সুমন চ্যাটার্জীর একটা গান আছে- 'কতটা পথ পেরোলে তবে পথিক বলা যায়?' আমার মনেও প্রশ্ন 'একজন ভিশনারী লীডারের জন্য আমাদের আর কতকাল অপেক্ষা করতে হবে?' কতখানি স্যাক্রিফাইস করলে এই জাতি একজন মাহাথির বা একজন ইন্দিরার মত দুরদর্শী নেতৃত্ব পাবে। ইদানীং সংস্কার বিরোধী একটা ফিভার সবার মধ্যে সংক্রমিত হয়েছে, অস্বীকার করবোনা, আমিও খানিকটা সংক্রমিত এই ফিভারে। কারণ দ্রব্যমুল্য নিয়ন্ত্রনে সরকারের সাফল্য শুন্য, বিদ্যুত পরিস্থিতি যে কোনও সময়ের তুলনায় অসহনীয়, দারিদ্র নাকি এই সরকারের আমলে ২০% বেড়েছে, সর্বোপোরি যে জন্যে এই সরকার মানুষের আস্থায় এসছিল সেটা হলো রাজনীতিতে একটা গুনগত পরিবর্তন আনতে তারা সক্ষম হবে, আদতে সেটা তো হয়ইনি, বরং একটা হয্বরল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আমার ধারনা সরকার আর রাজনৈতিক দলগুলো ক্রমশঃ একটা মুখোমুখি অবস্থানে চলে যাচ্ছে। ধন্য আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোকে- সংস্কার, সংস্কার বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেও তার কোনো প্রতিফলন তাদের আচরণে এখনও দেখা যায়নি। আমি আহত হয়েছিলাম পত্রিকায় দেখে- বিএনপি'র সংস্কারপন্থীরা নির্বাচন কমিশনের সাথে সংলাপের দিন তাদের যেসব সমর্থক ছাত্রদল ও যুবদল এর কর্মী পরিচয়ে ঐ এলাকায় সেদিন অবস্থান নিয়েছিল তারা সবাই নাকি ভাড়াটে পরিবহন শ্রমিক, কারখানার শ্রমিক! সেই পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি। এই নেতারা আবার নিজেদের সংস্কারপন্থী বলে পরিচয় দেন, এই লজ্জা কোথায় রাখি। আর বিএনপি'র দুই পক্ষের কাঁদা ছোঁড়াছুড়ি তো চলছেই। দুই দলের কেউই তাদের নেত্রীকে ছাড়া নির্বাচনে যাবেননা বলে ইতিমধ্যেই অঙ্গীকার করেছেন। প্রথমত যারা এই শপথ নিচ্ছেন তাদের মধ্যে কি এইটুকু আত্নবিশ্বাস নেই যে তারাও কেউ না কেউ এই দিশেহারা জাতিকে পথ দেখানোর যোগ্যতা রাখেন। দ্বিতীয়ত অন্তরীণ আমাদের প্রাক্তন দুই প্রধানমন্ত্রী হয়তো সরাসরি কোনও অন্যায়ে প্রতক্ষ্যভাবে জড়িত ছিলেননা, কিন্তু এ কথা তো স্বীকার করতে হবে যে তারা আমাদের কোনও ভিশান দিতে পারেননি, তারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অন্যায়কে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছেন। তাই যদি হয়ে থাকে তাহলে তারা অন্তত পুনরায় নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী হবার যোগ্যতা হারিয়েছেন। হতে পারে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বিধায় তাদের সাজা মওকুফ করে দেয়া যেতে পারে। আমাদের মতো সাধারন নাগরিকের যদি এই উপলব্ধি আসে, তাহলে বিদগ্ধ রাজনীতিকদের মধ্যে কেন এই চিন্তাটা আসছেনা, এটা আমার একটা প্রশ্ন। এর অর্থ একটাই হতে পারে যে তারা আসলে আবার পুরোনো প্রাক্টিসে ফিরে যেতে চান। সরকার আর রাজনৈতিক দলের দাবা খেলার কূটচালে পড়ে আমাদের যে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা এটা যেন কেউ আমলেই আনছেননা। আমার তো শঙ্কা হয় এই বিপর্যয়ের সুযোগে আবার আমরা না কারও কৃতদাস হয়ে যাই, যেমনটি হয়েছে ইরাকে। আল্লাহ্ আমাদের সহায় হউন। আমাদের আলোর পথ দেখান।
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।