দেশে এমন কি ঘটলো যে সারা দেশ থেকে মানুষ এনে ঢাকায় মহাসমাবেশ করতে হবে? এমন কি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে যে দুই দলের এত বাড়াবাড়ি? দুই দলেরইতো প্রধান উদ্দেশ্য ক্ষমতায় যাওয়া। আর ক্ষমতায় গিয়ে লুটেপুটে খাওয়া। আজ মহাজোটকে অনেকেই আর ক্ষমতায় দেখতে চান না। বিগত জোট সরকারের আমলেও তো এই রকম চেঁচামেছি করা হয়েছে যে জোট সরকার হটাও। মূদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ পাশাপাশি থাকে কিন্তু কখনও একত্রিত হয় না। আমাদের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলেরওতো একই অবস্থা। আর কারণে অকারণে তুচ্ছ ঘটনাগুলোকে এমন এক পর্যায়ে উভয় দলই নিয়ে যাচ্ছে যে এর থেকে উত্তরনের আর কোন পথই খোলা থাকছে না। এর ভূক্তভোগী হবে আমাদের ভবিষ্যত বংশধর। আমরা তাদের জন্য কি রেখে যাচ্ছি?
স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছে। কে স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছেন তা আজও ঠিক হয়নি। আর এই সুযোগে কেউ কেউ বলছেন যে বাংলাদেশে কোন স্বাধীনতা যু্দ্ধই হয় নাই। আবার একদল আরেক দলের বিরুদ্ধে বলছেন তারা কোন যুদ্ধেই অংশগ্রহন করে নাই। সবই আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জ্বাজনক।
আগামী কালের (১২.৩.২০১২ ইং) মহা সমাবেশ নিয়ে মানুষের যে ভোগান্তি তার জন্য উভয়ই রাজনৈতিক দলই দায়ী। আমাদের রাজনীতি আমাদের অনেক কিছুই দিয়েছে, আবার অনেক কিছুই দিতে পারেনি। এই সবকিছুর মূলে আমরা নিজেরা কোন অংশে কম দায়ী নই। আমরা আমাদের অতীতকে অতি সহজেই ভুলে যাই। এখনও আমরা "তোমার প্রতীক্ষায় থাকবে বাংলাদেশ" শ্লোগান নিয়ে অপেক্ষায় থাকি কারো জন্য। দেশে কি আর কোন যোগ্য ব্যক্তি নেই? মূলত আমরাই অযোগ্য হয়ে গেছি।
আবারও বলি দেশে এমন কোন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় নাই যে সারাদেশ থেকে মানুষ এনে ঢাকায় মহাসমাবেশ করতে হবে? কিংবা সরকারকে হটাতে হবে। কারন আজ যারা সরকার হটাতে চায়, তারা ক্ষমতায় আসলে কি এর থেকে ভাল কিছু জনগনকে উপহার দিবে? দিতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে বলে মনে হয় না। তবে এই সরকার আরও ২২ বছর ক্ষমতায় থাকুক। সমস্যা কিসের? যদি ভাবি দেশ রসাতলে যাবে। তবে বলবো অনেকের মতে দেশতো রসাতলে চলেই গেছে আর কি যাবে? অথবা দেশ আরও এগিয়ে যাবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


