এই শব্দের অর্থ মানুষ সম্প্রদায় না বুঝলেও এর একটা পরিপূর্ণ অর্থ আছে। আসলে মানুষেরা সকল হাম্বা একই মনে করে, ওদের কাছে একটা হাম্বা থেকে আরেকটা হাম্বার মাঝে কোন পার্থক্য নাই। আজব এক প্রাণী এই "মানুষ"। এর থেকে কম বুদ্ধিসম্পন্ন প্রাণী আর আছে কি না গবেষণার বিষয়। গবেষণা অবশ্য চলছে। ড: ফার্নেস্টাইন (হাম্বা) এই বিষয় নিয়ে গত ৪২ মাস গবেষণা করছেন। তিনি এপর্যন্ত ২৩,৬৫১ প্রজাতির বিভিন্ন প্রণী নিয়ে নিবিড় গবেষণা করেছেন এবং এখন পর্যন্ত বুদ্ধিমত্তায় কেউ মানুষের নিচে আসে নি! বুদ্ধিমাত্তায় সবচেয়ে উপরে আছে "গাধা" সম্প্রদায় এবং তারপরই আমাদের এই "হাম্বা" সম্প্রদায়ের অবস্থান। আমরা প্রথম স্থান হারানোতে একটু কষ্টে আছি কিন্তু সত্য তো সত্যই, মেনে নিতেই হবে। মানুষের সবচেয়ে কাছাকাছি আছে "এলিয়েন" মানে ভিন গ্রহের প্রাণী। ড: ফার্নেস্টাইন (হাম্বা) বললেন, তিনি এই গবেষণায় মহাবিশ্বের সম্ভাব্য কোন প্রাণীই বাদ দিবেন না। এই জন্যে তিনি গতবছর ভিন গ্রহের এক প্রণীর সন্ধান ও প্রমান দিয়ে "ঘাসাম্বা" পুরস্কার জিতে নিয়েছেন। আমরা খুবই খুশি যে গাধা-সম্প্রদায়ের আগেই আমরা "এলিয়েন"দের সন্ধান পেয়েছি!
আমাদের বুদ্ধিমত্তা বেশি হওয়ার কারণে আমরা "মানুষ"-এর অদ্ভুত সব শব্দেরই অর্থ বুঝতে পারি। সকালে আমি হাম্বা...হাম্বা... করে দুটো শব্দ করার পর কি জানি কি বুঝে অথবা না বুঝে ওরা আমার আর আমার "ছাম্ফেদ"-এর জন্য সবুজ ঘাস দিয়ে গেছে। ওরা আমাকে ডাকে "মিঠু" আর ছাম্ফেদকে ডাকে "ঠিঠু" নামে। ঠিঠু নামটা কত সুন্দর আর আমার নামটা! মিঠু নামে কিছু মানুষেরও নাম আছে, এই নিয়ে আমার বন্ধুরা আমাকে কত টিজ করে! তবে ভালো, আমাদের যত্নের বেপারে ওরা বেশ সচেতন। আমাদের আন্তরিকতার সাথে অনেক যত্ন করে। ঘাস কেটে আনে আবার অনেক কিছু কিনেও নিয়ে আসে। ভয়ে হোক অথবা যে কারণেই হোক আমাদের সব কাজ ওরা বেশ সচেতনতার সাথেই করে। যেমন: যখন আমাদের শরীরে ফিজিক্যাল এক্সারসাইজের প্রয়োজন হয় তখন ওরা কত কষ্ট করে কাঠের একটা লাঙ্গল নিয়ে আমাদের সাথে মাঠে যায় আর আমাদের পিছন পিছন হেটে চলে।
(অসমাপ্ত)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


