সংষ্কারের প্রসঙ্গে এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বর্তমানে দেশের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় এটি। দুর্ণীতি, লুটপাট, দখলদারে কলুষিত রাজনৈতিক দলগুলোকে সময়ের চাহিদানুযায়ী যে যার মত গ্রহণ-বর্জনের মধ্য দিয়ে সংস্কার কার্যক্রম এগিযে নিয়ে যাচ্ছিলেন। দল গোছানোর এই খেলায় ভাঙ্গা-গড়ার বিষয় থাকবেই, তাই মনের মত করে যে কেউ চাইবে তার দলকে গোছাতে, সেখানে মতের মিল অমিল থাকবে। কিন্তু মিল-অমিলের খেলায় যখন কোন দ্বন্দ স্পষ্ট হয়ে উঠে তখন সংস্কারের মূল লক্ষ্য থেকে কি দূরে ঠেলে দেয়না ?
খালেদা-মান্নান -এর দল সংস্খারের মতের তারতম্য বিভিন্ন সময় মিডিয়াতে সুস্পষ্টভাবেই উঠে আসছিল। কাল সেই দ্বন্দটি আরো সুস্পষ্ট হল যখন খালেদা মান্নন সাহেবকে বহিস্খারের হুমকি দিযে দিলেন। বিপত্তিটা সেখানেই হল মান্নান পরিপন্থি নেতার বিষয়টি অন্যভাবে গ্রহনও করলেন। কিন্তু মান্নান সাহেব বরাররের মতন চুপ থাকলেন। সংস্কার প্রসঙ্গে দলকে সুগঠিত করার জন্য যেকোন পদক্ষেপেরই পক্ষে তারা।
যে পার্থক্যটা সুস্পষ্ট, তাতে কি মান্নান পন্থীরা খালেদার পক্ষ নেবেন ?
যদি না নেন তবে খালেদার পক্ষে কথা বলার কে থাকল ?
সংস্কারের পরিণাম কি তাহলে দল ভাঙ্গা?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




