ডিয়ার শোহেইল,
এই ব্লগে কে কেমনে লিখতেছে তা আপনে একটা কাঠামোর মইধ্য দিয়া দেখতে পারতেছেন। অন্যরে একটা সেট-এর মইধ্যে ঠেইলা দেওয়ার মইধ্যে ক্ষমতা উপভোগের বাসনা কাম করে। আপনে আমার সম্পর্কে মন্তব্য করছেন : "আছেন রাইসু, তিনি মাধ্যমিক শ্রেণীর জন্য বাংলা সাহিত্য পাঠ ধরনের কবিতা সংকলন তৈরির কাজে মনোনিবেশ করেছেন।"
আপনে এই কামেরে মাধ্যমিক শ্রেণীর জন্য বিবেচনা করলেন কেন বলবেন কি? আপনে কি কবিতা পুনমর্ুদ্রণ জিনিসটারে মাধ্যমিক শ্রেণীর জন্য নিধর্ারণ করলেন, নাকি আমি যেগুলা বাছাই করতেছি সেগুলি মাধ্যমিক শ্রেণীর জন্য, নাকি পামর বাংলা কবিতারেই আপনে মাধ্যমিক শ্রেণীর জন্য বরাদ্দ দিলেন, মাই লর্ড। আমার শুইনা আনন্দ লাগছে, যাউক আমি সংকলন করতেছি মাধ্যমিক শ্রেণীর জন্য আর তা কিনা পড়তে হইতেছে উচ্চের উচ্চ রুচির এভারেস্ট তালুকদারের তালুকদার ব্লগের বাপদাদাগো! তবে আপনের কথা আমার মনে ধরছে। মাধ্যমিক শ্রেণীর জন্য এইভাবে কবিতা ছাপাইলে আপনের পাশাপাশি কোমলমতি মাধ্যমিক/মাধ্যমিকারা আরো ভালো ভাবে কবিতার গুষ্ঠি উদ্ধার করতে পারব। মাধ্যমিকদের বাদ দিয়া ব্লগে খালি পাকনা হাবড়াগোই থাকতে হইব এমন দিব্যি কে দিছে? আর কে দিলেই বা কে হোনব!
আপনে অন্যেরে বগর্ীকৃত কইরা নিজেরে বর্গের বাইরে রাখছেন। যথা : "নিজেকেও বিশেষ ভাগে ফেলতে পারছি না। আমি মনে হয় সব জায়গাতেই একটু একটু ঢুঁ দেই।"
তা দেন জনাব। আপনে ঢুঁঢুঁ বর্গের ভ্রাম্যমান। আপনে নিজেরে বিশেষ ভাগে ফেলতে পারেন না, অথচ আর সবাইরে অবলীলায় ভাগাভাগি কইরা দেন। আপনে এত ভাগুয়া হইলেন কেমনে! আপনেরে যদি একটা সেটের আন্ডারে দেখতে চাই কওন যায় আপনে হইলেন তাগো মত যারা রুচিশীলতার রামগরুর, যারা কিনা অন্যের কোনো কামেই খুশি হয় না। মনে করে সব জাগাই হেগো বাপের তাল্লুক। তো মহাত্মন, আমি আপনের এই তালুকদারিতে নিজের প্রতিভার গুণে মুগ্ধ হইয়া কিছু স্কেচ পাঠাই, অন্যের লগে মতবিরোধে জড়াই, আরো কিছু করনের ইচ্ছা আছিল। দয়া কইরা আমার বক্তব্যের লগে আপনের না গেলে জানান দিয়েন। হুদা পঙ্গুরে পঙ্গু বইলা, আন্ধারে আন্ধা বইলা গাইল পাইরেন না।
ব্লগে যা খুশি তাই লেখন যায়। যেমন আপনে লেখলেন। যেমন আমি...
আপনের বানান ভুল প্রায় হয়ই না...ছোট কাগজ করতেন নাকি দাদা?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



