরে থাকলে হবে না। শুধুই সামনে এগিয়ে যাওয়া। তাও হতে হবে যুগোপযোগী।
ডিজিটাল মানে সহজলভ্যতা, অটোমেশন, তড়িৎ খবর পোঁছানো, কমপিউটার নির্ভরতা ইত্যাদি ভাবনা। তাই বলে অটোমেশন বলে আমাদেরকে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকলে চলবে না। বরং অটোমেশন যতটা কাজ সহজ করেছে, তার পর থেকে আরও দ্বিগুণ গতিতে কাজ করতে হবে। (চলবে....)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


