somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিএনপিকে আশ্রয় করে জীবিত জামায়াতে ইসলামী : পরজীবি গাছ কেটে ফেলতে হয়

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৩:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জামায়াতে ইসলামী কাগুজে একটি দলে পরিণত হয়েছে ১৯৭১ সালে পরাজিত শক্তি হবার পর থেকেই। স্বাধীনতার পর থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তারা নিজেদের প্রকাশ করবার সাহস পর্যন্ত দেখাতে পারেনি। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গনতন্ত্রের পথ উন্মুক্ত করে দিলে জামায়াতের রাজনীতির একটি সরু ধারা প্রকাশ পায়। কিন্তু সামাজিক গ্রহন যোগ্যতা না থাকায় সর্বসাধারন জামায়াতে ইসলামী করার সাহস করেনি। অনেকে ঘৃণাভরে আমাকে ভাবতে পারে এ ভেবে জামায়াতে ইসলামীর সক্রিয় সদস্য হিসেবে নিজেকে প্রকাশ করেনি। বিএনপি গঠনের পর তাই জামায়াতে ইসলামীর সদস্যরা ৯৯% ই প্রকাশ্যে বিএনপি করি বলে প্রকাশ করেছে। এভাবে বিএনপির বিভিন্ন পদ ও পদবিও তারা নিয়ে নিয়েছে। সারাদেশে মাঠ পর্যায়ে এ চিত্র এখন বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে স্পষ্ট।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মুক্ত চিন্তার স্থান হওয়ায় সাধারন শিক্ষার্থীদের কােেছ জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন শিবিরের রাজনীতি ঘৃণ্য। এমন কি প্রকাশ্যে তাদের রাজনীতিতে বাধাও রয়েছে। যদিও চট্টগ্রাম, রাজশাহীতে শিবিরের রাজনীতি প্রকাশ্যে চলছে। তবুও এ উত্থানের পেছনে ছাত্রদলে তাদের ঘাপটি মেরে থাকার ইতিহাসও রয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ। তারপরও ছাত্রলীগ বা ছাত্রদলে শিবিরের লোকদের ঘাপটি মেরে থাকার ইতিহাস সবার জানা। তবে বিএনপিকে তারা আশ্রয়ের অভয়াশ্রম মনে করে। কেননা বিএনপির মাথা তারা ইতোমধ্যেই দখলে নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে গত বিএনপি জোট সরকারের আমলে যে সকল নিয়োগ হয়েছে তা শতভাগ বললে মিথ্যা হতে পারে তবে ৯০ ভাগ শিবির- জামায়াতের লোকদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে। শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া ঘাপটি মেরে থাকা এ জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা আগামীতে বিএনপির মৃত্যু নিশ্চিত করতে ও লাশের খাটিয়ে বহন করতে সর্বাগ্রে প্রস্তুত। তারা জানে আওয়ামী লীগ তাদের প্রতিপক্ষ। আর বিএনপির কাধে ভর দিয়ে দাড়াতে হবে।

প্রতিথযশা যত বুদ্ধিজীবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসিবৃন্দ, সাংবাদিক ্র ও পেশাজীবি বিএনপির পক্ষে কথা বলে তাদের পরিচয় আমার কাছে এক কথায় জামায়াত শিবির। আমার বিশ্বাস এরা জামায়াতে নেতাকর্মী। এদের পত্রিকা দৈনিক দিনকালের একটা সাংবাদিক বা সংবাদ কর্মী পাওয়া যাবে না যিনি জামায়াতের নেতা বা কর্মী নন। আমি আমার সাংবাদিক জীবন থেকেই এ কথা বলছি তা নয়। আমার সহকর্মীদের আত্মস্বীকৃতি এটাই। অনেকেই জামায়াতের কর্মী বলতে নিজেকে লজ্জায় ফেললেও তারা জামায়াতের পক্ষে সাফাই গায়। বলে বিএনপিই যেহেতু জামায়াতকে মেনে নিয়েছে আর আমার মেনে নিতে দোষ কি? বি চৌধুরী বা কর্ণেল অলিও তো জামায়াতকে মেনে নিয়েছে!
প্রেসক্লাবের সাংবাদিক যারা বিএনপিপন্থী, তাদের সমস্ত নেতাকর্মীরা জামায়াতের নেতাকর্মী। এরা বিএনপির বা ছাত্রদলের ছেলেমেয়েদের সাংবাদিক হতে দেয় না আর দেবেও না। এরা ছাত্রদলের কিছু বা দুই একজনকে নিতে পারে যারা ঘাপটি মেরে থাকা জামায়াতের নেতাকর্মী কিন্তু ছাত্রদল নামে করেছ।

জামায়াতকে গনতান্ত্রিক রাজনীতির একটি দল হিসেবে মনে করতে দোষ নেই। কিন্তু জামায়াতের লোকদের এভাবে বিএনপির ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকার অধিকার বিএনপি নেতাকর্মীদের দেয়া উচিত হবে না। বিএনপিকে মাথা উচি করে, কোমর শক্ত করে দাড়াতে হলে প্রধমেই ঝাটা দিয়ে জামায়াতের সঙ্গ ত্যগি করতে হবে। জামায়াত পন্থী বুদ্ধিজীবিদের মতামত উপেক্ষা করতে হবে। ঘাপটি মেরে থাকা লোকদের চিহ্নিত করতে হবে। অন্যথায় বিএনপির পতন সুনিশ্চিত। মনে রাখতে হবে, জামায়াতকে মেনে নেয়া আর জামায়াত কর্মী হয়ে বিএনপির ভেতরে ঢুকে ঘুণে পোকার মতো বিএনপিকে ধ্বংস করে দেয়া এক নয়।

বিএনপির মনে রাখতে হবে, বিএনপির সিনিয়র ভাইসচেয়ারম্যান তারেক রহমানের কমোরের হাড় যদি কোন সেনা সদস্য ভেঙ্গে থাকে তবে তা জামায়াতের লোক। কেননা তারেক নেতা হলে জামায়াতকে আরো ৩০-৪০ বছর অপেক্ষা করতে হবে বিএনপিকে ভাঙ্গতে। তারা তাই তারেকের কোমড় ভেঙ্গে দিয়েছে।

(এরপরের লেখায় বিএনপির কিছু নেতাকর্মী কিন্তু তারা প্রকৃত জামায়াতের নেতাকর্মীর পরিচয় করে দেয়ার আশা করি। আপনার্রা তাদের তালিকা প্রকাশ করতে পারেন।)
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×