একটি অরাজকতাপূর্ণ দেশের দৃশ্যপট । সেখানে এক প্রেস কনফারেন্স হচ্ছে । সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন সে দেশের একজন বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ধরলাম তার নাম মি: এক্স....
সেই কাল্পনিক আলোচনার একটি অংশ নিচে বিবৃত করা হলো...
সাংবাদিকঃ আচ্ছা মি: এক্স , আপনি তো বারবার দেশপ্রেম , সততার কথা বলছেন , বলছেন জনগণের কল্যানের জন্যে আপনার নিবেদিত জীবনের কথা। আর জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্যে দোষ দিচ্ছেন পত্রপত্রিকায় সাংবাদিকদের খোলামেলা আলোচনাকে।
যদি আপনার কথা তা সত্যিই হয়ে থাকবে তবে কেনো আপনার মতো সৎ, নিষ্ঠাবান ব্যক্তি সেই সব ব্যক্তির সাথে একসাথে রাজনীতি করছেন যারা সন্ত্রাসী লালন করে, কালো টাকার মাঝে বাস করে, যারা জনগণের ঘাড়ে পা রেখে নিজের অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটায়।
প্লিজ মি: এক্স...
মি: এক্সঃ দেখুন সাংবাদিক সাহেব। আপনি নিজেই আপনার বিশাল প্রশ্নের শেষে বললেন, জনগনের ঘাড়ে পা রেখেছে রাজনীতিবীদরা, কই দেখানতো কোন জনগনের ঘাড়ে রাজনীতিবীদদের পা আছে...একটাও দেখাতে পারবেন না। যদি দু একটা পায়ের ছাপ পানও ঘাড়ে কারও , মিলিয়ে দেখেন সব আমাদের বিরোধী পার্টির নেতাদের পা। মিলিয়ে দেখতে পারেন। এই যেএরকম ডাহা মিথ্যা কথা বলেন আপনারা সাংবাদিকরা সেই কারনেই তো আপনাদের দোষ দেয়া হয়। আপনি ঠিকই বলেছেন আপনাদের ভুলগুলোকে তো দোষারোপ করতেই হবে। সেটা আমাদের রাজনীতিবীদদের অন্যতম কর্ম। আমরা জনগণের মাঝে সত্য কথা তুলে ধরতে চাই।
আপনারা এরকম বিভ্রান্তি মূলক কথা বললে জনগণ বিভ্রান্ত তো হবেই। সেই দোষের ভাগ কিন্তু আপনাদেরকেই নিতে হবে।
অতীতে তাকান , রাজনীতি বীদরাই দেশের জন্যে ত্যাগ স্বীকার করেছে যুগে যুগে, জেলে গেছে । আপনারা সাংবাদিকরা কিন্তু যান নাই। একটাও নজির দেখাতে পারবেন না। বরং আমাদের কাছে ভরি ভরি উদাহরণ আছে , সাংবাদিকরা মিথ্যে খবর বানিয়ে হয়রানি করেছে , ব্লাকমেইল করেছে। আমরা সন্ত্রাসী পালিনা ,্ আপনারাই সন্ত্রাসীদের উস্কানী দেন। ..............
এরপরই তিনি থেমে যান কারন অন্য এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন -
সাংবাদিকঃ মি : এক্স, তবে কি আপনাদের দলে কোন সন্ত্রাসী নেই?
মি : এক্সঃ আপনি আমাদের দলের দিকে আঙ্গুল উঠাচ্ছেন কেন? বিরোধী দলের দিকে উঠান । দেখেন ওদের চেহারাই বলে দেয় ওরা সব সন্ত্রাসী।
আর কোন প্রশ্ন?
..........................................
হয়তো সেই দেশের সাংবাদিকরা আরও প্রশ্ন করেছিল। কিন্তু চতুর পলিটিশিয়ান এভাবেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যাচ্ছিলেন।
[ইটালিক](বিঃ দ্রঃ এই দূর্বল লেখাটির মূর প্রয়াস হলো ঐ অরাজক দেশে রাজনীতিবীদরা কখনই কারও প্রশ্নের যথার্থ উত্তর দিতেন না। তারাে তা পলিটিশিয়ান । উত্তর ঘরানো প্যাচানোই তাদের মনে হয় বৈশিষ্ট্য। তারা প্রশ্নের মাঝে প্রশ্ন কর্তার দূর্বল শব্দটাতে পুঁজি করে কিছু মিছু একটা বলে যান গা বাাঁচিয়ে। তাদের কথা গুলো তাই বড় হাস্যকর প্রকৃত মানুষের কাছে)[/ইটালিক]
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


