এই বিক্ষিপ্ত মন যা চাইলো তাই লিখলাম ।
কি লিখবো তা মাথায় আসে না। এতো লেখার মাজে আমি কি নিয়ে বা কি বিষয় নিয়ে লিখবো? একবার চিন্তা করি রাজনীতি নিয়ে লিখবো। কিন্তু দেশের যা অবস্তা তাতে দেশের রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে লিখতে মন চায় না। আসলে মন চায় না তা না। বলতে পারেন চোদ্দ শিকের কথা যখন মনে পরে এবং অন্নদের অবস্তা দেখি তখন আর এই বিষয় নিয়ে লিখতে ইচ্ছা করে না।
আবার চিন্তা করি দেশ নিয়ে লিখবো। কিন্তু এখানেও সমস্যা। একবার মনে হয় দেশটা অনেক ভালো আছে। দেশের লোকজন অনেক সুখে শান্তিতে আছে অন্য যেকোনো সময়ের থেকে। দেশের প্রত্যেক মানুষের ঘরে বাহিরে সুখ আর শান্তি। আবার যখন দেখি রাস্তায় বের হলে সুস্ত শরীর নিয়ে আসতে পারব কিনা তা অনিশ্চিত তখন আবার মন বলে এর প্রতিবাদ করি। ভেঙে ফেলি সব অন্যায় অপরাদ।
কিন্তু এখানেও ভয়, যখন চিন্তা করি আমার মত দুর্বল লোকের পক্ষে তা সম্ভব না। তখন ঘরকুনো ব্যাঙ এর মত চুপটি মেরে নিজের চিন্তায় বেস্ত হয়ে গাপটি মেরে বসে থাকি। তখন আল্লাহর নাম জপতে থাকি। নিজে বাঁচলে বাপের না, এই নীতিকে বিশ্বাস করা শুরু করে দেই। বুজেনই তো জাতি হিসাবে একটা অপবাদ সবাই দেয়। তার তো কিছু হলেও আমার মাজে থাকবেই। হুজুকে বাঙ্গালীর কথা সবাই জানে।
আবার মাজে মাজে মনে হয় সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে লিখবো। কিন্তু সাম্প্রতিক বিষয়ে যা ঘটছে তা নিয়ে যে লিখবো তার জন্য বুকে সাহস আসে না, বুজতেই পারেন।
আবার বিদ্রোহ করতে মন চায় এই বর্ণ চোরা বাঙ্গালী সমাজের বিরুদ্দে। কিন্তু যখন দেখি এটাও আমার মত বেকুব বর্ণ চোরা সুবিদাবাদি বাঙ্গালীর পক্ষে সম্ভব না। তখন আমি আবার চুপ হয়ে যাই। তখন খুজি কিভাবে দোষটা অন্নের ঘাড়ে ফেলে আমি বেঁচে যেতে পারি। চেষ্টা করি যেন অন্নের ক্ষতি করে হলেও নিজে ভালো থাকার জন্য। কেন জানি মনে হয় এটাও আমাদের বাঙ্গালী সমাজের একটা বিরাট ঐতিহ্য। যা আমরা যুগ যুগ ধরে পালন করে আসছি।
সব কিছু ছেড়ে দূরে কথাও চলে যেতে ইচ্ছে করে কিন্তু পারি না যেতে। এটাও এই বাঙ্গালীর জাতির একটা বৈশিষ্ট্য কেন জানি আমার মনে হয়। এই জাতি কি আসলেই বদলাবে না? মানুষ হবে না?
এই বিজ্ঞানের যুগে পৃথিবীর লোকজন মঙ্গলে যাচ্ছে, আর আমরা বাঙ্গালিরা কোথায় যাচ্ছি তা কি কখনো একবার চিন্তা করে দেখেছি?
আমাদের পাশের দেশ ইন্ডিয়া কত দূর চলে গিয়েছে সকল দিক দিয়ে আর আমরা এখনো পরে আছি সেই কথার মাজে। আমরা সবার আগে থাকতে চাই কথাতে, কাজে না। আমরা জাতিগত ভাবে কাজের নামে ঠন ঠন সব সময়।
তবে এটা ঠিক আমরা জাতি হিসাবে বড়ই আভেগি।
আমাদের যেমন কারো গুণগান গাইতে সময় লাগে না।আবার তার চৌদ্দ গুষ্টি উদ্দার করতেও সময় লাগে না।
আসলে এই ভাবে চলতে পারে না একটা দেশ, কিছু একটা করা দরকার দেশটার জন্য। একটা পরিবর্তন দরকার এই দেশটার। সেটা সকল ক্ষেত্রে।
পরিবর্তন চাই, পরিবর্তন চাই। আর এটা একমাত্র সম্ভব এই দেশের যুব সমাজের ধারা।
কি লিখলাম জানি না আমি। মন চাইলো তাই লিখে ফেললাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




