অষ্ট ডটে সয়লাব ব্লগার রাসেল এর ব্লগের শিরোনামের রূপ বদলেছে অনেক দিনই হবে বোধহয়। সেভাবে খেয়াল করা হয়নাই। অল্প কথা কিন্তু চটুল রাসাত্মক এবং ভীষন ভাবগম্ভীর । সেই সাথে বাক্যখানি একটি বিশেষ সৃজনশীল গোষ্ঠীকে নতুন মাত্রায় উপাধি প্রদান করত সেই বিশেষ সৃজনশীল গোষ্ঠী বা স্পষ্ট করে বললে কবিগণকে স্বাভাবিকতার বাইরে অনেকটা অজ্ঞানতা প্রসূত বিশেষণে বিশেষিত করে কিছুটা ভুল ভাবধারা ফুটিয়ে তুলেছে। আমি তাই তার ঐ বাক্য ব্যবহারের তীব্র প্রতিবাদ করছি। কারন আমি কবি কিনা জানিনা তবে নিজেকে কবি ভাবতে চাওয়ার বাসনা প্রসন করি অন্তত।
মূলত তিনটি কারনে রজঃস্বলা নারী আর কবি এক হতেই পারেনা।
১। কবি স্বপ্রতিভার দ্বারা স্বচিন্তিত ও স্বসৃষ্ট বাক্য গড়ে তোলেন তার প্রতিটি কবিতায়।
সেখানে একজন রজঃস্বলা নারীর যে রজঃ স্রাবন ঘটে সেটা প্রাকৃতিক নিয়মের অধীন। নারীর সেখানে স্বচিন্তিত বা স্বসৃষ্ট কোন প্রতিভার প্রভাব নেই।
২। কবির কবিতা লেখার কোন নির্দিষ্ট পিরিয়ড বা সময় নেই।
রজস্বলা নারীর ক্ষেত্রে সময়ের একটি নির্দিস্ট সার্কেল থাকে।
৩। রজঃ স্রাবন এক বিশেষ জাতির দৈহিক ব্যাপার যে জাতি রজঃ সৃষ্টির সময় হয়ে ওঠে রজঃস্বলা বা ঋতুবতী। কবি তা একদল বিশেষ প্রতিভাধর মানুষের ভাবনার সৃষ্টি যে মানুষগুলো যখন সেই প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন তখন তাকে কবি বলা হয়।
.............আসলে যদি রাসেল ( ........) কবিদের কোন কারনে হেয় করার উদ্দেশ্যে উক্ত বাক্য চয়ন করে থাকেন তবে বলতে হয় তিনি একাধারে যেমন কবিদের সাথে বিরূপ আচরণ করেছেন তেমনি করেছেণ ঋতুবতী নারেদের প্রতিও। দুটো বিষয়ে মিল কেনো যে তিনি দেখলেন ঠিক বোধদয় হচ্ছেনা। মানলাম উনি হয়তো কবি হয়ে থাকবেন। কবি বৈশিষ্ঠ্য তাই ওনার বোঝারই কথা সে ক্ষেত্রে। কিন্তু উনি একজন পুরুষ হয়ে কিভাবে রজঃস্বলা নারীর বৈশিষ্ঠ্য অনুধাবন করলেন , সে চরিত্রে কিভাবে রূপদান করলেন। কারন কবি কি সেটা বুঝতে গেলে কবিই হতে হবে। অন্য কারও বোঝা সম্ভব নয়।
রজস্বলা নারী কি সেটাও মনে হয় ঋতুবতী নারীই একমাত্র বুঝবে কোন পুরুষ নয়।
তাই না বোঝা দুই চরিত্রের এভাবে স্পষ্ট মিল খোঁজা ওনার ঠিক হয় নি মোটেও। ...
আশা করব তিনি ব্যাপার টি অনুধাবন করে অপসারনের ব্যবস্থা করবেন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


