-কেনো ভদ্রতার আবার কি করলাম। যা করেছি সেটাতো স্বাভাবিক আচরণই।
- নাহ্ । আমি একজন যুবতী মহিলা। স্বামী হীনা। তোমার গা ঘেষে বসে থাকলাম অতক্ষণ, কি ভদ্র ছেলে । কি সুন্দর করে
হাত দুটো গুটিয়ে রাখলে কোলের উপর। চোখ মেলে দেখলেও না একবারও আমার ....
এমন ছেলেও হয়। এতাটা ভদ্র তোমাকে আশা করিনি। অন্তত ফোনে যেভাবে কতা বল ,বাব্বা।
-সেটা কি ভুল করেছি। ও রকম আচরণ ই কি উচিৎ নয়? তুমি কি ভেবেছিলে , হাত দুটো চড়ে বেড়াবে তোমার রেশম দেহে, খুঁজে বেড়াবে নরম কোন জমজ টিলা অথবা চুষে নেবো অধরের পর্দা ঢাকা অমৃত রস।
- আরে হয়েছে হয়েছে , ফোনে তো কিছুই বাধে না মুখে। সামনে ওমন গোবেচারা ভাব কেনো।
- না বলতে , বলেই দেখতে কি করতে পারি। হতে পারি কতটা অভদ্র তোমার ভাষায়।
- চুপ, সেরকম হলে কি তোমার সাথে কতা বলি এই রাত জেগে জেগে...। ভদ্র -- বিশ্বাস ছিল বলেই তো অতো দূরে ঘরুতে যাওয়া...
বলছিল সে আধা পৌঢ় আধা যুবতী নারী আর হাসছিল প্রাণ খুলে । সে হাসি শুনে আফসোস হতেই পারে কেনো সে হাসির পরশ নিলাম না সুযোগেও অধরে। দূর , তাই কি সম্ভব। মুখে বলা খুব সহজ...তাই বলে সামনে। মনে মনে ভাবে এমনই সদ্য কৈশোর পেরোনো যুবক।
...সপ্তাহ খানেক পরে...
আড্ডার আসরে যুবক। তখনই ফোন এল নারীর। প্রিয় বন্ধু প্রীতম ও কথা বলল সেদিন সে নারীর সাথে।
তিনদিন পরে ...
বন্ধুদের আড্ডা । আবারও সেই হেয় প্রতিপন্য যুবকটি সেই ভদ্র নামক বিশেষনের লেশ ধরে ধরে। কারন খুবই সহজাত । প্রীতম নামের বন্ধুটি আগের রাতে ছিল ঐ নারীর বাসায়। রসালো আলাপে বাদ পড়েনি নারীর বাম স্তনে জোড়া তিল টির বর্ননাও।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মার্চ, ২০০৭ দুপুর ২:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



