এই সেই জানোয়ার যাকে আমার নবম শ্রেণী পড়ুয়া বোনকে উত্তক্ত করার অপরাধে ধরে উত্তম মধ্যম ও নাকে খত দিয়েছিলাম। গতকাল পুলিশ তাকে এরেস্ট করেছে অন্য একটি মেয়ের একটি কান ও চারটি আঙ্গুল কেটে নেবার অপরাধে।
১৭ ই মে, ২০১২ সকাল ৯:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
ঘটনা আজ থেকে বছর চারেক আগের। এক বখাটে আমার ছোট বোনকে স্কুলে যাওয়া আসার পথে খুবই উত্তক্ত করত, এমনকি ওর পিছু পিছু আমাদের বাড়ির কাছাকাছি পর্যন্ত চলে আসত। আমি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ফাইনাল ইয়ারে ও আমার ভাই অনার্স থার্ড ইয়ারে পড়ে। আমি বাড়ি যাবার পর ঘটনা শুনে দুই ভাই মিলে সিদ্ধান্ত নেই কিছু একটা করতে হবে।আমরা প্রথমে বিষয়টি স্কুল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে আনি। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সমাধানে ব্যর্থ হয়। একদিন সন্ধ্যায় ওই বখাটে একজন সঙ্গী সহ আমাদের বাড়ির আশপাশে সাইকেল নিয়ে ঘুরঘুর করছিল। আমরা দুই ভাই মিলে তাদের দুইজনকে ধাওয়া দেই এবং ধরে একটি ঘরে দড়ি দিয়ে বেঁধে বেশ ভাল মত উত্তম মধ্যম দেই।এরপর তাদের বাবা মাকে খবর দেই। তারা তাদের এলাকার কিছু মুরব্বীদের নিয়ে এসে ওই ছেলেদের নাকে খত (আমাদের বাড়ি থেকে রাস্তা পর্যন্ত ঘাড় ধরে নাক মাটিতে চেপে টেনে হিচড়ে বের করে আনি) ও মুচলেকা দিয়ে তাদের ছেলেকে নিয়ে যায়।
এরপর সে আর আমাদের বোনের দিকে তাকানোর সাহস করে নি।
কিন্তু গতকাল সে দশম শ্রেণী পড়ুয়া অন্য একটি মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় একটি কান ও হাতের চারটি আঙ্গুল কেটে নিয়েছে। পুলিশ ইব্রাহিম নামের ওই বখাটেকে গ্রেপ্তার করেছে।
বিডিনিউজ২৪.কম এ সে খবর গতকাল রাত্রেই এসেছে। কিন্তু আমি অবাক হ্লাম দৈনিক প্রথমআলো কেন সংবাদটি এখনো প্রকাশ করে নি।
ঘটনা যে সত্য তাতে কোন সন্দেহ নেই। কারণ পত্রিকায় আসার আগেই আমার ছোট বোন ও আম্মা ফোন করে ঘটনাটি আমাকে জানিয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মে, ২০১২ সকাল ৯:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির...
...বাকিটুকু পড়ুনএসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে...
...বাকিটুকু পড়ুন