somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নভোযান Challenger Shuttle এর জীবন চক্র.....সচিত্র

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

Challenger Shuttle এর জন্মের/তৈরী হচ্ছে Rockwell designe এ এবং NASA র তত্তাবধানে..


১৯৭৯ সালে NASA -Rockwell কে দায়িত্তদেয় Challenger Shuttle তৈরি করার জন্য ১৯৮২ সালের জুলাই মাসের টেস্ট ভার্সন তৈরী হয় Challenger নাম রাখা হয় বৃটিস জাহাজের অনুকরনে যা ১৮৭০ সালে আর্টলানটিক ও প্রসান্ত মহাসাগর পারি দিয়ে ছিল..নভোযান এপেলো-১৭ কে ও Challenger নাম রাখা হয়েছিল ..


প্রথম বারের মত Challenger ১৯৮৩ সালের এ্রপ্রিলের ৪ তারিখে লন্চিং পেডে যায়। এর তিন বছরের পর তার মৃত্য/ধ্বংশ হয়। এর মধ্য Challenger ৯বার মহাশূন্যে উরেছিল এবং ৬২ দিনের বেশী দিন মহাশূন্যে অবস্ঠান করেছিল..


১৯৮৩ এর জুন মাসে Challenger তার দ্বিতিয় যাত্রায় মহাশূন্যে পৃথীবিকে প্রদেক্ষিন করেছিল. ঐ সময়ে তার কারগো থেকে ২টি যোগাযোগ উপগ্রহ কক্ষপথে ছেড়েছিল..ঐ সময় Sally Ride প্রথম আমেরিকার মহিলা মহাশূন্যে ঘিয়েছিলান.. এর পরের যাত্রায় ১৯৮৩ সালের আগস্ট মাসে প্রথম কালো ব্যাক্তি মহাশূন্যে গিয়েছিলো..এরপর ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথম spacewalk করা হয়ে ছিলো..


নভো যাত্রী Christa McAuliffe দেখা যাছে zero gravity environment সাথে কিভাবে খাপখাওয়াবে.. সেই সময় ১১০০০ মধ্য থেকে এক মাত্র Christa McAuliffe কেই নভোযাত্রার জন্য সিলেক্ট করা হয়েছিলো...


যাত্রার আগে NASA-র ক্যামেরার সামনে শেষ ছবি তুল্লেন এ কয় জন দূর্ভাগা Challenger এর শেষ নভোযাত্রীরা..তারা হলেন (পিছনের লাইনে বাম থেকে ডানে) Ellison S. Onizuka, Sharon Christa McAuliffe, Gregory B. Jarvis, Judith A Resnik; এবং (সামনের লাইনে বাম থেকে ডানে) Michael J. Smith, Francis R. Scobee and Ronald E. McNair


শেষ যাত্রা ঐ দিন ১৯৮৬ সালের জানুয়ারি মাসের ২৮ তারিখে সারা বিশ্বের টেলিভিশনে লাইভ দেখনো হচ্ছিলো কিভাবে Challenger Liftoff করবে ..Challenger Liftoff করে স্থানীয় সময়ে 11:38 AM


Challenger Liftoff এর ৭৩ সেকেন্ডের মাথায় ... কিন্তু সব শেষ.. Challenger ফুটে/ধ্বংশ হয়ে লাল ও কমলা রং এর আগুনের গোলায় পরিনত হল আর সাদা ধোয়ে আকাশে ছড়িয়ে পরলো.Challenger burst into a red and orange fireball, sending white plumes across the sky.


সাহায্য হীন -নির্বাক সারা বিশ্ব ও NASA Flight Director Jay Greene .তিনি সব কিছু দেখছেন Mission Control in Houston. থেকে কিন্তু কিছুই করার নেই..সব শেষ..


জাতিয় শোক দিবস ঘোষনা করা হলো স্বয়ং প্রেসিডেন্ট রিগেন ও নির্বাক Nation Mourns -In his speech addressing the tragedy, President Reagan highlighted the heroism of the Challenger crew. "[They] honored us by the manner in which they lived their lives," he said. "We will never forget them, nor the last time we saw them, this morning, as they prepared for their journey and waved goodbye and 'slipped the surly bonds of earth' to 'touch the face of God.'


সাগরে উদ্ধার কাজ ...সাগরেরcoast of Cape Canaveral এলাকার ৪৮০ নিটিকেল মাইলে Challenger ধ্বংশাবশেষ ছড়িয়ে পরেছিলো..উদ্ধার কাজে Sonar, divers, remotely operated submersibles and manned submersibles এর যত রকম আধুনিক যন্ত্রপাতি ছিল সব ব্যাবহার করা হয়েছিলো..


তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিলো নাম দেওয়ে হয়েছিলো.. Rogers Commission, ছবিতে তদন্ত কমিটির কয়কজনকে দেখা যাচ্ছে..সেখান সদস্য ছিল নভোযাত্র্রী Neil Armstrong (সর্বো বামে, প্রথম সাড়ি) এবং নভোযাত্র্রী Sally Ride (ডান থেকে দ্বিতীয়, প্রথম সাড়ি). তদন্তে বাহির হয়ে আশে rocket boosters এর দূর্বল O-rings sealing a joint এর করণে দূর্ঘটনা হয়..


নভোযাত্রীদের স্বরনে করেতে NASA-য় এক কচের দেওয়াল আছে ..সেই কাচের দেওয়ালে সকল নভোযাত্রীদের নাম লিখা আছে, যাহারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নভোযাত্রায় মৃত্যু বরন করেছেন..
ছবিতে দেখা যাচ্ছে দূর্ঘটনার বছর পূর্তিতে এক শুভাকাংখি কাচের দেওয়ালের নাম স্পর্শ করে তা ব্যাথা নিবারনের চেস্টায়...


সূত্র: Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:১০
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোরআন কী পোড়ানো যায়!

লিখেছেন সায়েমুজজ্জামান, ২০ শে মে, ২০২৪ সকাল ১০:৩৮

আমি বেশ কয়েকজন আরবীভাষী সহপাঠি পেয়েছি । তাদের মধ্যে দু'এক জন আবার নাস্তিক। একজনের সাথে কোরআন নিয়ে কথা হয়েছিল। সে আমাকে জানালো, কোরআনে অনেক ভুল আছে। তাকে বললাম, দেখাও কোথায় কোথায় ভুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেঞ্চুরী’তম

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২০ শে মে, ২০২৪ সকাল ১১:১৪


লাকী দার ৫০তম জন্মদিনের লাল গোপালের শুভেচ্ছা

দক্ষিণা জানালাটা খুলে গেছে আজ
৫০তম বছর উকি ঝুকি, যাকে বলে
হাফ সেঞ্চুরি-হাফ সেঞ্চুরি;
রোজ বট ছায়া তলে বসে থাকতাম
আর ভিন্ন বাতাসের গন্ধ
নাকের এক স্বাদে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরানের প্রেসিডেন্ট কি ইসরায়েলি হামলার শিকার? নাকি এর পিছে অতৃপ্ত আত্মা?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ২০ শে মে, ২০২৪ সকাল ১১:৩৯


ইরানের প্রেসিডেন্ট হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে নিহত!?

বাঙালি মুমিনরা যেমন সারাদিন ইহুদিদের গালি দেয়, তাও আবার ইহুদির ফেসবুকে এসেই! ইসরায়েল আর।আমেরিকাকে হুমকি দেয়া ইরানের প্রেসিডেন্টও তেমন ৪৫+ বছরের পুরাতন আমেরিকান হেলিকপ্টারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভণ্ড মুসলমান

লিখেছেন এম ডি মুসা, ২০ শে মে, ২০২৪ দুপুর ১:২৬

ওরে মুসলিম ধর্ম তোমার টুপি পাঞ্জাবী মাথার মুকুট,
মনের ভেতর শয়তানি এক নিজের স্বার্থে চলে খুটখাট।
সবই যখন খোদার হুকুম শয়তানি করে কে?
খোদার উপর চাপিয়ে দিতেই খোদা কি-বলছে?

মানুষ ঠকিয়ে খোদার হুকুম শয়তানি... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোথাও ছিলো না কেউ ....

লিখেছেন আহমেদ জী এস, ২০ শে মে, ২০২৪ রাত ১০:১৯




কখনো কোথাও ছিলো না কেউ
না ছিলো উত্তরে, না দক্ষিনে
শুধু তুমি নক্ষত্র হয়ে ছিলে উর্দ্ধাকাশে।

আকাশে আর কোন নক্ষত্র ছিলো না
খাল-বিল-পুকুরে আকাশের ছবি ছিলো না
বাতাসে কারো গন্ধ ছিলোনা
ছিলোনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×