প্লিজ পোস্টটি একটু পড়ুন এবং আপনার মন্তব্য দিন।
দেশে বর্তমানে সরকারি ৫০টি পলিটেকনিক ও মনোটেকনিক ইনস্টিটিউট রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠান গুলোতে বর্তমানে দুই শিফটে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানো হয়। দুই শিফটে শিক্ষার্থী ভর্তির একটি প্রকল্প গ্রহন করা হয় ২০০১ সালে। এটি ছিল ১০ বছর মেয়াদের। আর তখনকার সময় সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয় আপাতত যে শিক্ষক রয়েছে তারাই ২য় শিফটের ক্লাশ নিবে। যার বিনিময়ে তাদের ১ম বছর মূল বেতন স্কেলের ৩০% সম্মানী দেওয়া হবে। পরবর্তী বছরে ১০% করে সম্মানী বৃদ্ধি করা হবে। এভাবে সবোর্চ্চ ৭০% সম্মানী তাদেরকে প্রদান করা হবে ২য় শিফটের পাঠদানের জন্য। এছাড়া ২য় শিফটের জন্য পর্যায়ক্রমে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।
সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক শিক্ষকেরা ২য় শিফট চালিয়ে নিলেও ১০ বছরেও শিক্ষকদের সম্মানী ৩০% থেকে বেড়ে ৩১%ও হয়নি। এমনকি ১ জন শিক্ষকও নিয়োগ দেওয়া হয়নি ২য় শিফটের ক্লাশ নেওয়ার জন্য। পলিটেকনিকের শিক্ষকেরা দেশ ও জাতির স্বার্থে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে বছরের পর বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করে (সকাল ৮ট থেকে সন্ধা ৭টা পর্যন্ত) চাকুরি করছেন। অথচ সরকার তার কমিটমেন্ট রক্ষা করেনি। উল্লেখ্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট গুলোতে বর্তমানে ৭০%শিক্ষকের পদ খালি। মাত্র ৩০% শিক্ষক দিয়ে চলছে পলিটেকনিক শিক্ষা ব্যবস্থা।
২য় শিফট নিয়ে চালু করা ১০ বছরের প্রকল্প ২০১০ সালের জুন মাসে শেষ হয়। এরপর সরকার আবার সিদ্ধান্ত নেয় ২য় শিফট চালু রাখার। শিক্ষকদের পক্ষ থেকে সরকারকে তাদের পূর্বের দওয়া আম্বাসগুলো স্মরন করে দেওয়া হয়। সরকার আবারও নতুন আশার বানী শুনিয়ে শিক্ষকদের ক্লাসে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু জুলাই ২০১০ থেকে বর্তমান পর্যন্ত ২য় শিফটের সম্মানী তারা পায়নি। কবে নাগাদ পাওয়া যাবে তারও ঠিক নেই। এভাবে আর কত দিন চলবে ২য় শিফট?
এবার আপনারা বলবেন কি-
২য় শিফটের সম্মানী বিহীন শিক্ষকেরা আর কত দিন ক্লাশ নিবে?
৩০% শিক্ষক দিয়ে কি মানসম্মত শিক্ষা পাওয়া সম্ভব?
এভাবে জোড়া তালি দিয়ে কি ডিজিটাল বাংলাদেশ হবে?
আরও কত সমস্যা এই সেক্টরে আছে তা অনেকেই জানেন না-
প্রকল্পভূক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা বেতন ভাতা পাচ্ছেন না ৫ মাস ধরে।
মাসে শেষে বেতনের নিশ্চয়তা নেই।
প্রকল্প শেষ হলেও চাকুরি রাজস্বখাতে স্থানান্তরের আশ্বাস দেওয়া হলেও তেমন কোন অগ্রগতি নেই।
তীব্র শিক্ষক সংকট নিরসনের কোন উদ্যোগ নেই।
শিক্ষকদের পদোন্নতির কোন সু নিদির্ষ্ট সময়সীমা নেই।
নতুন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের আবাসনের ব্যবস্থা নেই।
শুধু নেই নেই নেই.......................................
লেখাটি কষ্ট করে পড়ার জ্ন্য ধন্যবাদ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


