somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রফিকুলইসলাম
কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই আজ আর নেই কোথায় হারিয়ে গেল সোনালী বিকেলগুলো সেই আজ আর নেই । নিখিলেশ প্যারিসে, মঈদুল ঢাকাতে নেই তারা আজ কোন খবরে গ্র্যাণ্ডের গীটারিস্ট গোয়ানীস ডিসুজা ঘুমিয়ে আছে যে আজ কবরে কাকে যেন ভালোবেসে আঘাত পেয়ে যে শেষে পাগলা গারদে আছ

আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার!!! বুকের ব্যথা বুকে চাপা দিয়ে নিজেকে দিয়েছি ধিক্কার

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৩:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পিলখানা ইতিহাস হয়ে থাকবে। ছাইচাপা দিয়ে তাকে ঢেকে রাখা যাবেনা। সব কিছুর একটা টার্নিং পয়েন্ট আছে। তেমনি পিলখানা ইতিহাসের গুরুত্ব পূর্ন এক টার্নিং পয়েন্ট। বাংলাদেশের সার্বোভৌমত্ব প্রশ্নের মূখে ফেলে দিয়েছে যারা, ইতিহাস তাদের খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে হিসেব নিবে। ক্ষমা করবেনা। জাস্ট সময়ের ব্যাপার মাত্র।
কোটি কোটি ঘৃনা থুতু হয়ে ঝরে পড়বে ওইসব গাদ্দারদের মূখে, যারা পিলাখানাকে এক্সপেরিমেন্টাল প্লট হিসেবে নিয়েছিল।
সব সত্য এখনো বের হয়নি, একদিন হবে ইনশাআল্লাহ। সেই সময় হয়তো খুব বেশী দূরে নয়।
৬ বছর আগে ঢাকার পিলখানাসহ সারা দেশে বিডিআর বিদ্রোহে ৭৪ জন নিহত হন। এ ঘটনায় সারা দেশে ৫৭টি মামলায় পাঁচ হাজার ৯২৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়। এদের ৮৭০ জনকে দেওয়া হয় সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদ-।
বিদ্রোহের সর্বশেষ মামলার রায়ে সদর রাইফেলস ব্যাটালিয়নের ৭৩৩ আসামির মধ্যে ৭২৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। ৬৪ জনকে দেওয়া হয় সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদ-। সব মিলিয়ে এসব মামলার রায়ে পাঁচ হাজার ৯২৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়।
বর্তমান মহাজোট সরকার ক্ষমতা গ্রহণের কিছু দিন পরই সীমান্ত রক্ষী বাহিনীতে এতো বিশাল সংখ্যক কর্মকর্তার নিহত হওয়ার ঘটনা আলোচনা-সমালোচনায় ঢেউ তোলে।

১. ২৫ এবং ২৬ ফেব্রুয়ারি কার নির্দেশে বিডিআর হেডকোয়ার্টারের আশপাশের লোকজনকে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে নিরাপদ দূরত্বে সরে যেতে বলা হয়েছিল?

২. ২৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় কেন লে. কর্নেল মুকিত বিডিআর সদর দফতর থেকে সেনাবাহিনী এবং বিডিআর মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে ফ্যাক্স বার্তা পাঠিয়েছিলেন?

৩. বিডিআর সদর দফতরের ৫ নম্বর গেটে সেদিন কেন পুলিশ এবং র‌্যাব সদস্যদের মোতায়েন করা হয়নি?

৪. বাংলাদেশ টেলিভিশন সেদিন বিদ্রোহের ঘটনা কেন প্রচার করেনি?

৫. ঘটনার সময় বিডিআর হেডকোয়ার্টারে দেশের বাইরে থেকে একাধিক ফোন কল এসেছিল। তদন্তকারীরা কি এগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন?

৬.সরকার কেন পুলিশের আইজিকে তদন্ত প্রক্রিয়া থেকে দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করছে?

৭. তথ্য সংগ্রহের নামে সিআইডি দল বিডিআর সদর দফতর থেকে কি সরিয়েছ
বিডিআর সদর দফতরে পাহারারত পুলিশ সদস্যরা ৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে কি ধরনের তথ্য-প্রমাণাদি সেখান থেকে সরিয়েছে?

তবে শক্ত হাতে বিদ্রোহ দমন করায় হতাহতের সংখ্যা কম হয়েছে বলে দাবি করে সরকার পক্ষ।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। রক্তাক্ত এ বিদ্রোহের পর সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিডিআরের নাম বদলে রাখা হয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একই সঙ্গে বাহিনীর পোশাকও বদল করা হয়। বিদ্রোহের পর বিডিআরের নিজস্ব আইন ও ফৌজদারি আইনÍ -এই দুই আইনে বিচার শুরু হয়।
দেশের বিভিন্ন স্থানে বিডিআর বিদ্রোহের পর বাহিনীর নিজস্ব আইনে ৫৭টি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার রায়ে পাঁচ হাজার ৯২৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়। এরা সবাই সীমান্তরক্ষী বাহিনীর চাকরিও হারিয়েছেন। মামলা থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছেন ১১৫ জন। খালাসপ্রাপ্ত সবাই চাকরি ফিরে পেয়েছেন।
তবে মামলার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার কোনো সুযোগ নেই। রায়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে বিডিআর আইনের কার্যকারিতা। বিদ্রোহের ক্ষেত্রে নতুন আইন কার্যকরের সিদ্ধান্ত হয়। এ আইনে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদ-।
বিদ্রোহের অভিযোগের ক্ষেত্রে সব মামলায় প্রায় একই ধরনের অভিযোগ আনা হয় আসামিদের বিরুদ্ধে। অভিযোগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল- মহাপরিচালকের আদেশ অমান্য করা, অধীনস্থদের নিয়ন্ত্রণ না করা, বিদ্রোহের তথ্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে না জানানো, অনুমতি ছাড়াই অস্ত্র সংগ্রহ ও অস্ত্রাগার লুট, মহাপরিচালক বাসভবনে অবৈধ নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ, পিলখানার ফটকে অবৈধ অবস্থান করা এবং নিজেকে আড়াল করা, বিদ্রোহ সৃষ্টি ও এতে সহায়তা করা।
রায় ঘোষণার সময় আদালত যে সব বিষয় বিবেচনায় এনেছিলেন তা হলো- আসামিদের পূর্বের আচরণ, তাদের পদবি-নিয়োগ, আসামি নিজে ও তাদের আত্মীয়স্বজনের স্বাধীনতাযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদান, চাকরি ক্ষেত্রে তিনি কোনো পদক পেয়েছেন কি না, আসামিদের পারিবারিক অবস্থা কেমন, আসামি দোষ স্বীকার করেছেন কি না এবং প্রচলিত আইনের যথাযথ ব্যবহারসহ বিভিন্ন বিষয় রায়ের শাস্তির মাত্রা নির্ধারণ।
রায়ের ফলে অনেক জওয়ানের চাকরি চলে যাওয়ায় বাহিনীর ভেতরে যে বিরাট শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা পূরণের জন্য নতুন জওয়ান নিয়োগ দেওয়া হয়, হচ্ছে

সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৩:৪৪
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে “উপজাতি” নাকি “আদিবাসী”? আন্তর্জাতিক আইন ও ইতিহাসের নির্ভেজাল সত্য!​

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২৭


সূচনা ও প্রেক্ষাপট:
লেখক পার্বত্য চট্টগ্রামে ২০০১ সালে তিনি যখন সেখানে দায়িত্ব পালন করেন, তখন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীকে 'উপজাতীয়' (Tribal) হিসেবে ডাকা হতো। কিন্তু ২০১৫-১৬ সালের দিকে সেখানে পুনরায় পোস্টিং পাওয়ার... ...বাকিটুকু পড়ুন

হঠাৎ কেন ঢাকায় র প্রধান?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:২২


দিল্লী দখল ঠেকাতে ঢাকায় চলে এলেন র প্রধান!

হ্যাঁ, ঠিকই শুনলেন। ক'দিন ঐ র‍্যাডিসন ব্লুতে বসে অনেকের হাতে-পায়ে ধরলেন; বললেন, "তোমরা প্লিজ দিল্লী আক্রমণ করো না। আমাদের মিসাইল, অস্ত্র সব... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের আদি জনগোষ্ঠী কারা

লিখেছেন কিরকুট, ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৬


বাংলাদেশের আদি জনগোষ্ঠী নিয়ে আলোচনা হলেই আমাদের সামনে সাধারণত পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা কিংবা অন্যান্য পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর কথা আসে। কিন্তু একটি প্রশ্ন প্রায়ই এড়িয়ে যাওয়া হয় বাংলাদেশের আদি জনগোষ্ঠী... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেবী!

লিখেছেন করুণাধারা, ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৩৩



১)
দেবী খুবই বুদ্ধিমতী এবং সুন্দরী। এক উচ্চাভিলাষী পরিবারে দেবীর জন্ম, এমনই উচ্চাভিলাষী যে তাদের একমাত্র ভাবনা কীভাবে সবাইকে ছাড়িয়ে উপরে ওঠা যায়! দেবীর যখন জন্ম হলো তখন তার ভাইয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

র-প্রধানের ঢাকা সফর: খবর শুনেই হাসপাতালে ভর্তি পাকিস্তানের হাইকমিশনার !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:১৭


রসিকতা বাদ দিয়ে বলি, দুটি ঘটনাই সত্যি। বাংলাদেশে RAW এর প্রধান পরাগ জৈন এসেছেন এবং পাকিস্তানের হাইকমিশনার এখন হাসপাতালে আছেন। দুটি ঘটনা আসলে পরস্পরবিচ্ছিন্ন, একটার সঙ্গে আরেকটার কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×