অনিয়মিত সময়গুলোকে পেছনে ফেলে আবারো নিয়মিত হবার প্রত্যাশা নিয়ে শুরু করছি।
সপ্তাহ ঘুরে প্রবাল ৬ ও ৭ লেখার পরে প্রায় সাত সপ্তাহ পার হয়ে গেছে।সদস্যদের পদচারনাও কমে গেছে কিছুটা। আশা করছি এ সপ্তাহ থেকে আবার সবাই নিয়মিত বেড়াতে আসবেন।
কিছু কিছু লেখা নিয়ে কেবল দুয়েকটি কথা বলতে হয়।
এপ্রিল ফুলের ইতিবৃত্ত নিয়ে একটি তথ্যবহুল পোস্ট দিয়েছেন শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন । পোস্টটি নিয়ে অনেক আলোচনা পর্যালোচনা হওয়ার সুযোগ ছিলো। এখানে লেখক বলতে চেয়েছেন এপ্রিল ফুলের সাথে মুসলমানদেরকে বোনা বানিয়ে পুড়িয়ে মারার যে ঘটনা প্রচলিত আছে সেটার বাস্তবসম্মত কোন প্রমান নেই। বিপক্ষে কেউ কোন শক্তিশালী প্রমান দেখাতে পারেননি।
বহির্বিশ্বে কোথাও আছে কিনা জানিনা তবে বাংলাদেশে এ ধারনা খুবই প্রবল। এ বিষয়ে যারা লেখালেখি করেছেন তারা কোন সূত্রে লেখালেখি করেছেন সেটা এখন কৌতুহলের বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। আপাতত শাহীনের লেখা যুক্তিযুক্ত বলেই মনে করা যাচ্ছে। ৯ এপ্রিল আরো কিছু তথ্য তিনি সন্নিবেশ করে দিয়েছেন। পাদপ্রদীপের আলোয় এপ্রিল ফুলকে তুলে এনে তিনি একটা ভাল কাজ করেছেন। হয়তো সামনে আগ্রহীদের জন্য আরো পর্যালোচনার সুযোগ করে দেবে। ব্যাপক তথ্যবহুল হওয়ায় রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে।
বিজনেসের ছাত্র আবাবিল বিষয়সংক্রান্ত একটি পোস্ট দিয়েছেন। কিছুটা জরিপ করার ইচ্ছে ছিল তার মনে হচ্ছে তবে তেমন সাড়া পাননি। দীর্ঘদিন পরে পোস্ট দেয়ার কারনে অনেকেই খেয়াল করেননি। তবে তিনি পোস্ট দিয়েছেন এটা আশার কথা। নিয়মিত পাওয়া যাবে বলে আরো আশা থাকল।
জাগারন নিয়মিত পোস্ট করে যাচ্ছেন। এপ্রিল মাসে এ পর্যন্ত পাচটা পোস্ট দিয়েছেন। আরো কিছু পোস্ট জমা হয়েছিল তবে বৈচিত্র রক্ষার্থে আমরা প্রকাশ করিনি। আশা করি জাগারন আমাদের কৈফিয়ত গ্রহন করবেন। পোস্টগুলো বেশীরভাগই সংবাদ সংক্রান্ত। মৌলিক লেখা প্রয়োজন।
মাহমুদ রহমানের পোস্টে চলমান বাস্তবতা ফুটে উঠেছে
সপ্তাহ ঘুরে প্রবাল ১৪
গত সপ্তাহে মোট তিনটি পোস্ট এসেছে। সংখ্যা হিসেবে খুবই কম। জাগারনের একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ। প্রবাল গ্রুপের পোস্ট একটি পর্যালোচনামুলক পোস্ট। গরমে হাসফাস করতে করতে কোলাহল লিখে দিয়েছেন দুটি ছড়া।
বাকীরা ঝড়ো বাতাসের অপেক্ষায় আছেন। কালবৈশাখী এলেই নিশ্চয়ই সব লেখার স্তুপ জমে যাবে যেভাবে টপ টপ করে পড়তে থাকে কাচা আম।
সুতরাং আজ এখানেই শেষ, প্রতীক্ষা চলমান সপ্তাহে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


