বহুল পরিচিত একটি কৌতুক...
রিয়া ও মীরা, দুই ঘনিষ্ট বান্ধবী, মীরার প্রেমিককে নিয়ে আলোচনা করছে।
রিয়াঃ সজলকে বিয়ে করছিস কবে?
মীরাঃ আরে ধ্যাত! ওকে বিয়ে করবো না!
রিয়াঃ সেকি! কেন? এতদিন প্রেম করলি, ওকে না পেলে নাকি তুই বাচবিই না! আর এখন বিয়ে করতে চাচ্ছিস না!!!
মীরাঃ সজল একটা এক নম্বরের নাস্তিক। ওকে বিয়ে করা যাবেনা।
রিয়াঃ কিভাবে বুঝলি?
মীরাঃ ও বলে, বেহেশত-দোজখ বলে নাকি কিছু নেই!!!
রিয়াঃ ওহ, এই ব্যাপার! কালই তাকে বিয়ে করে ফেল। বিয়ের পরই সাহেব হাড়ে হাড়ে টের পাবে বেহেশত-দোজখ বলে কিছু একটা আসলেই আছে!!!
'আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্য করেন'- বাংলাদেশে বহুল প্রচলিত বাক্য। ধর্মভীরু মানুষ এ বাক্যেটি নিয়মিত বলেন। এর মাধ্যমে সর্বশক্তিমান, মহাজ্ঞানী আল্লাহর উপর তারা আস্থা ও বিশ্বাস প্রকাশ করে থাকেন।
মাত্র কয়েকমাস আগে ১৫ কোটি মুসলমান দাবী জানিয়ে শেখ হাসিনাকে আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখাতে পারলো না। নিজে উদ্যোগ নিয়ে সকলের দাবী উপেক্ষা করে সংবিধান থেকে তিনি আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস বাদ দিয়েছেন।
আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাস বাদ দেয়ার পর সেই বাক্যেটি শেখ হাসিনার মুখে শুনে আশ্চর্য হতে হয়। দিল্লীর উপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখে তিনি আাশা করেছিলেন মনমোহন বাংলাদেশকে কিছু দিবেন। কিন্তু দিল্লী শেখ হাসিনার সেই আস্থা ও বিশ্বাসের মর্যাদা রাখেনি। কিছুই দেয়নি, নিয়ে গিয়েছে অনেক কিছু।
তাই মনমোহন চলে যাওয়ার পরই শেখ হাসিনা বুঝতে পেরেছেন আল্লাহ বলে কিছু আছে। তিনি বলেছেন, আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্য করেন! অর্থাৎ আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাস তার ফিরতে শুরু করেছে.! অর্থাৎ তিনি বুঝতে পেরেছেন, যা কিছু ভাল করেন, তা আল্লাহ করেন। আশা করি আল্লাহর উপর আস্থা বাদ দেয়া যে ঠিক হয়নি, তাও তিনি এভাবে বুঝবেন।
তাই আমরা অনুরোধ করব, মনমোহন জি, আপনি আরো আসুন, আপনি আসলেই শেখ হাসিনা বুঝতে পারেন, আল্লাহ বলে আসলেই কিছু আছে...! অবশ্য রাষ্ট্রীয় ব্যাপারে আল্লাহর নাম নিয়ে তিনি সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন কিনা তাও বিবেচ্য! কারণ রাষ্ট্রকে তো ধর্মনিরপেক্ষ তিনিই বানিয়েছেন...!!!
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


