শেখ মুজিবকে ধন্যবাদ দেয়ার জন্যই আজকের এই লেখা। তিনি জীবন দিয়ে প্রমাণ করে গেলেন অনেক কিছু। শেখ মুজিব হত্যার পরে যারা ক্ষমতায় এসেছিলেন তারা সবাই ছিলেন আওয়ামী লীগের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং বিশ্বস্ত।
প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খন্দকার মোস্তাক আহমেদ মুজিব হত্যার পর ক্ষমতায় এলেন। মুজিবের নিয়োগকৃত সেনাপ্রধান মেজর সফিউল্লাহ এবং বিমান বাহিনী প্রধান এ. কে. খন্দকার মুজিবের রক্তে রক্তাক্ত সিড়ি বেয়ে যারা ক্ষমতায় এসেছিলেন তাদের আনুগত্য স্বীকার করে নিজ পদে বহাল থাকলেন।
শেখ মুজিব নিজেকে রক্ষার জন্য গড়ে তুলেছিলেন রক্ষীবাহিনী । তার প্রধান ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। আক্রান্ত হওয়ার পর সাহায্য চেয়েও নিজের গড়ে তোলা কোন বাহিনীর কাছ থেকেই কোন সাহায্য পাননি মুজিব। এমনকি হত্যার পরেও তোফায়েল আহমেদ ছিলেন নিষ্ক্রিয়। তিনি এখনও আওয়ামী লীগের অন্যতম নীতি নির্ধারক।
মজার ব্যাপার হলো মুজিব হত্যার একমাত্র প্রতিবাদকারী বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী হলেন দল থেকে বহিষ্কৃত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


