পরপর তিনজনের জন্য সাপ্তাহিক পর্যালোচনা লেখার দ্বায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। সম্ববত ব্যস্ততার জন্য তারা যথাসময়ে সাড়া দিতে পারেননি। অপেক্ষা করতে করতে কয়েক সপ্তাহ কেটে গিয়েছে।
বিগত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে একটা বিশেষ উদ্যোগ ছিলো স্বাধীনতা দিবস নিয়ে। কিছু ভাল লেখা এসেছিল স্বাধীনতা দিবস সংক্রান্ত। এর বাইরেও কিছু পোস্ট এসেছিলো।
এর মধ্যে সারওয়ারচৌধুরীর দুটি, নাবিকের দুটি, মাহমুদ রহমান, প্রজ্ঞা, বাতিঘর এবং শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীনের একটি করে পোস্ট এসেছে।
এপ্রিল মাসের শুরুতেই পোস্ট দিয়েছেন বাতিঘর। সংবাদ ভিত্তিক বিশ্লেষনমুখী পোস্ট। ভাল হয়েছে লেখাটা। বাতিঘর চাইলে এরকম লেখা নিয়মিত লিখতে পারেন। কারাগারে বন্দী রাজনীতিবিদরা অবসরকে কাজে লাগিয়ে আত্নজীবনী লিখলেও তাদের নিজেদের সমালোচনা সেখানে থাকেনা। অথচ এটাই গুরুত্বপূর্ণ। তার জীবনে কিকি ভুল ছিলো এবং সে ব্যাপারে তার অনুভূতি কি বা তার আত্নপক্ষ সমর্থন করে ব্যাখ্যা কি এসব বিষয়ে পাঠকের আগ্রহ থাকে।
ব্রিফকেসে বন্দী জীবন শিরোনামে চমৎকার একটি পোস্ট দিয়েছেন কোলাহল। অনেকদিন পরে তার পোস্ট এলো এবং পড়ার মত পোস্ট। ফ্রন্ট পেজে কে একজন মন্তব্য করলো ব্রিফকেসের মধ্যে সাজিয়ে গুছিয়ে নিজের জীবনটাকেই ব্লগে উপস্থাপন করেছেন উনি। তার লেখা নিয়মিত পাওয়া যাবে আশা করি।
এপ্রিরে এ পর্যন্ত তিনটি পোস্ট দিয়েছেন জাগারন। পাচ বছর বয়সী বারাকে নিয়ে দেয়া পোস্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ । একটি শিশুর মানসিক বিকাশের জন্য চারপাশের পরিবেশ গুরুতর ভুমিকা পালন করে। ঘটনাটা বোঝা যায় সত্য। ফিলিস্তিনের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত আর একতরফা নির্যাতন সেখানকার শিশুদের মধ্যেও এক ধরনের অস্থির, অস্বাভাবিক চিন্তা ভাবনার জন্ম দিয়েছে। জন্ম থেকে যাদের চোখের সামনে কেবল সংঘাত আর হানাহানি চলছে তাদের কাছে জীবনের সকল স্বপ্ন ভিন্নরূপে পরিস্ফুটিত হয়। ছোট্ট বারার খেলনা পুতুল নিয়ে ভাবনা এমনই ইংগিত দেয়। অনেক কিছু চিন্তা করার আছে রেকাটা থেকে।
(চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


