কার্টুন পত্রিকায় লেখার ব্যাপারটা রোমান্টিক আবহের ছিল। আমি ঢাকার বাড্ডায় থাকতাম। কার্টুন পত্রিকায় লেখা দেওয়াটা কেমনে শুরু করছিলাম এখন আর মনে নাই। তবে রোমান্টিকতা হইত খুব। আমি সকাল বেলায় বাসে কইরা গুলিস্তান যাইতাম। ওইখানে ওসমানী মিলনায়তনের মইধ্যে নগর পাঠাগার আছিল। গিয়া টেবিলে বইসা লেখা লেখতাম। কদাচিৎ আবদুল মান্নান সৈয়দের 'মাছ সিরিজ' কবিতার বইয়ের পাতা উলটাইতাম। লেখা শেষ হইলে পলটনের কাটুন অফিসে জমা দিয়া 50 টেকা পাইতাম। খুব বেশিদিন এইরকম লেখালেখি সম্ভব হইল না। কাটর্ুনিস্ট আহসান হাবীব ভাই বললেন মিয়া ওরা তো তোমারে ঠকায়। মাত্র 50 টাকা দেয়। আমি এরপরে কার্টুন পত্রিকায় লেখা বন্ধ কইরা দিলাম।
এবং হালকা লেখালেখি ছাইড়া দিয়া একটা নাটকের গ্রুপ-এ কিছুদিন অভিনয় করি। হের পরে ওই নাটকের দলেও বেশিদিন থাকতে মন চায় নাই। আমি গিয়া ভিড়ছিলাম বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের লিটল বুদ্ধিজীবীদের পরিমণ্ডলে। সেই গল্প পরে করমুনে। আমার ওই নগর পাঠাগারে (নাকি অন্য কোনো নাম এইটার?) বইয়া বইয়া লেখনের শখ এহনো মস্তিষ্কের অন্ধকারে খেলা করে।
এই গল্পটা দাড়িকমা ছাড়া লিখছিলাম। এক বসায়ই লেখা। কাটাকুটি তেমন করতে হয় নাই। গল্পের নামটাও মাশাল্লা বড় রাখছিলাম। কত আগের কথা!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



