আমরা মুক্তিযুদ্ব ও মুক্তিযোদ্বাদের নিয়ে গর্ব করে থাকি। কাথায় কথায়, কারনে-অকারনে এবং তর্কের টেবিলে মুক্তিযুদ্বকে সামনে নিয়ে আসি। সেই মুক্তিযুদ্বের কতিথ সোলএজেন্ট যারা, তাদের নেতারা কলকাতার হোটেলে বেশ আরামেই কাটিয়েছেন। আর মাঠে বন্দুক নিয়ে জীবনবাজি রেখে যুদ্ব করেছে শমসের মবিনের মত লোকেরা। আজ এই শমসের মবিনকে জেল থেকে ছেড়েও আবার জেলগইট থেকে কোন কারন ছাড়াই আটক, যেন সন্মানিত মুক্তিযোদ্বাদের সাথে ইদুঁর বিড়াল খেলা। পাঠকবৃন্দ, রাজনৈতিক মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু এ কোন মানষকিতা(!) হাসিনার, বিরুদ্ব মতের কাউকেই সহ্য করতে না পারা। এ কথা বলা অপ্রসঙ্গিক হবে না যে, হাসিনা ও তার পরিবারের সবাই মুক্তিযুদ্বের পুরো সময় পাকিদের আশ্রয়ে রাজারহালে দিন কটিয়েছেন।
আর আমার বাবা ফিল্ডে পাকিদের বিরুদ্বে যুদ্ব করেছেন যেমন করেছেন শমসের মবিনের মত লোকেরা। তাই আমরা মুক্তিযোদ্বাদের সন্মান করতে পারি হৃদয় থেকে। এই সন্মান দেখানোতে থাকেনা কোন স্বার্থ।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


