somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গল্প 1989

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এই গল্পটা 1989 সালে লেখা। এর আগে আমি কাটর্ুন পত্রিকা ও রহস্য পত্রিকায় কিছু গল্প ধরনের লিখছিলাম। তবে এইটা যখন লিখছি তখন সিরিয়াস গল্প লেখনের চেষ্টা আমি করছি। 'প্রান্ত' লিটল ম্যাগাজিনে ছাপা হইছিল। লেখালেখির জগতে আমার প্রথম ছাপা জিনিস 'শয়তান' নামের একটা গল্প। ওইটা রহস্য পত্রিকা 'পাঠকের গল্প বিভাগে ছাপছিল। খুব সম্ভব 1985 সালে। এপ্রিল মাসে।এসএসসি পরীক্ষা দেওনের সময় লেখছিলাম গল্পটা। ছাপা হওনের পরে রহস্য কর্তারা দশ কপি পত্রিকা পরবতর্ী দশ মাস আমারে দিয়া গেছেন।

কার্টুন পত্রিকায় লেখার ব্যাপারটা রোমান্টিক আবহের ছিল। আমি ঢাকার বাড্ডায় থাকতাম। কার্টুন পত্রিকায় লেখা দেওয়াটা কেমনে শুরু করছিলাম এখন আর মনে নাই। তবে রোমান্টিকতা হইত খুব। আমি সকাল বেলায় বাসে কইরা গুলিস্তান যাইতাম। ওইখানে ওসমানী মিলনায়তনের মইধ্যে নগর পাঠাগার আছিল। গিয়া টেবিলে বইসা লেখা লেখতাম। কদাচিৎ আবদুল মান্নান সৈয়দের 'মাছ সিরিজ' কবিতার বইয়ের পাতা উলটাইতাম। লেখা শেষ হইলে পলটনের কাটুন অফিসে জমা দিয়া 50 টেকা পাইতাম। খুব বেশিদিন এইরকম লেখালেখি সম্ভব হইল না। কাটর্ুনিস্ট আহসান হাবীব ভাই বললেন মিয়া ওরা তো তোমারে ঠকায়। মাত্র 50 টাকা দেয়। আমি এরপরে কার্টুন পত্রিকায় লেখা বন্ধ কইরা দিলাম।
এবং হালকা লেখালেখি ছাইড়া দিয়া একটা নাটকের গ্রুপ-এ কিছুদিন অভিনয় করি। হের পরে ওই নাটকের দলেও বেশিদিন থাকতে মন চায় নাই। আমি গিয়া ভিড়ছিলাম বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের লিটল বুদ্ধিজীবীদের পরিমণ্ডলে। সেই গল্প পরে করমুনে। আমার ওই নগর পাঠাগারে (নাকি অন্য কোনো নাম এইটার?) বইয়া বইয়া লেখনের শখ এহনো মস্তিষ্কের অন্ধকারে খেলা করে।

এই গল্পটা দাড়িকমা ছাড়া লিখছিলাম। এক বসায়ই লেখা। কাটাকুটি তেমন করতে হয় নাই। গল্পের নামটাও মাশাল্লা বড় রাখছিলাম। কত আগের কথা!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনঃ কেন আমি বিএনপিকে ভোট দিবো?

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:২৯



আসছে ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এ ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সরকারপক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই নির্বাচন হবে বিতর্কমুক্ত এবং উৎসবমুখর পরিবেশে। আমার অবশ্য এই দুই ব্যপারেই দ্বিমত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামিলীগ আবার মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫



চাঁদগাজী বলেছিলেন,
"যেসব মানুষের ভাবনায় লজিক ও এনালাইটিক্যাল জ্ঞান না থাকে, তারা চারিপাশের বিশ্বকে সঠিকভাবে বুঝতে পারে না, কোন বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। সমাজে তাদের অবদান... ...বাকিটুকু পড়ুন

‘বাঙালি মুসলমানের মন’ - আবারও পড়লাম!

লিখেছেন জাহিদ অনিক, ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আহমদ ছফা'র ‘বাঙালি মুসলমানের মন’ বইটা আরাম করে পড়ার মতো না। এটা এমন এক আয়না, যেটা সামনে ধরলে মুখ সুন্দর দেখাবে- এমন আশা নিয়ে গেলে হতাশ হবেন। ছফা এখানে প্রশংসা... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাতানো নির্বাচনে বিএনপিকে কিভাবে ক্ষমতায় বসানো হল-(১) অথচ দীর্ঘ ফ্যাসিস্ট শাসনের পর চাওয়া ছিল একটি সুষ্ঠ নির্বাচন।

লিখেছেন তানভির জুমার, ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:২১

১/ ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের ভিতরে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ। অর্থাৎ মানুষকে ফোন বাসায় রেখে আসতে হবে। কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসার পক্ষপাতিত্ব করলে কেউ রেকর্ডও করতে পারবে না। কেন্দ্রে কোন অনিয়ম, জালভোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

কলেজ ও ভার্সিটির তরুণরা কেন ধর্মের দিকে ঝুঁকছে? করনীয় পথ নকশাটাই বা কী?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৬


ধর্মের দিকে ঝোঁকার মানচিত্র

অচেনা পথে হাঁটে আজ তরুণের দল
পরিচয়ের কুয়াশায় ঢেকে গেছে কাল
শিক্ষা, কর্ম, সম্পর্ক সবই আজ প্রশ্নবিদ্ধ
কোথায় জীবনের মানে মন দ্বিধাবদ্ধ।

এই দোলাচলে ধর্ম দেয় দৃঢ় পরিচয়
উদ্দেশ্য, শৃঙ্খলা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×