কেমন আছো তুমি? আমি জানি তুমি এখন ঘুমুচ্ছো। তোমার সাথে কথা বলা শেষ করে আমিও একটু শুয়েছিলাম। কি নিয়ে কথা হলো তোমার সাথে তুমি কি বলেছিলে ওসব নিয়েই ভাবছিলাম। ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম ঠিক মনে করতে পারছিনা। আমার এখানে এখন রাত ১২টা বেজে ৪০ মিনিট। ডিনার শেষ হলো কিছুক্ষণ আগেই।
কিছু হোম ওয়ার্ক আছে, কিন্তু আজ আর করা হবে বলে মনে হচ্ছেনা। ঠিক ভালোও লাগছেনা ওসব নিয়ে ভাবতে। মনে হচ্ছে এখনো কিছুটা ঘোরের মধ্যে আছি। তোমার সাথে কথা হলো কিন্তু মনে হচ্ছে কৈ কিছুইতো বলা হয়নি। তুমিওতো কিছুই বললেনা! আরো কিছুক্ষণ বলতে পারলে ভালো হতো, কিন্তু তোমারতো সকালে উঠতে হবে! ইচ্ছে করছিলোনা তোমাকে যেতে দিতে হা হা হা.. কিন্তু কিছুতো করারও নেই।
কাল সকালে তুমি যখন ঘুম থেকে উঠবে তখনও আমার এই চিঠি পাবে কিনা কে জানে! তোমার ওখানে এখন অবশ্য ভোর ৫টা বেজে গেছে তাই ভাবছি কখন তোমাকে চিঠিটা পাঠাবো।
তুমি হয়তো ইতোমধ্যে বুঝে গেছো, আমার লিখতে বেশ ভালো লাগে। কিন্থু অনলাইনে লিখে তোমার সাথে চ্যাট করার চেয়ে কিন্তু আমার কথা বলতে ভালো লাগে।
আসলে কি লিখবো ঠিক বুঝে উঠতে পারছিনা... তবুও কিছু একটা লিখার ইচ্ছে থেকেই লিখছি। আমাকে পাগল ভাবাটা মোটেও অযৌক্তিক হবেনা। হয়তো অামার কিছুটা সমস্যা সত্যিই আছে। জীবনকে তোমার মতো সহজ সরল সমীকরণে আমিও ভাবতে চাই। হয়তো আমি জানিনা কিভাবে ভাবতে হয় তোমার মতো করে, আমাকে শেখাবে?
আমি হয়তো মাঝে মধ্যেই তোমাকে এমন চিঠি লিখবো, অবশ্য তুমি পড়তে না চাইলে আমাকে জানাতে পারো। ভাবছি, অনেকগুলো চিঠি লিখে তোমাকে একবারে সবগুলো পাঠাবো।
কেন যেন মনে হয় তোমাকে অনেক কিছু বলা যায়, হয়তো পুরোটাই। চেষ্টাতো থাকবে দেখি কতদূর বলতে পারি। কাল যখন তুমি কথা না বলে বসে বসে আমার কথা শুনছিলে আমি চেয়ে চেয়ে দেখছিলাম তোমাকে। তোমার অভিব্যক্তিগুলোও ভীষণ কিউট টাইপ
লুকানো-ছাপানো আমার মাঝে নেই, সেটা তুমি ধীরে-ধীরে বুঝতে পারবে। কিছুটা সময় লাগবে বৈকি! অবশ্য আমার ভয়টা অন্য কোথাও। সেটাও হয়তো তোমাকে একদিন বলবো। অনেক বক বক করে ফেলেছি। তোমার সাথে কথার লোভ সামলানোটা বেশ কঠিন
ভালো থেকো, প্রিয় কবিতা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




