(দ্্বিতীয় অংশ)
বেশ কিছু বছর পেরিয়ে গেছে এরই মাঝে। আবাস গেড়েছি নতুন শহরে। ন'টা-পাঁচটা অফিসের পর আর মন কুলোই না অন্য কাজে।সমাজ বাস্তবতার যাঁতাকলে পিস্ট হয়ে পথ চলতে থাকি। এমনই সময় আবার তার সাথে দেখা। চলতি পথে এমন অনাকাঙ্খিত ঘটনা এই প্রথম।
আমি ব্যস্ত ছিলাম। অফিস যাবার পথে সরাসরি সংর্ঘষ। একেবারে মুখোমুখি। ছিটকে পড়ল তার ব্যাগ; চোখের কালো চশমা নাকের উপর ঝুলে রইলো কোন মতে। আবার দেখলাম সেই নিস্পাপ মুখ; বোবা দৃষ্টি- তাকিয়ে আমার দিকে। সে দৃষ্টি ভুলিয়ে দিরো সামান্য লৌকিকতা। ঠোটের ফাক পিছলে বের হল না "দুঃখিত" কিংবা "মাফ করবেন"। চিন্তার জাল ছিড়তেই ব্যাগটা হাতে তুলে দিলাম-কুড়িয়ে এনে। তখনও বুঝিনি এতো দিনে সে স্বাবলম্বী হয়ে গেছে। হাতড়িয়ে ঠিকই খুজে নিলো নিজের সাদা ছড়িটি(!!!)। তারপর ধীরে ধীরে হারিয়ে গেল হাজার লোকের ভীড়ে। পেরিয়ে গেলো আমার দৃষ্টি সীমানা। সহসা মনে পড়ল আজও বলতে পরলাম না ু তার প্রতীা কোন সে মানুষের তরে; দৃষ্টি মেলে খজে ফেরে কার ছায়া। তবে এটুকু বুঝতে বাকী রইলো না-সে মানুষ আমি নই।অতো বড় হতে শিখেনি আজো। বৃদ্ধ সমাজের সংকর্ীণতার শেকল আমাকে শেখায় নি কিভাবে পূর্ণতা দিতে হয় অপূর্ণতার।
তারপর? তারপর আর কথা বাড়িয়ে লাভ কি। কথার পিঠে কথা বাড়বে; বাড়বে হৃদয়ের আস্থিরতা। আর... নাহ্ থাক।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


