মা, সারাটা দিন ঘরের মধ্যে কেটে যায়
ঘরের বাইরে কোথাও তো কিছুই নাই।
ঘর থেকে পাহাড় দেখা যায়
পাহাড়ের কাছে যাবার দরকার তো নাই।
মা, ঘরের মধ্যে দিন কেটে যায়
ঘর ছাড়া আর তো আমার কিছু নাই।
মা, ঘরের বাইরে কত কিছু দেখা যায়
পথঘাট, গাছপালা, নদনদী সবই দেখা যায়।
মা, ঘরের বাইরে যা দেখা যায়
ঘরের মধ্যে সেগুলোর কোন অস্তিত্ব নাই।
মা, ঘরই রোদ ঝড় বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচায়
মা, ঘরই স্বর্গ, বলতে কোন দ্বিধা নাই।
মা, কোন কোন ঘর ঝগড়া বাঁধায়
কোন কোন ঘর স্বর্গ বানায়।
ঘর মানুষকে কাঁদায়
ঘরই মানুষকে হাসায়।
মা, রাজবাড়ির ঘর পুনর্জন্ম দিয়েছে আমায়
সেই ঘরে কত রাত কাটিয়েছি খুঁজি স্মৃতির পাতায়।
আজ আমি স্ত্রী খড়িকে নিয়ে যে ঘরে রাত কাটাই
এ ঘর স্বর্গ, যুগে যুগে যেন এমন ঘর পাই।
এ ঘরে জল নাই
তবু এই ঘরে আমি স্বর্গকে খুঁজিয়া পাই।
এই ঘরে গোলাপি থাপা ছিল, ভুলি নাই
কতবার এসেছিলাম এই ঘরে, ঘরে ঢুকে মনে পড়ে যায়।
এই ঘরে প্রদীপ জ্বলে সন্ধ্যাবেলায়
এই ঘরে বসে আছি, আমি শিব সাধনায়।
মা, কত ঘর ভেঙে যায়, নদীর জলে ডুবে যায়
মা, আমার রাজবাড়ির ঘর এখনো আমায় ডেকে যায়।


সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




