অতীত স্থায়ী ঢাকার অস্থায়ীত্ব কাটিয়ে আবারও স্থায়ী হলাম এইতো মাত্র সপ্তাহ তিনেক হতে চলল। এরই মধ্যে ঘটে গেলো আর ঘটে চলেছে ছোট বড় নানান ঘটনা। বিগত দীর্ঘ বসতে ঘটেনি অনেক এমন। চারদিকে পরিবর্তন , আবর্তন , সংস্কার আর সংলাপের পেষণ বৃদ্ধিমান, তাই বুঝি জীবন নাটকে নাটিকার বাহুল্য আর বৈচিত্র্য ধরা দিচ্ছে নতুনত্বে । অথবা বিস্তর এক গ্যাপের মাঝে হঠাৎ পূরনের কোন অদৃশ্য চর্চা।
এমনই এক ঘটনা। ...তিনতলার উপরে খোলা আকাশের নিচে মানে ছাদে বসে ছিলাম চারটি প্রাণী । কার্ড খেলছিলাম সাঝের পরবর্তী চন্দ্র আর মোবাইলের আলোয়। এক বন্ধুর বাসা ওটা।
নিচে হৈ চৈ শুরু হলো , বন্ধুর কানে পৌঁছাতেই কার্ড ফেলে নিচে ছুট।
আরে তখন কি বুঝেছি ,,ওমন বিদিকিচ্ছিরি ঘটনাটা আমাদের নিচে ৩০ ফুট তলে ই ঘটেছে। ...
এলাকার মহিলারা দলে দলে ভিড় করছিল। করবেই বা না কেনো, এমন ঘটনা কেউ কাউকে স্পষ্ট করে বলতে ও পারছেণা।
প্রথমে জানা গেলো লোকটিতে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। সিড়িতে রক্তের দাগ ...
উদ্বিগ্ন মানুষগুলো বুঝতে পারছিলনা বা জানলেও বলা সম্ভব হচ্ছিলনা.. কর্তন করার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে ঐ ব্যক্তির পেনিস মানে খাশ বাংলায় লিঙ্গটি।
জানার পরে স্বভাবতই কৌতুহল কেনো?
জানা গেলো ...কর্তন প্রচেষ্টাকারী যখন স্চ্ছোয় আত্মগ্লানী আর অপরাধ বোধ আর বন্ধু প্রেমে পীড়িত হয়ে নিজে এসে ধরা দিল তখন স্পষ্ট। ...
ভিকটিম এর বোনের বাসা , মানে আমার বন্ধুটির বাসার নিচ তলা যে ভাড়া নিয়েছে তার শ্যালক ভিকটিম। বোন দুলাইভাই য়ের এবসেন্সে তার গে বন্ধু এসেছিল বাসায়। ...
গে বন্ধুটির মনে ছিল কষ্ট। তাকে ছেগড় নাকি আরেকজন গে জুটিয়েছে সে... সেই রাগে লিঙ্গ কর্তনের এই প্রচেষ্টা....
কঠিন প্রেম ... রাত তাই নিজে এসেই দিল ধরা ...অবশেষে চালান হলো পুলিশের হাতে....
চিন্তার বিষয় না হলেও চিন্তা করা যায় ...আমাদের এই বাংগালী ঐতিহ্যে শেষপর্যন্ত গে সিস্টেমের ও এত তীব্রতা!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




