
১। অল্প কিছুদিন আমাদের আয়ু। এই অল্পদিনের জন্য আমাদের কত আয়োজন- ডিগ্রী, চাকরি, প্রমোশন, টাকা, বিয়ে, বাড়ি-ঘর; কোনো মানে হয়!
২। যতদিন এই অজানা এবং জ্ঞানের সীমার বাইরের ব্যাপার থাকবে ততদিন ঈশ্বরকে না মেনে উপায় নেই নাস্তিক দলের।
৩। জীবনটাও একটা আয়না স্বরূপ।
আপনি যেভাবে জীবনকে দেখবেন, সেও ঠিক সে ভাবেই আপনার কাছে ধরা দিবে। যারা সাহসিকতা, ভালোবাসা, উৎসাহ, জয় করার অদম্য ইচ্ছা নিয়ে সামনে এগিয়ে যায়, জীবন তাদের কাছে অনেক সহজ ও আনন্দ ময় হয়ে ধরা দেয়। কিন্তু যারা, হতাশা, ভয়, মানসিক অবসাদ নিয়ে সামনে এগুতে চায়, তাদের চোখে সাফল্য যেন মরীচিকা। জীবন হয়ে উঠে ক্লান্তিকর, বিষণ্ণময়। বাস্তবতাকে আপনি যেভাবে দেখবেন, আপনার সামনে তা সেভাবেই ধরা দিবে।
৪। মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্ক গুলো খুব সস্তা হয়ে গেছে। এ যুগের স্মার্ট ছেলেমেয়েরা সকালে make up আর বিকালে break up করে। গাছের চারার সাথে ছোট থাকতেই কাঠি বেধে দিলে গাছ বাঁকা হয়ে বড় হয় না। কিন্তু গাছ বড় হয়ে গেলে তাকে কিছুতেই সোজা করা যায় না। ঠিক তেমনি ছেলে- মেয়েদের ছোট থাকতেই ইসলামী মন-মানসিকতা, আচার-ব্যবহার, পোষাকে বড় করলেই সে একজন যোগ্য মানুষ হতে পারে।
৫। প্রায়'ই চোখের সামনে ঘোর বর্ষাকালের একটা দৃশ্য ভাসে।
চার দিন ধরে তুমুল বৃষ্টি। স্কুল বন্ধ, বাজার-হাট বন্ধ, উঠোনে হাঁটু পানি। একটি পরিবারের- মা বাবা ভাই বোন সবাই বারান্দায় বসে পানি দেখছে। চুপচাপ। কারো মুখে কোনো কথা নেই। টিনের চালে শুধু বৃষ্টির ঝমঝম শব্দ। তাদের পেট ভরতি ক্ষুধা। কিছু করার নেই। রান্না ঘর পানিতে ডুবে আছে। শুধু বৃষ্টি পড়ছে। শুধু বৃষ্টি পড়ছে।
৬। হঠাৎ উপলব্দি হলো, পৃথিবীর সব শিশুদের কান্না একই রকম। মানুষের মধ্যে কত রকম জাতি, কত ভাষা, কত সংস্কার, কত রকম বিভেদ, সবই কৃত্রিম ভাবে তৈরি করা। অথচ সব মানুষ'ই একই রকমভাবে জন্মায়, জন্মের পর অন্তত দু-তিন বছর মানব শিশুর হাসি ও কান্নায় কোনো প্রভেদ নেই। কোনো ধনীর ঘরের শিশু আর ঢাকার কোনো বস্তির গরীব মায়ের সন্তান ঠিক একই সুরে কাঁদে।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




