
বেতন ভাতায় যোগ হচ্ছে "গোল্ডেন বেতন ভাতা" বা "সুবর্ণ বেতন ভাতা" অফিসিয়াল নাম হলো "সিলেকশন গ্রেড"
কি এই সিলেকশন গ্রেড !?
বেতন ভাতার সিলেকশন গ্রেড হলো - নির্বাচিত সরকারি কর্মচারীদের শর্তসাপেক্ষে উচ্চতর স্কেল প্রদান। অর্থাৎ যারা দীর্ঘদিন (২০১৭তে চাকরিতে যোগ দেয়ারাও দীর্ঘদিনের অন্তর্ভুক্ত ) সন্তোষজনকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন, কিন্তু পদ না থাকায় পদোন্নতি পাচ্ছেন না-তাদের সিলেকশন গ্রেডের মাধ্যমে চাকরিজীবনে আর্থিক প্রণোদনা নিশ্চিত করা হয়।
‘চুপিসারে’ সুপ্রিমকোর্টের ৪১ বেঞ্চ অফিসারকে সিলেকশন গ্রেড সুবিধা দেওয়া শুরু হয়েছে।যেহেতু ২০১৬-২০১৭ তে চাকরিতে যোগ দেয়ারাও "সিলেকশন গ্রেড" পাচ্ছে, তাই বেতন কমিশন গঠনের পর অর্থাৎ ২০১৫ সালের ৩০ জুনের পর চাকরিতে যোগ দিয়ে কেউ সিলেকশন গ্রেড পেলে সেই সুবিধা সব কর্মচারীর জন্য নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে।
এর মাধ্যমে ১৫ লাখের বেশি সরকারি কর্মচারীর আশা তৈরি হয়েছে। সচিবালয়ে কাজ করা নিম্ন গ্রেডের চাকুরের একাধিক সংগঠন গত বেতন কাঠামো জারি হওয়ার পর থেকেই টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড চালুর দাবি জানিয়ে আসছিল। এখন তারাও উৎফুল্লতা প্রকাশ করছেন। অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন অনুবিভাগ গত ৭ অক্টোবর এ সংক্রান্ত চিঠি সিএজি কার্যালয়ে পাঠালেও বিষয়টি দীর্ঘদিন গোপন রয়েছে।
সোজা বাংলায় আমি যা বুঝলাম -কিছুদিন আগেই সরকার ,সকারী কর্মচারীদের বাটন ভাতা দ্বিগুন করেছেন জানি। এখন আবার প্রায় মোট ১৫ লক্ষ কর্মচারীদের বেতন ভাতার উপর বেতন ভাতা দেবেন অর্থাৎ সিলেকশন গ্রেড।
আমার বুঝার ভুল হলে দয়া করে শুধরে দেবেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



