-------------------------------
বনটা বেশী বড় না, দৈর্ঘ্যে কিংবা প্রস্থে।
যুগ যুগ ধরে পায়ের ছাপ আর ছাপ চলে গেছে
এই বনেরই মাঝ দিয়ে- দুপাশেই ছিল
উৎস, যাত্রা আর গন্তব্যের; ব্যাপক ব্যাপক।
অনেক সময় পেরিয়েছে। অতীত কতেক ক্ষয়েও গেছে।
বনে এখন অনেক অনেক প্রাণী, কতেক পশু
কতেক জীব আর কতেক অনির্নেয়, যুগ যুগ মিশ্রনের ফল।
যে যার মতো চরে করে খায় দায় ঘোরে, কেউ
অন্য বনে মাইগ্রেট ও করে। সে তো স্বল্প।
কারও নাক উঁচু, কারও আবার নাক মাটি ঘেঁষা।
তবে আছে দুটি পাল , একটি সিংহ একটি বাঘ।
বাঘও ক্ষমতা চায়, সিংহও চায় তাই।
তবুও এক অন্যেরে দোষায় কেবল।
অন্য প্রাণীর বেশীর ভাগই আবার চায় বাঁচতে।
ওদিকে বাঘ সিংহ আবার মাংসাসি সর্বভূক।
শুনেছি নিজেদের মাংসও নাকি নিজেরা খায়।
তবুও হায়না আর ফেউ এর মাংস মজা লাগেনা
সিংহ আর বাঘের। তাই গোপনে হায়েনা আর ফেউ
সভায় বসে বারবার- একজন থাকলে সুবিধা অনেক,
উচ্ছিছটের ভাগ মিলবে বেশী বেশী।
তারা ওত পেতে থাকে তাই জয়ীর।
ওদিকে একদম নিরহ যে প্রাণীকূল। তারা স্কতন্ত্র্য মনে ভাবে
তাদের অধিকার আর সুবিধার তরে বাঘ সিংহ কেন লড়ে?
দুয়েই তো করবে ভক্ষণ, খোঁজার পায়তারা কেন তবে
ভাল মন্দ ভিন্ন সীমার লক্ষণ? প্রশ্ন তো প্রশ্নই থাকে,
তাদের তো কণ্ঠ নেই। তারা সবচেয়ে নিরীহ ,
তাই সবচেয়ে দূর্বল। বনের আনাচে কানাচে
বাঘ সিংহেরই মুখের লালা আর জল,
তবুও দলে দলে ভাগ হয়ে বাঘ সিংহেরই
লেজ ধরে ধরে নাচছে সব বোকার দল।
বাঘ জিততে চায় , সিংহও তো ঠিকই তাই।
বনের উন্নতি আর প্রাণীর অধিকারে কিন্তু কেউ নাই।
যত জয় তত বেশী মাংস। আর বাকী কূলের ধ্বংস।
তবুও দেখ চোখে ঠুলি পড়ে দলে দলে নাচে আড়ে...
আর হায়েনা , ফেউ থাকে সুযোগে সুযোগে,
শিয়াল টাইপ কিছু আবার বুদ্ধি দিয়ে এরই ফাঁকে
টিকে থাকতে সুখ আর দু:খ মাপে ধাপে ধাপে।
(অসমাপ্ত এবং অসমাপ্তই থাকবে)
০৭/০১/২০০৭ (বিকেল ৫:০০)
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৬:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


