
১। বাইবেলে স্যামসন নামক বীরের উল্লেখ আছে। তিনি খালি হাতেই একটা সিংহকে ছিন্নভিন্ন করে ফেলেছিলেন। আবার যখন সেখানে ফিরে এলেন, দেখলেন একঝাঁক মৌমাছি সিংহটির মৃতদেহকে আশ্রয় করে মৌচাক বানিয়েছে, যেখানে সঞ্চয় করেছে মধু।
২। সাহিত্য ও শিল্পের জগৎ প্রেম, সৌন্দর্য ও আনন্দের জগৎ। আত্মার জগতের স্বাদ পাওয়া যায় সাহিত্যে, শিল্পে। তাই সাহিত্য শিল্পের সহায়তাই মানুষের মনের উন্নয়ন সম্ভব হয়। গল্প-উপন্যাস ও কবিতা পড়তে পড়তে কী করে যে মানুষের দ্বিতীয় জন্ম হয় মানূষ নিজেই তার টের পায় না।
৩। এক ছাদের নীচে যে দুজন নারী-পুরুষ রাতদিন যাপন করে, কেবল তারাই জানে- তাদের রাত ও দিনের প্রহরগুলি রঙ্গিন, নাকি ধূসর। প্রত্যেকটা মানুষই জীবনে ভুল করে। আবার নিজেকে শুধরায়, আবার ভুল করে। কিন্তু কিছু ভুল থাকে যা আর শুধরানো যায় না।
৪। মানুষ আজকাল বাক্সবন্দী হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে মেয়েরা। এক সময় নারীরা বাইরে বের হওয়ার জন্য আন্দোলন করতো। আর এখন তারা সারাদিন ঘরে বসে হিন্দি সিরিয়াল দেখে, কম্পিউটারে চ্যাটিং করে, মোবাইলে কথা বলে। পৃথিবী যত উন্নতির দিকে যাচ্ছে, মানুষ ততই নিজেকে চার দেয়ালের মাঝে বন্দি করে ফেলছে। যদিও বর্তমানে সংসারে ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের রেসপনসিবিলিটি অনেক বেশী। ভূপেন হাজারিকার সেই গান মনে পড়ে যায়- পৃথিবী আমারে আপন করেছে, আপন করেছে পর...আমি এক যাযাবর...।
৫। যীশু খ্রিষ্টের জন্মের ৩৭৬৬ বছর আগে সম্রাট কুফুর এর নাম কি কেউ শুনেছেন?
৬। সামু ব্লগ বন্ধ হবে না। নো নেভার। বন্ধ হবে কেন? কোনো কারন তো নেই। প্রথম আলো হয়তো ভুলে এই নিউজটা করেছে। তারা হয়তো এজন্য দুঃখপ্রকাশ করবে আগামীকাল। বিটিআরসিতে সম্ভবত অযোগ্য লোক বেশি। তারা জানে না সামু কি? তারা সামুতে আসুক, দেখুক, পড়ুক। তারপর তারা সিদ্ধান্ত নিক। সামু তো কারো কোনো ক্ষতি করে নাই। আমার কথাই ধরুন, যদি সামু বন্ধ হয়ে যায়- তাহলে আমার মনের কথা গুলো কোথায় লিখব? কার সাথে শেয়ার করবো? আমি তো দম বন্ধ হয়ে মারা যাবো। যতদিন বেঁচে থাকবো মায়ের ভাষায় লিখে যেতে চাই। এই লিখে দেওয়ার সুযোগ আমাকে করে দিয়েছে সামু। আমার লেখার অধিকার কারা কেড়ে নিতে চায়?
এরকম অবস্থায় সামু চুপ করে আছে কেন? প্রতিটা ব্লগার প্রচন্ড চিন্তায় আছে। আশা করি সামু একটা নোটিশ দিয়ে আমাদের সমস্ত চিন্তার অবসান করবেন । জয় বাংলা।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



