সুরঞ্জিত এর উচ্চারণ শুনুন!
বুঝতে কষ্ট হবে না এটা কোন এলাকার প্রোডাক্ট। গাছ পরিচিত হয় ফলে। যদিও আমরা পাতা বা গায়ের আদল দেখে আঁচ করতে পারি, প্রমাণ হয় ফলে।
মাছ পরিচিত আকৃতিতে।
প্রানীদের চেনা যায় ডাক এ
আর ইন্ডিয়ান বাঙালি চেনা যায় উচ্চারণে।
আকাশ সংস্কৃতির খেদমতে এ কথা এখন সর্বজনবিদিত যে বাংলাদেশের মানুষ মানে এপার বাঙলার মানুষ এখন ওপার বাঙলাতো ভালোই হিন্দিও আয়ত্ত করে ফেলেছে। রাস্তাঘাটে এমনকি বাংলাদেশি চ্যানেলেও হিন্দিয়ানী ভাষার এমনই ব্যবহার-ক্যারিক্যাচার যে বোঝার উপায় নাই চ্যানেল কি দেশি না বিদেশী? অবশ্য ভারতকে অনেকে বিদেশী মনেও করেন না।....তাদের যুক্তিটা কি তা আমি জানি না তবে ফন্দিটা কি তা বোধয় আপনারা অনেকেই জানেন।
তো যা বলছিলাম...
সুরঞ্জিত নির্বাচনকে বলে নিব্বাচন। এটি বাংরাদেশের বাংলাএকাডেমি থেকে বিতাড়িত হয়েছে ১৯৩৬ সালে। কিন্তু আজ অবধি এই উচ্চারণরীতি (রেফ এর পরের বর্ণের উচ্চারণে দ্বিত্ব হবে, যেমন গর্জন=গর্জ্জন/ )
সুরঞ্জিতরা কেন এখনও ঐবাংলা থেকে ধারকরা বাঙলা ভাষায় কথা বলেন, কোন প্রীতিবোধ থেকে তার এই দ্বৈরথ তা বোধয় এপারের বাঙালি কম হলেও বুঝতে পারছেন....!
বিবেকবানদের জন্য আর কিছু বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। সুরঞ্জিতরা আদৌ মেইডইন..... কি না এটা তাদের উপর ছেড়ে দিলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

