পরীক্ষার হলে নানাজনের ভাবনা....!!!
ফার্স্ট বয়ের ভাবনা
আরে ছি ছি, সব প্রশ্নই তো কমন, কোনটা ছেড়ে কোনটা লিখব? উফফ, প্রশ্নের উত্তরগুলো আরও বড় করে লিখতে পারছি না, আবার ফার্স্ট তো হতেই হবে। না হলে আম্মু-আব্বু বকবে। আরে মাথায় কী আবোল-তাবোল চিন্তা আসছে এগুলো? সবাই তো দেখছি জোরসে লিখছে, কেউ যদি বেশি নম্বর পেয়ে যায়, তা হলে আমার ইজ্জত থাকবে না। ধুত্তোর স্যাররা কেন যে এত সহজ প্রশ্ন করে?
সেকেন্ড বয়ের ভাবনা
কী হবে এবার আমার? কত দিন আর সেকেন্ড থাকব? এটা কি অবিচার না? তখন থেকে দেখছি ফার্স্ট বয় কী যেন ভাবছে আর ভাবছে, এই ছেলে কী খায়? এত নম্বর পায় কী করে? ব্যাটা দেখতে ভালো বলে স্যাররা মনে হয় বেশি নম্বর দেন। আমি না হয়ে এই মুখস্থ করা পাবলিক যত দিন ফার্স্ট হবে, দেশের কোনো উন্নতি হবে না বলে দিলাম।
আঁতেল ছাত্রের ভাবনা
একজন শিক্ষক কী করে এ ধরনের প্রশ্ন করতে পারেন? প্রশ্নে সৃজনশীলতার কোনো ছোঁয়াই নেই। গুটিকয়েক ছাত্রের জন্য প্রশ্ন করে কী লাভ! স্পষ্ট বুঝতে পারছি বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা কোন জায়গায় চলে গেছে। আজ যদি আমি আমেরিকায় পড়াশোনা করতাম এ অবস্থা হতো না। এভাবে পরীক্ষা দিয়ে আমার জ্ঞান কোনোভাবে বিকশিত হতে পারবে না।
ফাঁকিবাজের ভাবনা
স্যারদের মনে কি কোনো দয়া-মায়া নেই? প্রশ্ন তো দেখে মনে হচ্ছে হিব্রু ভাষায় করা। হতে পারে আমি পড়াশোনা করি না, কিন্তু তাই বলে কি আমার পাস দরকার নেই? আমারও তো স্বপ্ন আছে। বাদ দিই এসব চিন্তা, কী করে এই তিন ঘণ্টা কাটাব? খাতায় কিছু লেখা মানে তো অযথা কাগজ নষ্ট। এর চেয়ে কীভাবে টাইম পাস করা যায় তা-ই ভাবি!
ফেসবুক আসক্ত ছাত্রীর ভাবনা
এত কষ্ট পরীক্ষা দিতে। ঘেমে তো হালকা মেকআপটাও নষ্ট হয়ে যাবে। এমনি পরীক্ষার চিন্তায় শরীর খারাপ হয়ে গেছে। ধুত্তোর এত লেখা যায়? পরীক্ষা নিয়ে বাসায় গিয়ে ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিতে হবে। যা পারি তা-ই লিখি, আব্বু বলেছে পাস করতে পারলেই ইঞ্জিনিয়ার ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দেবে। পাস আমাকে করতেই হবে।
রাজনৈতিক কর্মীর ভাবনা
আমার সরকার ক্ষমতায়, তাও কী করে এই শিক্ষকের সাহস হয় প্রশ্ন কঠিন করার? আরে আমাদের জন্য এত কিছুতে ছাড় দেওয়া হয় আর পরীক্ষায় দেওয়া হবে না! ব্যাটাকে এত করে বললাম প্রশ্ন সহজ করতে, না হয় সাজেশন দিতে, কিছুই দিল না। ছাইপাঁশ কিছু একটা লিখে বের হই তো হল থেকে, জায়গামতো ফোন দিলে ঠিকই পাস করে যাব এবার!
শিক্ষকের ভাবনা
আহা বাছারা, ক্লাসে খুব বীরদর্পে চলো, এখন একেকটার এ অবস্থা কেন? প্রশ্ন যা করেছি তিন তিন ছয় ঘণ্টা পরীক্ষা দিলেও পার পাবা না। আর আমি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মাস্টার, দেখি কে কার সঙ্গে কথা বলে। একটাও যদি ঘাড় ঘোরায়, ঘাড় ভাঙতে না পারলেও খাতা ঠিকই কেড়ে নিতে পারব।
এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট
সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দুঃখ খচিত পতাকা আমার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?
যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাংলাদেশ হতো হায়দ্রাবাদ

১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের... ...বাকিটুকু পড়ুন
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ: ইসলামপন্থী, ধর্মনিরপেক্ষ, নাকি রাজনৈতিক বাস্তববাদী?
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিতর্কিত প্রশ্নগুলোর একটি হলো—তিনি কি সত্যিই ইসলামপন্থী ছিলেন, নাকি ইসলামকে মূলত রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগীটি মারা গেলো

বাংলাদেশে ডাক্তারদের অবহেলায় কি পরিমাণ প্রাণ অকালে ঝরে গিয়েছে তা কল্পনাতীত। এবং আমাদের দেশের ডাক্তার এই অপরাধে নূন্যতম অনুশোচনা বোধ করে না।
ডাক্তারদের অবহেলার কারণে দেশের পাঠ্য বই ইংরেজি... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।