somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চরিত্রহীনদের দ্বারা লুট হচ্ছে জাতির ভবিষ্যৎ ...

১২ ই মার্চ, ২০১৬ রাত ১২:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

চরিত্র যার আরবী অর্থ “আখলাক” ইংরেজি অর্থ “ক্যারেক্টার”। চরিত্র বলতে বুঝায় এমন মূল্যবোধ যা একজনের ভাবনা, চিন্তা, কর্ম, আচার, আচরণ ইত্যাদির সন্মিলিত রূপ। যাদের ভাবনা, চিন্তা, কর্ম, আচার, আচরণ ইত্যাদির সন্মিলিত রূপ ভালো তাদের বলা হয় চরিত্রবান। চরিত্রবানের বিপরীতে থাকে চরিত্রহীন। চরিত্রহীন শব্দটির অর্থ মন্দ চরিত্র বা মন্দ চরিত্রের অধিকারী। মন্দ বা খারাপ চরিত্র তখনই ধরা পরে যখন কারও কিছু ত্যাগ করা উচিত ছিল কিন্তু সে করেনি। যার যেটা করা ঠিক নয় সে সেটা করে ফেলল। যার যতদূর অধিকার তার বেশী সে আদায় করলো অথবা আদায় করার চেষ্টা করলো। এক কথায় অনধিকার চর্চা করা এবং অনধিকার চর্চা করার চেষ্টা করা চরিত্রহীনতা। এই চরিত্রহীনরায় প্রতারক, এই চরিত্রহীনরায় ধর্ষক, এই চরিত্রহীনরায় লম্পট, এই চরিত্রহীনরায় লুটেরা। এরায় দেশ ও জাতি-কে বিভিন্ন স্থান থেকে অনবরত ধর্ষণ করে চলছে.....।

সহজ কথায় বলা যায় একজনের কোনটা করা উচিত বা উচিত নয় এই বিষয়ে সম্যক জ্ঞান ধারণ করা হলো চরিত্রবান। যার যে কাজ করা উচিত নয় সে কাজ করা ফেলা চরিত্রহীনতা। যার যেটা বলা উচিত নয় সেটা বলে ফেলা চরিত্রহীনতা। কথা ও কাজের ব্যালেন্স ঠিক না থাকাও চরিত্রহীনতা। তাহলে চরিত্রবান কে ? রাজনীতিবিদ! শিক্ষক! ডাক্তার! উকিল! ব্যবসায়ী! চাকুরে! হ্যা হতে পারে আবার নাও হতে পারে। তবে যারা মধ্যস্বত্ব-ভোগী তারা বেশি ভাগই চরিত্রহীন। যারা মধ্যস্বত্ব-ভোগী তারা চরিত্রহীন হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। অপরদিকে চরিত্রবান শ্রমিকরা। তারা প্রয়োজনের অতিরিক্ত পরিশ্রম করে। চরিত্রবান কৃষকরা। তারা রোদে পুড়ে বৃষ্টির জলে ভিজে ফসল চাষ করে। চরিত্রবান রিকশা চালকরা। চরিত্রবান বাংলার মজুররা। তারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে অর্থ উপার্জন করে। তাদের চরিত্রহীন হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম। এই চরিত্রবানদের ঘাড়ের উপরে দ্বারিয়ে আছে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক জীবন। আর চরিত্রহীনরা সদা লুট করা নিয়ে ব্যাস্ত।

আর এক অর্থে, যে ত্যাগী বা ত্যাগ করার মানসিকতা অর্জন করেছে তিনি চরিত্রবান। যখন কারো কোন কিছু ত্যাগ করার কথা কিন্তু ত্যাগ করতে পারেনা বা ত্যাগ করেনা তাকে চরিত্রহীনতা বলে। তাকেই হীনচরিত্রের অধিকারী বলা হয়। এই হিসাবে যে প্রয়োজনের বেশী খায় সেও চরিত্রহীন। যে প্রয়োজনের বেশী কথা বলে সেও চরিত্রহীন। যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কালো পথে উপার্জন করে সেও চরিত্রহীন। যার যেটা করার অধিকার নাই সেটা যে করে সে চরিত্রহীন। এই চরিত্রহীনরা কথা-কাজের দ্বারা দেশ-জাতিকে কলঙ্কিত করে চলছেই।

সম্পর্কের ক্ষেত্রে, যার যেটা দায়িত্ব বা কর্তব্য সেটা পালন করাটায় চরিত্রবান। আর যার যেটা দায়িত্ব বা কর্তব্য সেটা পালন না করাটায় চরিত্রহীনতা। যেমন- পিতা বা মাতা’র যে দায়িত্ব সন্তানের প্রতি তা যদি তারা পালন না করে, তাহলে তারা চরিত্রহীন পিতা বা মাতা। স্বামী বা স্ত্রী তারা যদি তাদের নিজেদের প্রতি যে দায়িত্ব এবং কর্তব্য তা যদি পালন না করে বা দায়িত্ব- কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন না হন তাহলে তারা চরিত্রহীন স্বামী বা স্ত্রী । সন্তানদের পিতা-মাতা’র প্রতি যে দায়িত্বও কর্তব্য তা যদি সন্তানরা পালন না করে তাহলে তারা চরিত্রহীন সন্তান। বন্ধু’র সাথে বন্ধুর যে দায়িত্বও কর্তব্য তা যদি কেউ এড়িয়ে চলে বা পালন না করে তাহলে সে চরিত্রহীন বন্ধু। একজন প্রেমিক বা প্রেমিকা তাদের যে দায়িত্ব ও কর্তব্য তা যদি এড়িয়ে চলে বা পালন না করে তাহলে সে চরিত্রহীন প্রেমিক বা প্রেমিকা। একজন শিক্ষক-ছাত্র যদি তাদের নিজেদের দায়িত্ব এবং কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন না হন বা পালন যদি না করেন তাহলে তারা চরিত্রহীন। বিক্রেতা-ক্রেতা যদি তাদের নিজেদের দায়িত্ব এবং কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন না হন বা পালন না করেন তাহলে তারা চরিত্রহীন বিক্রেতা-ক্রেতা। এই ভাবে প্রতিবেশী, এলাকাবাসী, নাগরিকগণ; এক কথায় আমরা সবায় একই সাথে অনেকগুলি সম্পর্কের মধ্যে জড়ায়ে থাকি। সেই সকল সম্পর্কগুলির নিজস্ব কতগুলি দায়-দায়িত্ব আছে। সেই দায়-দায়িত্ব গুলি সম্পর্কে যারা কর্তব্য পরায়ণ নয় তারায় চরিত্রহীন। যারা অনৈতিক সম্পর্কের অনুশীলন করে বা করার চেষ্টা করে তারায় চরিত্রহীন। এই চরিত্রহীনরায় খুন করে প্রতিটি সম্পর্ককে।

কাজের ক্ষেত্রে, কেউ চরিত্রবান বা চরিত্রহীন হতে পারে । আমরা প্রত্যেকে জীবন-জীবিকার তাগিদে নানা ভিন্ন ভিন্ন কর্মের সাথে জড়িত। যেমন কেউ লেখক, কেউ বিচারক, কেউ শিক্ষক, কেউ ডাক্তার, কেউ প্রকৌশলী, কেউ উকিল, কেউ রাজনীতিবিদ, কেউ সৈনিক, কেউ শ্রমিক, কেউ মজুর, কেউ কৃষক ইত্যাদি। সবার কাজের নির্দিষ্ট ক্ষেত্র আছে। সেই কর্ম ক্ষেত্রে নিজস্ব দায়-দায়িত্ব থাকে। সেই দায় দায়িত্বগুলি যারা সঠিক ভাবে পালন করেনা তারায় চরিত্রহীন। এই চরিত্রহীনদের দ্বারা লুট হচ্ছে জাতির ভবিষ্যৎ ...।

বলার ক্ষেত্রে, কেউ চরিত্রবান বা চরিত্রহীন হতে পারে । যেমন বলার শক্তি আছে মানেই বলতে হবে তা ঠিক না। এই বলার উপরে নির্ধারণ করা যায় ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব। পাত্রে কতখানি জল আছে তা জানা যায় পাত্রে টোকা দিলে ঠিক তেমনি একজন ব্যক্তির কথা শুনলেই বুঝা যায় তার ব্যক্তিত্ব কেমন। বলার ক্ষেত্রে উচিত অনুচিতের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে নচেৎ চরিত্রহীন হতে হবে। তবে হ্যাঁ, একজনের রসবোধ থাকতেই পারে। না থাকায় একটু অস্বাভাবিক। রসবোধ সম্পূর্ণ মানুষকে একজন রসিক মানুষ বলা হয়। এই রসিক মানুষকে ব্যাঙ্গ অর্থে লুচ্চা বা লুইচ্চা বলা হয়। লুচ্চামি মানে কিন্তু চরিত্রহীনতা নয়। লুচ্চামি মানে নির্দিষ্ট সীমানা অতিক্রম না করে কোন কিছু বলা। একজন রসিককে জানতে হবে তার বলার সীমানা কতদূর পর্যন্ত। নতুবা বেশী রসবোধের কারণে চরিত্রহীন হতে সময় লাগবেনা। তবে কবি সাহিত্যিক লেখক ছাড়া আর সবের জন্য লুচ্চামি চরিত্রহীনতা। এই চরিত্রহীনদের দ্বারা আজ বিচারনীতি, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতি সব সবকিছু ইভটিজিং-এর শিকার হচ্ছে।

ইদানীং মনে হচ্ছে আমরা সবায় কম বেশি চরিত্রহীন হয়ে পড়ছি। অতিরিক্ত লোভের কারণে আমাদের বিভিন্ন সম্পর্কগুলির মধ্যে যে ভারসাম্য রক্ষা করা উচিত সেই ভারসাম্য রক্ষা করার বোধ শক্তি হারায়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। সেই লোভ হতে পারে অতিরিক্ত খাওয়ার বিষয়ে। অতিরিক্ত কোন কিছু পাওয়ার বিষয়ে। অতিরিক্ত কোন কিছু লাভ করার বিষয়ে। অতিরিক্ত টাকা উপার্জন করার বিষয়ে। সেই লোভ হতে পারে কোন অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পরার বিষয়ে। সেই লোভ হতে পারে অনুচিত কোন কিছু পাওয়ার আশা বা আকাঙ্ক্ষা করার বিষয়ে। আমাদের একটা বিষয় মাথায় রাখা উচিত অনৈতিক বা অনুচিত কোন কিছু অনুচিত উপায়েই অর্জন করতে হয়। সেই অনুচিত উপায় ধীরে ধীরে অমানবিক করে তোলে। যার প্রভাব ব্যক্তি জীবনে, সমাজ জীবনে, নাগরিক জীবনে এবং কর্ম জীবনে খারাপ প্রভাব ফেলে। সব কিছুর মুলে একটা অতৃপ্তি কাজ করে। সেই অতৃপ্তি মানসিক বৈকল্যর দিকে ঠেলে দেয়। মানসিক বৈকল্যর কারণে আজ আমরা সবায় সবার জন্য হুমকি। বলেই আজ আমরা কোন সম্পর্কের কাছেই নিজেরা নিরাপদ নয়। প্রতিনিয়ত আমরা মানসিক ভাবে খুন হচ্ছি বা করছি। আর শাররিক ভাবে! আজ স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন হয়, স্ত্রীর হাতে স্বামী। সন্তানের হাতে পিতামাতা, আর পিতামাতার হাতে সন্তান। চাচার হাতে ভাইজতা, আর ভাইজতার হাতে চাচা। বন্ধুর হাতে বন্ধু। প্রেমিকার হাতে প্রেমিক, আর প্রেমিকের হাতে প্রেমিকা। ছাত্রের হাতে শিক্ষক, শিক্ষকের হাতে ছাত্র। চলছে খুনের মহা উৎসব। কোথাও নিরাপত্তা নাই। কোন কিছুতেই নিরাপত্তা নাই। এবং সব লুট হয়ে যাচ্ছে ...।

আমরা আমাদের জীবনের কোন না কোন ক্ষেত্রে সবায় অনধিকার চর্চার কারণেই হউক বা ত্যাগ না করার মানসিকতার কারণেই হউক বা যা বলা উচিত নয় তা বলার কারণেই হউক আমরা সবায় চরিত্রহীন। আমাদের নানামুখী সম্পর্কের ক্ষেত্রে, নানা মুখি কর্মের ক্ষেত্রে, নানা মুখি বলার ক্ষেত্রে সীমানা নির্ধারণ করতে হবে। এই সীমানা নির্ধারণ করতে হবে নৈতিকতার বিচারে। এই সীমানা নির্ধারণ করতে হবে মানবিকতার বিচারে। আমাদের চরিত্রের উন্নয়ন ঘটাতে হবে। ইচ্ছা করলেই আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে আমাদের চরিত্রের উন্নয়ন ঘটাতে পারি। মনে রাখতে হবে যে চরিত্রবানরায় ধার্মিক। ধার্মিক বলতে কোন সুনির্দিষ্ট ধর্মের অনুসারীকে বুঝানো হচ্ছেনা। ধার্মিক বলতে চরিত্রবানদের বুঝানো হচ্ছে। এই চরিত্রবান যে কোন সমাজের, যে কোন দেশের, যে কোন সম্প্রদায়ের, যে কোন ধর্মের হতে পারে। যারা চরিত্রবান তারায় ধার্মিক। চরিত্রহীনরায় নাস্তিক।

জয় হউক মানবতাবাদের।


-মশিউর রহমান
কবি ও ব্লগার
[email protected]

( বানানের রীতি লেখকের নিজেস্ব )
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মার্চ, ২০১৬ রাত ১২:৫৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সাবধান!!!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৪



যারা প্রধানমন্ত্রীর হাতে মরা মাছ ধরিয়ে দিয়ে পানিতে ছাড়তে বলেন, তারা কেমন মানুষ!!!.....এটা কেমন তামাশা!!! স্লোগান দেওয়া বাদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আসার আগে মাছগুলো চেক করার কথা একবারও মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ সরকারের কাছে সোলার এনার্জি বিক্রি করা কতটা লাভজনক?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩৭



যারা আগামী ৬ মাসের মধ্যে বাড়ির ছাদে সোলার সিস্টেম ইন্সটল করবেন, তাঁদেরকে বাংলাদেশ সরকার প্রত্যেক ইউনিট ইলেক্ট্রিসিটির জন্যে ১০.৫০ টাকা করে দিবে। রুফটপে সোলার এনার্জি প্ল্যান্ট বসিয়ে লাভ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সম্পর্ক ও আত্মহত্যা

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৪৭



কাউকে আত্মহত্যার ভয় দেখিয়ে বিয়ে করা অথবা আত্মহত্যার ভয় দেখিয়ে অথবা ব্ল্যাকমেইল করে গুরুতর মানসিক ও মনস্তাত্ত্বিক নির্যাতনের মাধ্যমে কাউকে বিয়েতে বাধ্য করা। - বিশ্বের যে কোনো দেশের আইনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

২ লাখ কর্মীর খবর ভুয়া - তবে ২৫ টা সাদা হাতি আসছে!

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:০২



স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছিলেন, মালয়েশিয়া সেপ্টেম্বর মাস থেকে ধাপে ধাপে ২ লাখ কর্মী নেবে ।

আগামী ছয় মাসে বাংলাদেশ থেকে ২ লাখ কর্মী নেবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গ্যাস বিদ্যুৎ সংকটের জন্য দায়ী কে?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১১



২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের সামরিক, পারমাণবিক ও সরকারি স্থাপনাগুলোতে আকস্মিক বড় ধরনের বিমান হামলা চালায়।প্রথম দফার হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ীসহ বেশ কয়েকজন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×